বিজি লাইফকে ইজি করতে গুগল (পর্ব ২)

জিবোর্ডঃ কিবোর্ড নাকি ম্যাজিক? আমার হাতের লেখা অনেক খারাপ, আম্মুর ভাষায় কাকের ঠ্যাং-বকের ঠ্যাং টাইপের। যখন স্কুলে পড়তাম তখন ভাবতাম, ইশশ এমন যদি হতো আমি যেটা মুখে বলবো কেউ সেটা লিখে দিবে! মজার ব্যাপার হলো স্কুল কলজ পেরিয়ে ভার্সিটিতে উঠতেই পেয়ে গেলাম সেই ম্যাজিক। তখন একটা প্রজেক্টে কাজ করতাম যেখানে প্রচুর ডেটা টাইপ করে এন্ট্রি দিতে হতো। আমার এই অসহনীয় কাজটা ম্যাজিকের মত সমাধান করে দিলো একটা কিবোর্ড। নাম তার গুগল কিবোর্ড বা GBoard. এরপর আমি মুখে বলে যেতে থাকলাম আর কিবোর্ড সেটা স্পিস টু টেক্সটে কনভার্ট করে আমার কাজটা করে দিতো। এই কিবোর্ডের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আছে। কিভাবে একটু একটু অরে তার ইন্টেলিজেন্স ডেভেলপ করলো সেটা অবশ্য আমি ভালোভাবেই দেখেছি। 'আমি ভাত' এর পরে যে খায় না হয়ে খাই হবে প্রথমদিকে এইটুকু বুঝতে পারতো না প্রথমদিকে আর এখন কি অনায়েসে কঠিন সব লেখা হয়ে যায়। আমিও ভরসা করে খুব দ্রুত টাইপ করতে পারি। যদি ভুল কিছু লিখে ফেলি, জিবোর্ড তার বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে বুঝে নেয় আওরা কি লিখতে চাই আর সেভাবে ঠিক করে দেয়। Gboard Handwriting অনেকগুলো ভাষার পাশাপাশি হাতে লেখাও আয় কিন্তু এই কিবোর্ডে। আপনি হাতে লিখবেন আর সেটা টাইপ হয়ে যাবে, মজা না? গুগল ট্রান্সলেটর আমার জার্মান প্রবাসী বন্ধু আমাকে একবার ম্যাসেজ দিলো "Danke", আমি খানিকক্ষণের জন্য কনফিউজড হয়ে গেলাম। সে কি কোনোভাবে আমাকে গাঁধা বললো? পরে গুগল ট্রান্সলেটর ইউজ করে বুঝলাম সে জার্মান ভাষায় আমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। একইভাবে বিশ্বের প্রায় প্রতিটা ভাষা খুব সহজে ট্রান্সলেট করে দেয় গুগল। এখন আর হিন্দি বুঝি না বলে কেউ কটাক্ষ করতে পারে না। এছাড়াও এখানে আছে কনভার্সেশন মোড ফিচার। এই ফিচারের আওতায় অন্য ভাষার মানুষের সঙ্গে নিজস্ব ভাষায় কথা বলা যাবে। উদাহারণস্বরুপ, আপনি ইংরেজি ভাষার কারও সঙ্গে বাংলায় কথা বললে তিনি তা ইংরেজি…

Continue Readingবিজি লাইফকে ইজি করতে গুগল (পর্ব ২)

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে শুভেচ্ছা

  • Post author:

একটি ক্ষুদ্র আয়তনের দেশ হয়েও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে প্রযুক্তিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে সারা বিশ্বের নিকট একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে জন্ম নেওয়া এই বাংলাদেশকে আজকের অবস্থায় আসতে অতিক্রম করতে হয়েছে হাজার প্রতিবন্ধকতা। কিন্তু দেশটির স্বাধীনতার ৫০ বর্ষপূর্তিতে আজ একটি কথা বলতেই হয়, বাংলাদেশ প্রযুক্তির ব্যবহারে অনেক এগিয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করে এবং তার বাস্তবায়ন শুরু হয় ২০০৯ সাল থেকে। বিগত কয়েক বছরে এই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের অভিযাত্রায় প্রযুক্তির অভূতপূর্ব সম্প্রসারণ ঘটেছে। প্রযুক্তি ভিত্তিক সেবা পৌঁছে গিয়েছে মানুষের দোরগোড়ায়। বিশেষজ্ঞরা প্রযুক্তির এই অবিস্মরণীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে আখ্যায়িত করেছেন " ডিজিটাল রেনেসাঁ বা ডিজিটাল নবজাগরণ" হিসেবে। তথ্য প্রযুক্তি খাতের অর্জন ও সাফল্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আমাদের জন্য বয়ে এনেছে সম্মান। ২০১৫ সালের ২৫ জুলাই কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তথ্য প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। নোবেল জয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের মতে "বিশ্বকে চমকে দেবার মত সাফল্য আছে বাংলাদেশের।" আইসিটি অবকাঠামো গড়ে তোলার অংশ হিসেবে জেলা থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যন্ত কানেক্টিভিটি সম্প্রসারিত করেছে। ৫৮ টি মন্ত্রণালয়, ২২৭ টি অধিদপ্তর, ৬৪টি জেলার প্রশাসনের কার্যলয়কে নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে। এরপর যশোরে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক নির্মাণ, সিলেটে ইলেক্ট্রনিক সিটি স্থাপন, রাজশাহীতে বরেন্দ্র সিলিকন সিটি স্থাপন, নাটোরে আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কতৃপক্ষের মাধ্যমে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে বেসরকারি সফটওয়্যার পার্ক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫০ বছরেরও কম সময়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন "বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১" উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ বর্তমানে প্রযুক্তিতে কতটা এগিয়ে। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপ দিতে বাংলাদেশ সরকার নিয়েছে যুগান্তকারী সব পদক্ষেপ। দেশের তৃণমূল পর্যায়ে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি সেবা পৌঁছে দেবার অভিপ্রায়ে দেশের ৪৫৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে…

Continue Readingস্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে শুভেচ্ছা

ওয়াইফাই হ্যাকিং

আমাদের মধ্যে কতো জন আছি, যারা বন্ধু বা প্রতিবেশির ওয়াইফাইের পাসওয়ার্ড জানার জন্য গুগল, ইউটিউব তছনছ করেছি শুধু একটি উপায়ের জন্য। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্ষান্ত হয়েছি নিজেদের ডিভাইস এ ভাইরাস, মালওয়ার ইন্সটল সহ নানাবিদ ক্ষতি সাধনের মাধ্যমে। আনেকে হয়ত ধরে নিয়ে ব্যাপারটা অসম্ভব। আজকে আমি এই ওয়াইফাই হ্যাকিং এর ব্যাপার একটা ধারনা দেয়ার চেষ্টা করব। তবে আপনি যদি মনে করেন এই আর্টিকেল পরে আপনি ওয়াইফাই হ্যাকিং শিখে  ফেলবেন তাহলে ভুল করবেন। প্রথমেই আমাদের জানতে হবে ওয়াইফাই কী, কীভাবে কাজ করে এবং এতে কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা  থাকে। ওয়াইফাই হল এক বিশেষ প্রযুক্তি যা কম্পিউটার, ল্যাপটাপ, স্মার্টফোন, প্রিন্টার ইত্যাদিতে তারবিহীন পদ্ধতিতে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা প্রদান করে। ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে ডাটা মূলত ছোট ছোট প্যাকেট আকারে রেডিও সিগন্যালের মাধ্যমে ট্রান্সমিট হয়। প্রতিটি ডিভাইস রাউটারের সাথে কনেক্টটেড থাকে ইন্টারনেট এক্সেসের জন্য। চিত্তটি লক্ষ করুন- আগেই বলেছি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ডাটা(তথ্য) আদান-প্রদান হয় প্যাকেট আকারে এবং এই প্যাকেটগুলি রেডিও সিগন্যালের মাধ্যমে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে পাঠানো হয়। এখন প্রশ্ন আসতে পারে রাউটার কীভাবে সঠিক প্যাকেট সঠিক ডিভাইসে পাঠায়ে। এই ভূমিকা রাখে MAC(Media Access Control) Address। এই এড্রেস দিয়ে LAN(Local Area Network) র ডিভাইস গুলোর মধ্যে ডাটা বিনিময় হয়। এই নিয়ে বিস্তারিত পরে কখনও আলোচনা করব। ওয়াইফাই সিকিউরিটির জন্য বহুল ব্যাবহ্রত Protocol গুলো - WEP (Wired Equivalent Privacy) WPA (Wi-Fi Protected Access) WPA2 (Wi-Fi Protected Access 2) বর্তমানে অধিকাঃশ রাউটারে WPA2 Protocol ব্যবহ্রত হচ্ছে WPA2 র তুলনামূলক অধিক নিরাপত্তার জন্য। WPA & WPA2 কার্যপদ্ধতি প্রায় এইরকম। WEP দূর্বল নিরাপত্তার কারণে বর্তমানে আর তেমন ব্যবহ্রত হয় না। WPA ও WPA2 Protocol বিশিষ্ট নেটওয়ার্কে(সাধারণ ওয়াইফাই যেগুলি আমরা সবসময় ব্যাবহার করি) আমরা কানেক্টেড হওয়ার জন্য আমরা কী করি? প্রথমে আমাদের ডিভাইসে(laptop, smartphone etc.) ওয়াইফাই অন করি, তারপর নেটওয়ার্ক লিস্ট থেকে আমাদের…

Continue Readingওয়াইফাই হ্যাকিং

বিগিনারদের জন্য কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং গাইডলাইন এবং প্রয়োজনীয় রিসোর্সসমূহ

আমরা সবাই জানি কম্পিউটার একটি সহজ সরল বোকা যন্ত্র, যাকে কাজে লাগিয়ে আমরা জটিল সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারি। আর কম্পিউটারের সাথে আমাদের মনের ভাব প্রকাশের জন্য দরকার হয় প্রোগ্রামিং ভাষার। দৈনন্দিন জীবনে আমরা যেসব সফটওয়ার ব্যাবহার করি সেগুলোও মূলত হাজার থেকে মিলিয়ন লাইনের কোড। আমরা প্রোগ্রামিং শিখবো কারন প্রোগ্রামিং শেখার মাধ্যমেই আমরা কম্পিউটারকে দিয়ে অনেক অনেক কাজ করিয়ে নিতে পারবো। যেমন কোড লিখে কম্পিউটারকে দিয়ে এক জায়গার তথ্য অন্য জায়গায় পাঠানোর প্রোগ্রাম করতে পারবো, গান শুনতে পারবো, গেম খেলার প্রোগ্রাম তৈরী করে ফেলতে পারবো, কিংবা এমন কাজও করিয়ে নিতে পারবো যা করার কথা আগে কেউ ভাবেনি। মোটকথা প্রোগ্রামিং করে যা যা করতে পারবো তার কোনো সীমা নেই। কেনো কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং করবো? আমরা লক্ষ্য করলে দেখবো বোকা যন্ত্র গুলোও ক্রমশ উন্নত হচ্ছে, সফটওয়ারের আপডেট আসছে, সুবিধাগুলো বাড়ছে । যত দিন যাচ্ছে এসব ডিভাইস গুলোর বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কর্মক্ষমতাও তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু আমরা কি বলতে পারি মেশিনগুলো বুদ্ধিমান হচ্ছে?-মোটেই না। ক্রমাগত অনুশীলন করে মানুষ প্রোগ্রামিং এ তাদের মস্তিষ্ক শাণিত করছে এবং বোকা যন্ত্রগুলোকে আরো বেশি কাজে লাগানোর সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায় বের করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এই অনুশীলনের জন্য সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হচ্ছে কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং। কারন প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই  প্রোগ্রামিংএর কিছু কঠিন বিষয়কে দৃঢ়ভাবে বুঝতে পারা যায় এবং নিজের দক্ষতা বাড়ানো যায়।  এছাড়া কম্পিটিভ  প্রোগ্রামিং এ ভালো করলে জব সেক্টরেও ভালো কদর পাওয়া যায়। বর্তমানকালের বড় বড় টেক কম্পানিগুলো প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে লোক নিয়োগ করে থাকে। এছাড়াও প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে আমাদের বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানের ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। আর এমন কোনো বাধাধরা নিয়ম নেই কেবল যে কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরাই প্রোগ্রামিং করতে পারবে, যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্ড থেকেই ভালো কিছু করা সম্ভব এবং এর নজির অনেক আছে। “Everyone should know how to program a computer because it…

Continue Readingবিগিনারদের জন্য কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং গাইডলাইন এবং প্রয়োজনীয় রিসোর্সসমূহ

অনলাইন জাজ-এর দেয়া রায় ও তার ব্যাখ্যা

কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং করতে এসে আমাদের সবাইকেই প্রথমে অনলাইন জাজের সাথে পরিচিত হতে হয়। অনলাইন জাজের কাজ কী? অনলাইন জাজ হচ্ছে “প্রোগ্রাম বিচার করার একটা প্রোগ্রাম”।  আরেকটু পরিস্কার ভাবে বলা যায় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় সমস্যা সমাধানের পর সোর্স কোডটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যে প্রোগ্রামটির মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয় তা-ই অনলাইন জাজ(Online Judge) বা OJ। এই প্রোগ্রামগুলো প্রবলেম সেটাররা সেট করে থাকেন। তারা প্রবলেম তৈরী করেন এবং একই প্রবলেম এর জন্য ইনপুট-আউটপুটের সেট তৈরী করেন। সমধানকারী তাদের সোর্সকোড সাবমিট করার পর অনলাইন জাজ ঐ সমাধানের কার্যকরীতা মূল্যায়ন করে একটি ফলাফল বা রায় বা Verdict প্রদর্শন করে। যেহেতু কম্পিউটার একটি সহজ সরল নিরপরাধ যন্ত্র, তাই নিজেকেই দায়িত্ব নিয়ে Verdict দেখে এবং বুঝে প্রোগ্রামের ভুল বের করতে হবে। অনলাইন জাজ-এ সমস্যা সমাধান করতে এসে নতুনদেরকে এই Verdict নিয়ে চিন্তায় পড়তে হয়। তাই এখানে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত কয়েকটি Verdict নিয়ে আলোচনা করলাম। Runtime Error বা RE: আউটপুট জেনারেট করতে অনেক সময় প্রোগ্রাম ক্রাশ করে বা বন্ধ হয়ে যায় , তখন এই ফলাফল পাওয়া যায়। বিভিন্ন ভাবে এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। ১। অ্যারেতে অনাকাঙ্ক্ষিত ইনডেক্স এর ব্যবহার করলে , ২। ভূলবশত শূন্য দিয়ে কোনো সংখ্যাকে ভাগ করলে, ৩। মেমোরী এলোকেশন এ ভুল করলে কিংবা নাল পয়েন্টার ব্যবহার করলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই অনলাইন জাজ গুলো থেকে এই আউটপুট পেলে এই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে। Time Limit Exceeded বা TLE: সাধারণত প্রত্যেকটি প্রবলেম এর জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ থাকে। প্রতিযোগীর দেওয়া প্রোগ্রামটি যদি ঐ নির্দিষ্ট সময়ে Execute করতে ব্যর্থ হয় তাহলে অনলাইন জাজ এই সিদ্ধান্ত প্রদান করে। তাই এই ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য Time Complexity নিয়ে সচেতন হতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যালগোরিদম পরিবর্তন করতে হবে প্রোগ্রামটিকে আরো efficent করার জন্য। Memory Limit Exceeded বা MLE: Time…

Continue Readingঅনলাইন জাজ-এর দেয়া রায় ও তার ব্যাখ্যা

ডট বিডি ডোমেইন সিস্টেম

ডট বিডি এবং ডট বাংলা হ’ল ইন্টারনেটে একটি কান্ট্রি কোড শীর্ষ স্তরের ডোমেইন (সিসিটিএলডি)। এটি ইন্টারনেট বিশ্বে বাংলাদেশের ঠিকানা। বিটিসিএল হ’ল এমওপিটিটিটির পক্ষে সিসিটিএলডি উভয়ের রেজিস্ট্রেশন অথরিটি। বিশ্ব জুড়ে যে কোনও ব্যক্তি, সংস্থা একটি .bd ডোমেইন নিবন্ধন করতে পারে । ডট বিডি (.bd) ডোমেইন হচ্ছে ccTLD অর্থাৎ Country Code Top Level Domain যা সাধারনত বিটিসিএল (বাংলাদেশ টেলিকমিনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড) ডোমেইন বিক্রি এবং নিয়ন্ত্রন করে থাকে। আর .com.bd (সাধারন কাজ বা ব্যবসার জন্য) এক্সটেনশন হচ্ছে এই ডোমেইন তালিকায় সবচেয়ে জনপ্রিয় । এছাড়া .gov.bd (গভর্নমেন্টাল-রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এর জন্য) .net.bd (নেটওয়ার্কিং সাইটের জন্য ) .info.bd (ইনফরমেশন সাইটের জন্য ) .org.bd(অরগানাইজেশনের এর জন্য) .edu.bd (এডুকেশনাল-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর জন্য) .ac.bd (বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এর জন্য) এক্সটেনশন সহ আরও বিভিন্ন ধরনের ডোমেইন এক্সটেনশন রয়েছে । ডট বিডি ( .bd ) ডোমেইন কিভাবে কিনবেন: আপনি বিটিসিএল (বাংলাদেশ টেলিকমিনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড) ওয়েবসাইট – http://bdia.btcl.com.bd/domain/search থেকে কিনতে পারবেন । প্রয়োজনে তাদের দেওয়া কল সেন্টার নম্বারে কল করেও সাহায্য নিতে পারবেন। পাশাপাশি আপনি স্ব শরীরে বিটিসিএলের নিজস্ব কার্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে আপনার পছন্দের নামে ডট বাংলা (.বাংলা) ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। ডোমেইনের ফি: ০১ এপ্রিল, ২০১৮ থেকে বিটিসিএলের রেট অনুযায়ী ডট বিডি (.bd) ডোমেইনের ফি নতুন ভাবে কার্যকর করা হয়েছে। নিচে তা দেওয়া হলো নতুন রেজিস্ট্রেশন: ৳ ৮০০ প্রতি বছরবার্ষিক নবায়ন ফি: ৳ ৮০০ প্রতি বছরমালিকানা পরিবর্তন ফি: ৳ ১৫০০মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নবায়নের জন্য জরিমানা: ৳ ১০০০ডোমেইনের ফি পরিশোধ করবেন। আপনি যদি অফলাইন বা অনলাইনে, ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করে থাকেন। তাহলে যে কোন টেলিটক সংযোগ থেকে আপনি সহজেই ডোমেইন ফি প্রদান করতে পারবেন। এছাড়া ডাচ বাংলা ব্যাংকের রকেট সহ তাদের দেওয়া নির্ধারিত ব্যাংকের শাখা অফিসে গিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে পেমেন্টের মাধ্যমে ডোমেইন ফি দেয়া যাবে।

Continue Readingডট বিডি ডোমেইন সিস্টেম

AI অথবা ML-এ পাইথন এর জনপ্রিয়তার কারণ

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন আপনারা। আজ চলে এলাম নতুন এক বিষয় নিয়ে। আশা করি "বিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট" সিরিজের মাধ্যমে আপনার বুঝতে পেরেছেন Artificial Intelligence এর গুরুত্ব। তাই আজ আলোচনা করব কিভাবে এ বিষয়ে প্রোগ্রামিং করে। প্রথমে আমাদের বুঝতে হবে কেন প্রত্যেকে তাদের দৈনন্দিন জীবনে Artificial Intelligence (AI) and Machine Learning (ML) ব্যবহার করে। কারণ, এটি তাদের দৈনন্দিন জীবনে আরও জটিল সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে এবং এটি ভবিষ্যৎ।আজকালকার জীবনে AI এর প্রযোজনীতা কোন Science fiction এর চাইতেও বেশি। আপনি আপনার চারপাশে এমন AI হাজার হাজার দেখতে পাবেন। আপনার মোবাইলের Face recognised লক সিস্টেম, Social Media, যখন কাউকে মেসেজ করেন, গুগল সার্চ, Digital ভয়েস এসিস্ট্যান্ট, Smart home device থেকে শুরু করে ব্যাংকিং-ব্যবস্থায় ও এই AI ব্যাবহৃত হচ্ছে।তাহলে বুঝতেই পারছেন কেন এই AI এত গুরুত্বপূর্ণ। Top five benefits of AI পাইথন একটি ইন্টারপ্রেটেড ল্যাঙ্গুয়েজ (Interpreted language)। প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজগুলো সাধারনত দুই ধরনের হয়ে থাকে। কম্পাইলড ল্যাঙ্গুয়েজ (Compiled language) এবং ইন্টারপ্রেটেড ল্যাঙ্গুয়েজ(Interpreted language)। Python Book কম্পাইলড ল্যাঙ্গুয়েজে পুরো সোর্স কোড কম্পাইল করা শেষে তারপর এক্সিকিউট হয়(যেমনঃ সি) এবং ইন্টারপ্রেটেড ল্যাঙ্গুয়েজ একটি একটি করে লাইন এক্সিকিউট হয়(যেমনঃ পাইথন)।এটি frontend language হিসাবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।এজন্যই এটি Artificial Intelligence (AI)এ ব্যবহৃত হয়। AI এর পরিবর্তে এটি machine learning, soft computing, NLP প্রোগ্রামিংয়ে এবং ওয়েব স্ক্রিপ্টিং বা Ethical hacking হিসাবে ব্যবহৃত হয়। Popularity of Python আমাদের আজকে জানার বিষয় হল Artificial intelligence এর ক্ষেত্রে কেন Python প্রোগ্রামিং জনপ্রিয় ও বেশি ব্যাবহৃত হয়? চলুন তাহলে কয়েকটি কারণ দেখে নেয়া যাক। ১/ বিশাল Library.২/ Flexibility৩/ Matlab এর সাথে Python এর সিনট্যাক্স এর মিল।৪/ Readability. এছাড়াও আরো অনেক কারন রয়েছে। আমার কাছে এসব কারনকেই সবচেয়ে বশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়। লাইব্রেরিগুলো থাকার ফলে একজন নতুন রিসার্চার/প্রোগ্রামার খুব সহজেই মেশিন লার্নিং টেকনিক শিখে…

Continue ReadingAI অথবা ML-এ পাইথন এর জনপ্রিয়তার কারণ

সি প্রোগ্রামিং এবং তার বেসিক কিছু তথ্য

সি প্রোগ্রামিং কি? সি হচ্ছে একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, কম্পিউটার সাধারনত দুটি সংখ্যা বুঝে একটা হলো 0 এবং অপরটা হলো ১ ।অন্যান্য বিদ্যুৎ চালীত যন্ত্রের মতন কম্পিউটারও শুধুমাত্র বিদ্যুৎ আছে অথবা নাই, এই দুইটা অবস্থা বুঝতে পারে । প্রাথমিক দিকে যখন প্রোগ্রামিং করা হতো তখন এই দুইটি সংখ্যা দিয়েই মূলত প্রোগ্রাম বানানো হতো ।আর এ ধরনের প্রোগ্রামের ভাষা কে Assembly Language বলা হয় । কিন্তু, এই পদ্ধতিটা অনেক বেশী জটিল হওয়ায় পরবর্তিতে বিভিন্ন High Level Language এর উদ্ভাবন ঘটে । সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্মকথা: ডেনিশ রিচি সি ল্যাঙ্গুয়েজ এর সূচনা করেন । তখন এটি মূলত ইউনিক্স কে টার্গেট করে ডিজাইন করা হয়েছিল এবং প্রায় ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত এর ব্যবহার বেল ল্যাবরেটরি এর মধ্যেই সীমিত ছিল। ১৯৭৮ সালে কারনিহান (Kernighan) এবং রিচি (Ritchie) “The C Programming Language” নামে সি ল্যাঙ্গুয়েজ এর বিস্তারিত বিবরন দিয়ে একটা প্রকাশনা বের করেন, যা “K & R C” নামেও পরিচিত । প্রাথমিক অবস্থায় সি বানানো হয়ে ছিলো অপারেটিং সিস্টেম UNIX এর জন্য । পরবর্তিতে এটি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয় । নোট: জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম লিন্যাক্স সি দিয়ে বানানো । সি প্রোগ্রাম করতে কি কি প্রয়োজন ? মূলত দুই দরনের টুলস্ কিনবা সফটওয়্যারের প্রয়োজন আছে : ১) প্রোগ্রাম লেখার জন্য সফটওয়্যার ২) লিখিত প্রোগ্রাম চালানোর উপযোগী করার জন্য সফটওয়্যার তবে স্ট্যান্ডার্ড IDE তে ই এর সব কিছু পাওয়া যাবে ।তাই এই একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করলেই চলবে । ক) প্রোগ্রাম লেখার জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যারঃ সি তে প্রোগ্রাম লেখার জন্য বিশেষ কোন সফটওয়্যার এর দরকার নাই। যে কোন এডিটর সফটওয়্যার (যেমন- নোটপ্যাড, নোটপ্যাড++, জিইডিট) ব্যবহার করেই কোডিং করা সম্ভব । তবে কোডিং সহজে করার জন্য আমরা আইডিই (IDE) বা Integrated Development Environment নামে পরিচিত। জনপ্রিয় কিছু IDE হলো: · কোডব্লোকস, ·…

Continue Readingসি প্রোগ্রামিং এবং তার বেসিক কিছু তথ্য

বিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-9)

হ্যালো বন্ধুরা,দেখতে দেখতে আমরা আমাদের এ সিরিজের শেষ পর্বে এসে গেলাম। আজ আমাদের এ সিরিজের শেষ পর্ব। আজ আমরা যে রোবটটি নিয়ে জানবো তা হল HANDEL. Robotics শিল্পের অন্যতম Giant কোম্পানির নামগুলো যদি বলা হয় তাদের মধ্যে Boston Dynamics এর নাম শীর্ষ থাকবে।তাদের রোবটগুলো অন্য সব কোম্পানির তুলনায় অালাদা। Boston dynamics এর বিস্তারিত আমরা আমাদের ২য় পর্বে(Link:https://roboadda.com.bd/wp-admin/post.php?post=591&action=edit) দেখেছিলাম। তাই আজ আর সেদিকে গেলাম না। অন্যান্য রোবট কোম্পানিরা যেখানে ২পা,৪পা বিশিষ্ট Industrial রোবট তৈরী করতে ব্যাস্ত, সেখানে 2019 সালে Boston Dynamics চাকা বিশিষ্ট Industrial রোবট তৈরী করে রোবট পাড়ায় রিতীমত হৈচৈ তৈরী করেছিল। Handle “It's also got a mode where it can squat down and you can manually wheel it around,”:মার্ক রইবার্ট বোস্টন ডায়নামিক্স হ্যান্ডেলের 1st versionটি 2017 এর প্রথম দিকে introduced করেছিল, এটি একটি R&D রোবট হিসাবে বর্ণনা করে। সেই Desing পায়ের পরিবর্তে দুটি চাকা বৈশিষ্ট্যযুক্ত। এপ্রিল 2019 এ, Boston Dynamics হ্যান্ডেলের একটি নতুন সংস্করণ উন্মোচন করেছে।নতুন রোবটটি লজিস্টিক অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য একটি মোবাইল ম্যানিপুলেশন প্ল্যাটফর্ম হিসাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এবং এটি একটি ছোট পায়ের ছাপ দখল করার সময় ভারী বোঝা বাছাই করতে পারে। Warehouse এ থাকা মালামালকে এ রোবটটি Assamble এবং Disassembled করে।এ কাজটি সে করে Autonomous ভাবে। হ্যান্ডেল যতটা উপলব্ধি বিবেচনা করা যায় তত সহজ। Handle Picking up Box Boston Dynamics's মতে, “Handle autonomously performs mixed SKU pallet building and depalletizing after initialization and localizing against the pallets. The on-board vision system on Handle tracks the marked pallets for navigation and finds individual boxes for grasping and placing.” Handle V.2 চলুন দেখি কিভাবে এর ভেতরকার সব ব্যাপার কাজ করেঃ বাক্সগুলি সনাক্ত এবং সনাক্ত করতে ডিপ-লার্নিং ভিশন সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে হ্যান্ডেল। এটি একটি pushbutton দ্বারা unload করে trucks, palletizes, and depalletizes.…

Continue Readingবিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-9)

বিজি লাইফকে ইজি করতে গুগল (পর্ব ১)

গুগল ড্রাইভ: ডিজিটাল দুনিয়ার আশীর্বাদ গুগল ড্রাইভ অনেকটা আশীর্বাদের মত মনে হয় আমার কাছে। ফাইল স্টোরেজ, ডাটা ব্যাকআপ, শেয়ারিং এর মত নিত্য প্রয়োজনীয় কাজগুলো খুব সহজ করে দিয়েছে গুগল ড্রাইভ। আর এর সাথে গুগল ডক, গুগল ফটোজ ইত্যাদি সংযুক্ত করে ব্যাপারটা আরো সহজ করেছে। ১. অনলাইন স্টোরেজ: গুগল একাউন্ট খুললেই আপনি পাবেন ১৫ জিবি ফ্রি অনলাইন স্টোরেজ। এখানে যেকোনো ফাইল (ছবি, ভিডিও, ডকস, শীট, পিডিএফ ইত্যাদি) স্টোর করতে পারবেন। লিংক শেয়ার করতে পারবেন যেকারো সাথে। ২. শেয়ারিং: ধরুন আপনি কাউকে একটা ফাইল পাঠাবেন, স্বাভাবিকভাবে আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাঠাই। কিন্তু সেখানে ফাইলটি কম্প্রেস করে সাইজ কমানো হয়। তাই কোয়ালিটি কমে যায়। যদি মেইলে পাঠাতে চান সেক্ষেত্রে ২৫ মেগাবাইট এর বেশি ফাইল সাইজ হলে পাঠাতে পারবেন না। তাহলে উপায়? খুবই সহজ, ড্রাইভে আপলোড করে লিংক শেয়ার করুন।  ৩. শেয়ারড ফোল্ডার: এছাড়া ড্রাইভে কোনো ফোল্ডার শেয়ার করতে পারেন। কোনো ফোল্ডার টিমের সাথে শেয়ার করে সেখানে সবাই নিজের ড্রাইভ থেকে ফাইল আপলোড, ডাউনলোড করতে পারেন। এছাড়া গুগল ড্রাইভ কে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। এখানে কোনো ফাইল রেখে সেটার ডাউনলোড লিংক ব্যাবহার করতে পারেন আপনার সুবিধামত কাজে। গুগল ডকসের হিডেন সিক্রেট গুগল ডক- এই নামটি সবার পরিচিত হলেও এর অনেক কাজই আমাদের অজানা। গুগলের অনেকগুলো সেবার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গুগল ডক। বর্তমানে এই সেবাটিকে গুগলের অনলাইন স্টোরেজ সুবিধা গুগল ড্রাইভের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ১. টেমপ্লেট গ্যালারি: গুগল ডকের আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে টেমপ্লেট গ্যালারি। এই টেমপ্লেট গ্যালারিতে দারুণ দারুণ সব টেমপ্লেট রয়েছে। এখান থেকে সহজেই প্রয়োজন অনুযায়ী বাছাই করা যায় পছন্দের টেমপ্লেটটি। বিভিন্ন টেমপ্লেট ব্যবহার করে আপনি সহজেই বানিয়ে ফেলতে পারেন যেকোন সার্টিফিকেট, প্রজেক্ট অথবা চমৎকার একটি সিভি। ২. অফলাইন এডিটিং: গুগল ডকে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই যে কোন ডকুমেন্ট ক্রিয়েট, এডিট এবং ভিউ করা…

Continue Readingবিজি লাইফকে ইজি করতে গুগল (পর্ব ১)

কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় কিছু শটকার্ট কী

কম্পিউটার কীবোর্ডে সবথেকে দ্রুততম ওয়েতে কাজ করার উপায় হলো শর্টকাট কী জানা। যারা কম্পিউটারে বেশিরভাগই কাজ করেন তাদের প্রত্যেকেরই Computer Keyboard Shortcut key জানা উচিত।আসুন জেনে নিই বহুল ব্যবহৃত ৫৮টি শর্টকাট কী। Keyboard Shorcuts (Microsoft Windows) CTRL+C (Copy)CTRL+X (Cut)CTRL+V (Paste)CTRL+Z (Undo)DELETE (Delete)SHIFT+DELETE (Delete the selected item permanently without placing the item in the Recycle Bin)CTRL while dragging an item (Copy the selected item)CTRL+SHIFT while dragging an item (Create a shortcut to the selected item)F2 key (Rename the selected item)CTRL+RIGHT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next word)CTRL+LEFT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous word)CTRL+DOWN ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next paragraph)CTRL+UP ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous paragraph)CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (Highlight a block of text)SHIFT with any of the arrow keys (Select more than one item in a window or on the desktop, or select text in a document)CTRL+A (Select all)F3 key (Search for a file or a folder)ALT+ENTER (View the properties for the selected item)ALT+F4 (Close the active item, or quit the active program)ALT+ENTER (Display the properties of the selected object)ALT+SPACEBAR (Open the shortcut menu for the active window)CTRL+F4 (Close the active document in programs that enable you to have multiple documents opensimultaneou sly)ALT+TAB (Switch between the open items)ALT+ESC (Cycle through items in the order that they had been opened)F6 key (Cycle through the screen elements in a window or on the desktop)F4 key (Display the Address bar list in My Computer or Windows Explorer)SHIFT+F10 (Display the shortcut menu for the selected item)ALT+SPACEBAR (Display the System menu…

Continue Readingকম্পিউটারের প্রয়োজনীয় কিছু শটকার্ট কী

বিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-8)

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন? দেখতে দেখতে সিরিজের প্রায় শেষের দিকে এসে পড়েছি। আজ আমরা জানব ইরানি একটি রোবট নিয়ে। আপনি যদি মনে করে থাকেন বিশ্বমানের রোবটগুলো শুধু Europe, America, Japan, Korea তে তৈরী হয় তাহলে আপনার সে ধারনা ভেঙে দিতে এ পর্বই যথেষ্ট। University of Tehran 2008 সালে তাদের প্রথম রোবট SURENA প্রকাশ করে। তার পর থেকে এ সিরিজ নিয়ে চলে গবেষনা ও ধাপে ধাপে প্রকাশ করে নতুন নতুন Version. সর্বশেষ ২০১৯সালের ১৪ই ডিসেম্বরে তারা SURENA IV সকলের জন্য উন্মোচন করে। SURENA নামকরন করা হয়েছে তাদের দেশের জেনারেল এর নামানুসারে। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ডঃ অগিল ইউসফি-কোমার তত্ত্বাবধানে 50 টিরও বেশি গবেষক CAST (Center of Advanced Systems and Technologies) -তে রোবটটি তৈরি করেছেন। SURENA project টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জন্যরাষ্ট্রপতি ডেপুটি দ্বারা অর্থায়ন করা হয় এবং পূর্ববর্তী সংস্করণগুলির তুলনায় আরও উন্নত একটি উপযুক্ত গবেষণা প্ল্যাটফর্ম ডিজাইনের লক্ষ্য নিয়ে শান্তি ও মানবতার দিকনির্দেশে প্রযুক্তি অগ্রগতির প্রতীক হিসাবে বিবেচিত হয়। The Institute of Electrical and ElectronicsEngineers (IEEE) SURENA IV রোবটকে তার পারফরম্যান্স বিশ্লেষণের পরে বিশ্বের পাঁচটি বিশিষ্ট রোবটের মধ্যে স্থান দিয়েছে। SURENA IV while griping ball নতুন প্রজন্মের মধ্যে, FPGA boardকে কাজে লাগিয়ে control loop frequencyটি 200 হার্জে উন্নীত করা হয়েছে, যা এটিকে অনলাইন কন্ট্রোলার এবং অনুমানকারীকে বাস্তবায়িত করা সম্ভব করে তোলে। এর দ্বারা রোবট অপারেশন সিস্টেমের মাধ্যমে (ROS),state monitoring, real time implementation of algorithms এবং একাধিক প্রোগ্রাম একযোগে চলমান সোজা হয়ে উঠেছে। রোবোটটিতে face detection and counting, object detection and position measurement, activity detection, speech recognition (speech to text) andspeech generation (text to speech) এর দক্ষতা রয়েছে যার ফলে আরও ভাল ভয়েস ব্যবহারকারী ইন্টারফেস অর্জন করা যায়। Artificial Intelligenceর ক্ষমতা এবং পুরো শরীরের motion planning সংমিশ্রণের মাধ্যমে Online grip, face…

Continue Readingবিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-8)

কম্পিউটার এবং তার ফাইল সিস্টেম

আপনি হার্ডডিস্ক কিনে এনে ইউজ করতে গিয়ে দেখেন কয়েক গিগা একেবারেই উধাও।কি ব্যাপার!!!কি হলো!!!কয়েক গিগা জায়গা কোথায় হারিয়ে গেল!!! আসুন জেনে নেওয়া যাক। ১৯৮০ সালের দিকে Microsoft(শীর্ষ os নির্মাতা) এবং IBM এ দুটি প্রতিষ্ঠান যৌথ পরিচালনায় একটি শক্তিশালী গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিষ্টেম নির্মানের উদ্যোগ নেয়,যার ফলশ্রুতিতে তারা তৈরি করে OS/2 অপারেটিং সিষ্টেম।এতে যে ফাইল সিষ্টেম ব্যবহৃত হয় তার নাম HPFS ।কিন্তু পরবর্তীতে মত ও নীতির ভিন্নতার জন্য এ প্রতিষ্ঠান দুটি তাদের এই সম্মিলিত চুক্তি বাতিল করতে বাধ্য হয়।ফলে OS/2, IBM এর একক মালিকানায় থাকে।এদিকে Microsoft ও আরেকটি নতুন অপারেটিং সিষ্টেম তৈরির চিন্তা করে এবং এর ফলে তারা তৈরি করে অপারেটিং সিষ্টেম Windows NT ।এতে যে ফাইল সিষ্টেম ব্যবহার করা হয় তার নাম NTFS যার গঠন ও কার্যপ্রণালী প্রায় HPFS এর মতই।আর এখান থেকেই শুরু হয় NTFS ফাইল সিষ্টেমের প্রচলন। ফাইল সিষ্টেম কিঃ ফাইল সিষ্টেম হচ্ছে কম্পিউটারে বিভিন্ন ফাইল তথা ডাটা যেকোনো স্টোরেজ ডিভাইস যেমন,হার্ডডিস্ক বা পেনড্রাইভে জমা এবং একটি নির্দিষ্ট উপায়ে সুবিন্যস্ত রাখার পদ্ধতি।সব অপারেটিং সিষ্টেম সব ফাইল সিষ্টেম সাপোর্ট করে না।একারণে এখন পর্যন্ত তৈরি করা ফাইল সিষ্টেমের সংখ্যাও অগনিত।তবে এর মধ্যে সর্বাধিক প্রচলিত ফাইল সিষ্টেমগুলো হল-FAT: File Allocation Table .এটি মূলত DOS মোডের ফাইল সিষ্টেম।যত বহুল প্রচলিত ফাইল সিষ্টেম আছে,তার মধ্যে এটিই দ্রুতগতির কার্যক্ষমতাবিশিষ্ট।তবে এর বড় অসুবিধা হচ্ছে,এই সিষ্টেমে ৪গিগা এর চেয়ে বড় ফাইল সেভ করা যায় না।অর্থাত,যে সকল ড্রাইভের ফাইল সিষ্টেম FAT,সেগুলোতে ৪গিগার চেয়ে বড় সাইজের ফাইল সেভ করা যায় না।এর বিভিন্ন ভাগ আছে,FAT16,FAT32.এরা যথাক্রমে ১৬বিট এবং ৩২ বিট অপারেটিং সিষ্টেমে চলে।আর একটি বড় সমস্যা হল,এর নিরাপত্তা।যে সকল ড্রাইভ এই ফাইল সিষ্টেমে চলে সেগুলোতে ফাইলের নিরাপত্তা বিধান করা যায় না।যে কেউই এই ফাইলগুলোতে Access করতে পারবে।HPFS: High Performance File System.এটি মূলত OS/2 অপারেটিং সিষ্টেম সাপোর্ট করে। NTFS: New Technology File…

Continue Readingকম্পিউটার এবং তার ফাইল সিস্টেম

বিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-7)

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা করছি সবাই ভালই আছে আমাদের এই সিরিজের কোন কোন পর্বে আমরা রোবটের দৌড়াতে দেখেছি, কোন কোন পর্বে আকাশে উঠতে ও দেখেছি। তাহলে পানিতে ডুব দেওয়া বাকি থাকবে কেন? তো চলুন আজকে এর রোবটের মাধ্যমে আমরা পানি থেকে ঘুরে আসি। AQUANAUT in Teat Lab "AQUANAUT-The Transformer Under the sea" নামের এই রোবটটি ২০১৯ সালে তৈরী করে Huston Mechatronics Inc. নামক একটি আমেরিকান কোম্পানি। এ কোম্পানি মূলত Cloud based ecosystem এর Subsea রোবট তৈরী করে যা পানির নিচে বিভিন্ন কাজ করে থাকে। Aquanaut ছাড়াও আরো ২ধরনের রোবট (Commander, Olympic arm) তৈরী করেছে এ কোম্পানি। Aquanaut হল একটি Transformer যা পানির নিচে গিয়ে কাজ করে। সাধারন অবস্থায় দেখতে এ রোবটটিকে Submarine বলে ভাবলেও কেউ ভুল করবে না। কিন্তু এটিি আসলে মূলত একটি Transforming Vehicle যা পানির নিচে Worksite এ গিয়ে তার হাত মেলে রোবটে পরিনত হয়। হাত মেলে ধরার পর সে তার নির্দিষ্ট কাজ করতে যাকে যেই কাজ নিয়ন্ত্রিত হয় কোন এক কম্পিউটার থেকে তাকে Command দেয়া হলে। অর্থাৎ Aquanaut কে নিয়ন্ত্রণ করা হয় জলের উপর থেকে। Traditional ROV নিয়মেই সে কাজ করে থাকে। ROV কি তা বিশাল এক আলোচনা। তা অন্য কোন পর্বে করা যাবে। আজ না হয় Aquanaut কে নিয়েই জানতে থাকি। এ রোবটি বানানোর পিছনে মূলত কিছু কমার্শিয়াল ব্যাপার জড়িয়ে ছিল। যখন HMI company দেখলো বিশ্বের নানান যায়গায় পানির নিচের তেল উত্তোলন, খনিজ পদার্থ সন্ধান, গবেষনার কাজে সেই পুরনো ROV নিয়ম চলে আসছে তখন তারা চিন্তা করলো কেননা এই শিল্পে Intelligence এর ব্যবহার করা হচ্ছে না। আর এতে করে Gulf দেশগুলো থেকে প্রচুর অর্থও উপার্জন করা যাবে। সেই চিন্তা থেকেই জন্ম নিল Aquanaut এর।আর এসব চিন্তা কাদের মাথায় আসে জানেন? নাসার মত প্রতিষ্টানে কাজ…

Continue Readingবিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-7)

গুগল ক্রোম ডাইনোসর গেম হ্যাকস

আমরা প্রায় সবাই কমবেশি পিসিতে গুগল ক্রোম ব্যাবহার করি। ইন্টারনেট না থাকলে ক্রোমে ডাইনোসর গেম খেলা যায় সবাই জানো নিশ্চয়ই। ডাইনোসরের চলার পথে বিভিন্ন বাঁধা থাকে যেগুলো লাফিয়ে পার হতে হয়। আর সামনে থাকা অবস্ট্রাকলে টাচ করলেই গেম ওভার হয়ে যায়। আজ আমরা এই গেম নিয়ে কিছু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার দেখবো। প্রথমত বলে নেই, এই গেমটি যে শুধু ইন্টারনেট না থাকলেই খেলা যাবে এমন না। যেকোন সময় গুগল ক্রোম ব্রাউজার থেকে এই লিংকে গেলে গেমটি খেলতে পারবে। প্রথমেই আমরা দেখবো কিভাবে গেম ওভার না করে আজীবন গেমটি খেলা যায়। এটার জন্য গুগলের প্রোগ্রামের মধ্যে নিজেদের কিছু কমান্ড ঢুকিয়ে দিতে হবে। মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে Inspect নামে একটা অপশন পাবে। সেখানে ক্লিক করলে এই ওয়েবপেজের কিছু কোড দেখতে পাবে। নিচে থাকা 'Console' ট্যাবে ক্লিক করে কিছু কমান্ড দিলেই ডাইনোসর গেম চলবে তোমার কথা মত।  ট্যাবে আমরা লিখবো "Runner.instance_.gameOver = () => { }" । গুগলের কোড অনুযায়ী সামনে কোনো বাঁধা স্পর্শ করলে গেম ওভার হয়ে যাওয়ার কথা। এই কোড লিখে বলে দিলাম গুগলের কোড বাদ রেখে আমাদের কথা শুনো। আর gameOver ফাংশনটি এভাবে রাখার অর্থ কোনো বাঁধা স্পর্শ করলেও গেম ওভার হবে না। জাভাস্ক্রিপ্ট নিয়ে কাজ করলে এসব নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবে। এখন যদি প্রেস করে গেমটি খেলো তাহলে আর গেম ওভার হবে না। সারাজীবন দৌড়াতে থাকবে ডাইনোসর। বাট স্পিডটা একটু কম মনে হচ্ছে না? আমাকে যেহেতু খেলায় না লাগে তাহলে স্পিড বেশি না হলে মজা কি? এবার চলো দৌড়ের স্পিড বাড়ানো যাক। আগের মতই রাইট বাটন ক্লিক করে 'Console' ট্যাব ওপেন করি। এবার লিখি "Runner.instance_.setSpeed(6000)"। অর্থাৎ এবার স্পিডে আমার মত করে ৬০০০ সেট করলাম। এই স্পিডের ভ্যালু তুমি তোমার ইচ্ছামত সেট করতে পারো। এবার প্রেস করলে ডাইনোসর খুব দ্রুত দৌড়াবে, তোমার…

Continue Readingগুগল ক্রোম ডাইনোসর গেম হ্যাকস

BOLT-The Fastest Camera Robot

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন? আশা করছি ভালোই আছেন। আমাদের সবারই কম বেশি ছবি তোলার শখ থাকে। সাথে সাথে কারো থাকে ভিডিওগ্রাফি কিংবা সিনেমাটোগ্রাফির শখ। তাই যারা যারা সিনেমাটোগ্রাফি বা ভিডিওগ্রাফি পছন্দ করেন তারা নিশ্চয়ই আজকের এ ব্লগটি পছন্দ করবেন। চলুন তাহলে আজকের রোবটটি নিয়ে জেনে নিই। বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন ক্যামেরা রোবট বলেছে এর নির্মাতা Mark Robert Motion Control. ১৯৬৬ সালে Australian এক Engineer প্রতিষ্টা করে এ কোম্পানি। যদিওবা বর্তমানে এ কোম্পানি Nikon এর মালিকানাধীন। ২০১৭ সালের শেষের দিকে Nikon কিনে নেয় এ কোম্পানিটি। Bolt, Bolt X, Bolt Jr এ ৩ Version এ রয়েছে এ ক্যামেরা রোবট। আজ আমরা জানব BOLT সম্পর্কে।Mark Roberts Motion Control (MRMC) কোম্পানির তৈরী করা এ রোবটি মূলত বেসিক দিক দিয়ে দেখতে গেলে একটি Robotic Arm. যে Arm এর উপর ক্যামেরা বসিয়ে খুব নিঁখুতভাবে Slow-mo, Micro ছবি তোলা যায় বা ভিডিও করা যায়। অন্যান্য প্রফেশনাল ক্যামেরার মত এই রোবট ক্যামেরাতে সাধারন মানের Frame rate যুক্ত কোন ক্যামেরা ব্যবহার করা হয় না।Sony FS7, Red Dragon এইসব ক্যামেরায় মূলত 300 rate frame এ ছবি তোলা হয়। কিন্তু Bolt এর Phantom flex4k এর frame rate হল 1000। আর যত বেশি Frame rate তত বেশি motion. সুতরাং বুঝতেই পারছেন। এবার একটু লক্ষ্য দেয়া যাক গতির উপর। গতি যে কি ধরনের হবে তা এই রোবটের নাম দেখেই বুঝতে পারছেন আশা করি। ছোট্ট করে একটা অংক করি, চলুন।আপনার গতি যদি ৫মিটার/সেকেন্ড হয় সেই পরিমান গতিকে ধরতে পারবে Bolt. এবার এরো একধাপ এগিয়ে আরেটু জটিল করি ব্যাপারটাকে। ধরুন সেই গতিতেই আপনি কিছু সময় ডান বাম সরে সরে যাচ্ছেন আর সেই সরে যাওয়া যদি ৩ থেকে ৩.৫ মিটারও হয় তবুও Bolt আপনার পিছু ছাড়বে না। আসুন গতি এক্কেবারে কমিয়ে দিই। থেমে যাই। একদম। হ্যাঁ গতি…

Continue ReadingBOLT-The Fastest Camera Robot

ল্যাপটপের ব্যাটারি সাইকেল কিভাবে দেখবেন?

ল্যাপটপে চার্জ না থাকাটা ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের একটি সাধারণ সমস্যা। নতুন ল্যাপটপ কেনার কয়েক মাসের মধ্যে আর আগের মতো চার্জ থাকে না। দেখা যায় যত বেশী ল্যাপটপ ব্যবহার করা হয়, ব্যাটারির পারফরমেন্সও আস্তে আস্তে ততো কমতে থাকে। ব্যাটারি সাইকেলের মাধ্যমে আমরা জানতে পারবো কি পরিমাণ ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাটারি সাইকেল কি? ব্যাটারির চার্জ একবার ১০০% থেকে ০% এ নেমে আসলে এক ব্যাটারী সাইকেল সম্পন্ন হয়। কিন্তু এমনটা বেশীরভাগ সময় হয় না। উদাহরণস্বরুপঃ যদি ব্যাটারির চার্জ ১০০% থেকে ৫০% এ নেমে আসে এবং চার্জে লাগিয়ে আবার ১০০% এ আনা হয়। তারপর আবার যখন চার্জ ৫০% এ নেমে আসবে তখনও এক ব্যাটারি সাইকেল পূরণ হবে। ব্যাটারি কতটা ভালো আছে সেটা ব্যাটারি সাইকেল থেকে বোঝা যায়। ধাপসমুহঃ ল্যাপটপ স্টার্ট করতে হবে।Command Prompt ওপেন করার জন্য স্টার্ট বাটনে রাইট ক্লিক ( অথবা Win + X ) করতে হবে এবং Command Prompt বা Windows PowerShell সিলেক্ট করতে হবে।Command Prompt বা Windows PowerShell এ " powercfg /battery report " কমান্ডটি লিখতে হবে।এরপর " C:\Users\[USERNAME]\battery report.html " এই পাথটি অনুসরণ করে battery-report.html এ ডাবল ক্লিক করলে ডিফল্ট ব্রাউজারে রিপোর্ট ওপেন হবে। এখানে Installed batteries সেকশনে Design Capacity দ্বারা অরিজিনাল চার্জ ম্যাক্সিমাম বোঝায় ( যেটা ফ্যাক্টরি মেইড অবস্থায় থাকে )। আর Full Charge Capacity বলতে বোঝায় ল্যাপটপটি এখন কতো চার্জ ধরে রাখতে পারে। Cycle Count দ্বারা বোঝায় ব্যাটারিটি কতোবার চার্জ দেওয়া হয়েছে। বি.দ্রঃ এই পদ্ধতি শুধু Windows 10 এর জন্য প্রয়োগ করা যাবে।

Continue Readingল্যাপটপের ব্যাটারি সাইকেল কিভাবে দেখবেন?

গুগলের প্রতিদ্বন্দ্বী কিছু সার্চ ইঞ্জিন

গুগলের তৈরি সবকিছু শক্তিশালী বিল্ট-ইন নিরাপত্তা প্রযুক্তির দ্বারা সুরক্ষিত থাকে যা স্প্যাম, ম্যালওয়্যার, ভাইরাস ইত্যাদির ঝুঁকি শনাক্ত ও ব্লক করার মাধ্যমে আপনার কাছে সেগুলি পৌঁছাতে বাধা দেয়। গুগল এই নিরাপত্তা প্রযুক্তি তাদের পার্টনারদের সাথে শেয়ার করে ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ডের উন্নতি এবং অনলাইনে সকলকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।কিন্তু এরপরও অনেকসময় অনেকে গুগলে সিকিউর ফিল করে না,অনেকে নতুন কিছুর ফিচার/ছোঁয়া পেতে চায়।তাদের জন্য আছে গুগলের চির প্রতিদ্বন্দ্বী কিছু সার্চ ইঞ্জিন। তবে এই সার্চ ইঞ্জিনের ইউজার কিন্তু নিত্যন্তই কম নয় বরং দিনদিন তাদের পপুলারিটি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গুগল সার্চের প্রতিদ্বন্দ্বী : ১. বিং২. বাইডু৩. ডাকডাকগো ৪.গিফি ৫. ইয়ানডেক্স৬. ইয়াহু ৭. ask.com ৮.AOL ৯.excite বিং সার্চ ইঞ্জিন : বিং মাইক্রোসফট এর একটি অংশ।সার্চের ফলাফলে আরও বেশী নিদির্ষ্ট এবং গ্রহনযোগ্য উত্তরের জন্য বিং অনন্য। মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল সার্চ ইঞ্জিন বিং প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৯ সালে ।নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুগলের সাথে বেশি আলাদা নয় বিং। আপনি যদি শুধু মাত্র গুগল সার্চের কোন বিকল্প চান বা নিরাপত্তা জনিত কোন সমস্যা আপনার না থাকে। তাহলে এটি ব্যবহার করতে পারেন। বিং এর স্লোগান হচ্ছে ‘বিং এন্ড ডিসাইড’- অর্থাৎ, বিং এ সার্চ করুন এবং সিদ্ধান নিন। কেননা, মাইক্রোসফট বিং’কে ‘ডিসিশন ইঞ্জিন’ বলেও পরিচিত করেছে যা ব্যবহারকারীকে কোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করতে পারে।বাইডু সার্চ ইঞ্জিন : বাইডু একটি চীনা সার্চ ইঞ্জিন। বাইডু সার্চ ইঞ্জিন ২০০০ সালের দিকে তৈরি হয় এবং এটি বর্তমানে চীনের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।চীন ভিত্তিক জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হলো বাইডু। গুগুলকে ব্যবহার না করে চীন তাদের নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন Baidu ব্যবহার করে। এর ওয়েব সাইট ঠিকানা হলো https://www.baidu.com/ তবে চীন ছাড়া আরো কয়েকটি দেশে কম বেশী বাইডু ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বাইডু চীনের নীতিমালা অনুসারে পরিচালিত হয়ে থাকে।ডাকডাকগো সার্চ ইঞ্জিন : লক্ষ্য হচ্ছে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা বজায় রাখা। শুরু থেকেই টার্গেটেড অ্যাড এড়িয়ে…

Continue Readingগুগলের প্রতিদ্বন্দ্বী কিছু সার্চ ইঞ্জিন

হ্যাশিং অ্যালগরিদম (Hashing Algorithm)

মনে করেন আপনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল পাঠাতে চান। সেক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই নিশ্চিত থাকতে চাইবেন আপনার ফাইলটি যেন কোন রকম পরিবর্তন ছাড়াই গন্তব্য স্থানে যায়। আর এখানেই আসে হ্যাশিং অ্যাগরিদমের ব্যবহার। হ্যাশিং অ্যালগরিদম (Hashing Algorithm) কি? হ্যাশিং অ্যালগরিদম (Hashing Algorithm) হলো একটি ফাংশন যা নির্দিষ্ট ইনপুট গ্রহন করে একটা নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের আউটপুট জেনারেট করে যা হ্যাশ ভ্যালু নামে পরিচিত। এই হ্যাশ ভ্যালু ইনপুট ডাটা থেকে কম দৈর্ঘ্যের হয়। হ্যাশ ভ্যালু মুল ডাটার সামারি হিসেবে কাজ করে। একটি হ্যাশ ফাংশনকে One way function হিসেবে ডিজাইন করা হয়।ফলে হ্যাশ ভ্যালুকে কোনোভাবেই মুল ডাটাতে রুপান্তর করা যায় না। হ্যাশিং অ্যালগরিদমের ব্যবহার ফাইল শনাক্তকরণপাসওয়ার্ড স্টোরেজমেসেজ অথেনটিকেশন কোডস (MACs)নকল ফাইল নিশ্চিতকরণডিজিটাল সিগনেচারক্রিপ্টোকারেন্সি এছাড়া তথ্য প্রযুক্তিতে এর আরও ব্যপক ব্যবহার রয়েছে। হ্যাশিং অ্যালগরিদম এর বৈশিষ্ট্য যে কোন ডাটা থেকে দ্রুত হ্যাশ ভ্যালুতে পরিবর্তন করার ক্ষমতাহ্যাশ ভ্যালু থেকে কোনভাবেই মুল ডাটা পুনরুদ্ধার করা যায় নাকখনই দুটা ভিন্ন মেসেজের জন্য একই হ্যাশ ভ্যালু পাওয়া যাবে নামুল ডাটাতে একটা ক্ষুদ্র পরিবর্তনের জন্য হ্যাশ ভ্যালুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন আসবে। এটাকে avalanche effect বলে। হ্যাশিং অ্যালগরিদম ব্যবহার পদ্ধতি মনে করা যাক, আপনি আপনার বন্ধুর কাছে একটি ফাইল পাঠাবেন। ফাইলটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনি অবশ্যই নিশ্চিত হতে চাইবেন যে , যে ফাইলটি আপনি পাঠিয়েছেন সেই ফাইলটিই কোনরকম পরিবর্তন ছাড়া আপনার বন্ধুর কাছে গেছে কিনা। এক্ষেত্রে আপনার হয়তো আপনার বন্ধুকে ফোন করতে হবে এবং দুজনে একসাথে বসে মুল ফাইলটির সাথে রিসিভ করা ফাইলটি মিলিয়ে দেখতে হবে। কিন্তু তাহলে ফাইলটি সেন্ড করার কোন মানে হয় না। এখানেই আসে হ্যাশিং অ্যালগরিদমের ব্যবহার। এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে হ্যাশিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ফাইলটির একটি হ্যাশ ভ্যালু (a numeric string output of fixed length) বের করতে হবে। এরপর ফাইলটির সাথে হ্যাশ ভ্যালুটিকেও আপনার বন্ধুর কাছে পাঠাতে হবে। আপনার বন্ধু তখন ফাইলটি রিসিভ…

Continue Readingহ্যাশিং অ্যালগরিদম (Hashing Algorithm)

রহস্যময় কালো অধ্যায়-ডার্কওয়েব

সাধারণ ব্রাউজার ব্যাবহার করে আপনি অনায়াসে প্রবেশ করতে পারেন -> সার্ফেস ওয়েব; সাধারণ ব্রাউজার দিয়েই তবে সাইট কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে (রেজিস্ট্রেশন, পেমেন্ট, রেফারেল ইত্যাদি মাধ্যমে) প্রবেশ করতে পারেন -> ডিপ ওয়েব; সাধারণ ব্রাউজার এক্সেস করতে অক্ষম, স্পেশালাইজড্ ব্রাউজার দিয়ে প্রবেশ করতে হয় এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে আলাদা অপারেটিং সিস্টেম এবং/অথবা হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন হয় -> ডার্ক ওয়েব। সাধারণ ওয়েব সাইট আর ডার্ক ওয়েব সাইট এর মেইন পার্থক্য হল: *ডার্ক ওয়েব সাইট এর ডোমেইন নেম গুলো অদ্ভুত ও জটিল। যেমন – dg4xh&juc2tc.onion এরকম যদি ডোমেইন নেম হয় তাহলে আপনি ভুল করেও ঢুকতে পারবেন না, যতক্ষণ না কেউ এটি বলে দিচ্ছে। *সাধারণ সার্চ ইঞ্জিনে ডার্ক ওয়েব আসবে না। কেউ যাতে সহজে খুঁজে না পায়, এজন্য সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স করা হয় না। (তবে আপনি গুগল এ ডার্ক-ওয়েব সাইট লিস্ট লিখে অনুসন্ধান করলে অনেক ওয়েবসাইটে গিয়ে ডার্ক-ওয়েব সাইট এর তালিকা পেতে পারেন।) অবৈধ মাদকের চুক্তি, পেশাদার খুনি ভাঁড়া করা থেকে শুরু করে গোপন খবর ফাঁস করা ইত্যাদি বিভিন্ন কাজের জন্য ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করা হয়। ডার্ক ওয়েবে যেহেতু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপরাধ কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার করা হয় তাই এইসব ওয়েব সাইটে ঢোকার আগে বিশেষ নিরাপত্তা প্রয়োজন। কেননা আপনার বাসার ইন্টারনেট তো নজরদারিতে থাকতে পারে। কিংবা ওয়েবসাইটটি আপনার কম্পিউটারের তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। তাই টর্ক ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করা হয়। টর্ক ওয়েব ব্রাউজারে অনেক গুলো স্তরের ভিপিএন নেটওয়ার্ক যুক্ত থাকে।(অনেক দেশে ভিপিএন ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকতে পারে।)তাই আপনাকে ট্রাক করা প্রায় অসম্ভব। ফেব্রুয়ারি ২০১৬ এ ওয়েব নির্ভর লুকায়িত সেবাসমূহবিভাগের শতকরা হারসহিংসতা০.৩অস্ত্র০.৩সামাজিক১.২হ্যাকিং১.৪অবৈধ পর্নোগ্রাফি২.৩যোগসূত্র২.৩চরমপন্থা২.৭অজানা৩.০অন্যান্য অবৈধ৩.৮ফাইন্যান্স৬.৩মাদক৮.১অন্যান্য১৯.৬কোনটি না৪৭.৭ আমাদের জন্য টর কতটা নিরাপদ?টর নেটওয়ার্কে আপনার অনলাইন পরিচয়কে ছদ্মবেশে বিভিন্ন টর সার্ভার দিয়ে এনক্রিপশন করিয়ে তারপরে সেই ট্র্যাফিককে নির্দিষ্ট স্থানে পাঠানো হয়; ফলে আপনার পরিচয় ট্র্যাক করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। আজকের যেকোনো সাধারন ব্রাউজারে ইনকগনিটো মুড…

Continue Readingরহস্যময় কালো অধ্যায়-ডার্কওয়েব

সাইবার জগতে আত্মরক্ষা-সাইবার সিকিউরিটি

আমরা পুরোপুরি নেটওয়ার্ক বেষ্টিত একটি পরিবেশে বসবাস করি। ইন্টারনেট এক্সেস এখন সব কিছুতেই। এমনকি আমাদের স্মার্ট ডিভাইসটিও থাকে ইন্টারনেট জগতের সাথে সংযুক্ত। এখন যদি আপনার একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য উপাত্ত অন্যের হাতে পৌঁছে যায় তার মানে আপনি এমন এক সমস্যার সম্মুখীন যেখান থেকে রেহাই পাওয়া ভার।এরজন্যই প্রয়োজন পূর্ববর্তী কিছু আত্নরক্ষার কৌশল অবলম্বন করে নিজেকে কিছুটা হলেও বিপদ থেকে দূরে রাখা।চলুন জেনে নেওয়া যাক সাইবার সিকিউরিটি সম্বন্ধে। সাইবার সিকিউরিটি কি ? (What Is Cyber Security in Bangla)সাইবার সিকিউরিটি (cybersecurity) মানে হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তির (technology) মাধ্যম, প্রক্রিয়া (process) এবং চর্চার ব্যবহার করে, computer device, data, network এবং program গুলিকে cyber attack, cybercrime এবং অবৈধ ব্যবহার থেকে সুরক্ষিত করে রাখা হয়। সোজা ভাবে বললে, computer, device বা network গুলিকে cybercrime থেকে বাঁচিয়ে রাখার প্রক্রিয়াটিকেই বলা হয় সাইবার সিকিউরিটি। Cybersecurity কে computer security এবং information technology security (IT Security) বলেও বলা যেতে পারে। সাইবার সিকিউরিটির প্রক্রিয়ার ব্যবহার করে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক গুলিতে এতো করা ভাবে সুরক্ষা দিয়ে রাখা হয় যে বাইরের সাইবার অপরাধীরা সেই সিস্টেম (system) বা নেটওয়ার্কে (network) সহজে প্রবেশ করতে পারেনা। Cyber security র সেবা প্রদান করা অনেক ভালো ভালো কোম্পানি বা organization রয়েছে, যারা কিছু টাকা নিয়ে অন্যান্য কোম্পানি বা organization গুলির computer ও network গুলিকে নিরাপত্তা প্রদান করে যেকোনো ধরণের সাইবার ক্রাইম বা cyber attack থেকে। তাহলে বুঝলেনতো, "সাইবার সিকিউরিটি মানে কি''? নিজেকে সাইবার ক্রাইম থেকে কিভাবে বাঁচিয়ে রাখবেন ?সাইবার ফ্রড (cyber fraud), যেকোনো ব্যাক্তির সাথেই হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, আমার এবং আপনার মতো সাধারণ জনসাধারণের সাথে অনেক রকমের online fraud বা scamming করার চেষ্টা করা হয়। Tips to protect yourself from cybercrimeনিজের কম্পিউটার ডিভাইস এবং নেটওয়ার্ক গুলিকে সাইবার ক্রাইম থেকে সম্পূর্ণ ভাবে সুরক্ষতি করে রাখার তেমন…

Continue Readingসাইবার জগতে আত্মরক্ষা-সাইবার সিকিউরিটি

ইন্টারনেট জগতে সাইবার ক্রাইম

ইন্টারনেটে যেকোনো সময়, কোটি কোটি লোকেরা সক্রিয় থাকেন এবং তারা নিজের মোবাইল বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার কোরে বিভিন্ন website বা application ব্যবহার করেন। এই ক্ষেত্রে, এমন অনেক ব্যাক্তি রয়েছে যারা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সক্রিয় থাকা এই “online traffic” বা “online internet users” দের থেকে বিভিন্ন অবৈধ (illegal) মাধ্যমে তাদের personal information চুরি করা, ঠকানো (cheating), ঠকিয়ে টাকা আদায় এবং আরো অন্যান্য অপরাধ করেন। আর এ অপরাধই সাইবার ক্রাইম সাইবার ক্রাইমঃ সাইবার অপরাধ বা কম্পিউটার অপরাধ, এমন যেকোনো ধরণের অপরাধ, যেখানে একটি কম্পিউটার (computer), নেটওয়ার্ক (internet) বা ইন্টারনেট সংযুক্ত ডিভাইস (device) অপরাধের সাধন (object) হিসেবে ব্যবহার করা হয়। একটি কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে যদি কারো ব্যক্তিগত তথ্যের অবৈধ ব্যবহার, copyright infringement, ঠকানো, personal data চুরি, hacking, phishing, spamming বা privacy theft এবং এগুলির মতো অপরাধ করা হয়, তাহলে একে বলা হয় “cybercrime” . বিভিন্ন ধরনের সাইবার ক্রাইম গুলো নিম্নরুপঃ হ্যাকিং (Hacking)প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়। ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে যেমনি তথ্যের আদান-প্রদান বেড়ে গেছে বহুগুণ, ঠিক তেমনি তথ্য গায়েব, তথ্য চুরি এবং পথিমধ্যে তথ্য বিকৃতি ঘটানোর নজিরও লক্ষ্য করা যায়। আর এ কাজটি যারা করছে মূলত তাদেরকে হ্যাকার বলে অভিহিত করা হয়। হ্যাকারদের যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে হ্যাকিং বলে অভিহিত করা হয়।স্প্যামিং(Spamming)অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহ ব্যবহার হলো স্প্যাম তথা স্প্যামিং। এর মাধ্যমে একাধিক মেইলিং লিস্ট, পৃথক পৃথক ব্যক্তি বা নিউজগ্রুপগুলোতে অনাকাঙ্ক্ষিত মেসেজসমূহ প্রেরণ করা হয়ে থাকে। এসেব মেসেজ প্রায় সময়ই বাণিজ্যিক ধাঁচের হয়। এগুলোকে জাঙ্ক মেইল নামেও অভিহিত করা হয়। বিজ্ঞাপণের মোড়কে স্প্যামগুলো অনেক সময়ই আইডেন্টি থেফট বা অন্য কোনো ধরনের ইন্টারনেট জালিয়াতির উদ্দেশ্যে প্ররণ করা হয়ে থাকে। প্লেজিয়ারিজম(Plagiarism)যে কোনো উৎসের লেখা সংযোজন করা হোক না…

Continue Readingইন্টারনেট জগতে সাইবার ক্রাইম

স্বাদ এবং গন্ধ

  • Post author:

গন্ধ এবং স্বাদ এই দুইটি বিষয়ই কেমন জানি পরস্পরের সাথে সংযুক্ত। মাঝে মাঝেই হয়তো আমরা এই দুইটি বিষয়কে পরস্পরের সাথে সংমিশ্রণ ঘটিয়ে ফেলি। কিন্তু স্বাদ এবং গন্ধ দুটি অন্যরকম বিপরীত দুটি জিনিস। আমরা গন্ধ সম্পর্কে গতদিনও কিছু আলোচনা করেছিলাম। আজকে আমরা খাবার খাওয়ার সময় কোনো কিছুর গন্ধ কিভাবে পাই তা একটু দেখব।আমি গতদিনের আলোচনায় বলেছিলাম যে আমাদের কোনো কিছুর গন্ধ অনুভব করার অন্যতম কারণ হচ্ছে আমাদের Olfactory receptor, যা আমাদের নাসারন্ধ্রের ভিতরের দিকে অবস্থিত এবং সরাসরি মস্তিষ্কের সাথে সংযুক্ত। এখন এই Olfactory receptor এ যাওয়ার জায়গা কিন্তু শুধুমাত্র নাসারন্ধ্রই না, আমাদের মুখের পেছনের গলার ওপরের দিকের একটি দ্বিতীয় পথের মাধ্যমে আমাদের নাকের ভিতরের অংশ আমাদের মুখগহ্বরের পিছনের অংশের সাথে যুক্ত। আমরা যখন কোনো খাবার খাই, তখন ওই খাবারের অতি ক্ষুদ্র কিছু কণা ওই পথ দিয়ে আমাদের নাকের গহ্বরেও প্রবেশ করে এবং নাকের Olfactory receptor কে উদ্দিপ্ত করে। যার ফলে আমরা সেই নির্দিষ্ট খাবারের জন্য একটি গন্ধ অনুভব করি যাকে আমরা অনেকেই স্বাদ বলে অভিহিত করি। এখন এই প্রেক্ষাপটের সাথে আমরা একটি মজার ঘটনারও যোগ ঘটাতে পারি। মাঝে মাঝে আমাদের মা বাবা আমাদের এমন সব খাদ্যবস্তু খাওয়ানোর চেষ্টা করেন যা আমাদের পক্ষে অনেকসময়ই গলাধকরণ করা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়।এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ওই খাবারের গন্ধই খাবার খেতে আমাদের অনীহা সৃষ্টি করে থাকে। তাই তখন যদি আমরা কখনো খাওয়ার সময় আমাদের নাক কোনোভাবে বন্ধ করে রাখতে পারি তাহলে বাতাসের মাধ্যমে ক্ষুদ্র কণা আমাদের Olfactory receptor এ যেতে পারে না। আর আমরা খাবারের গন্ধও পাই না।এখন প্রশ্ন আসতে পারে আমি তো মুখ দিয়ে খাবার খাচ্ছি তাহলে নাকের সম্পর্ক কোথায়? আমাদের খাবার খাওয়ার সময় আমাদের নাক আমাদের শ্বাসপ্রশ্বাস এর দায়িত্ব নেয়। এবং আমরা কিন্তু একইসময়ে খাবার গ্রহণ এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের এর কাজ সম্পন্ন করতে পারি না।কারণ নাকের ওই দ্বিতীয় পথের সম্মুখে একটি ঢাকনা থাকে…

Continue Readingস্বাদ এবং গন্ধ

10^Googol = GoogolPlex?

  • Post author:

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক ব্যবহৃত ওয়েবসাইটের নাম হলো www.google.com। এখন প্রশ্ন আসতে পারে এই নামের অর্থ আসলে কি? কেনোই বা Larry Page এবং Sergey Brin তাদের এই অসাধরণ স্টার্টআপের নাম গুগোল দিয়েছিলেন। এবং অবাক হওয়ার মতো বিষয় হলো এই "google" শব্দটির জন্ম গণিত জগতের এক বিশাল বড় মাপের সংখ্যা " googol"- এর বিকৃত বানান থেকে। শুধুমাত্র বিশাল বড় মাপের সংখ্যা বললেও হয়তো ভুল হবে। অনেক অনেক বিশাল বড় মাপের সংখ্যা। তাহলে এই ধারনাতীত সংখ্যা সম্পর্কে কিছু জেনে নেওয়া যাক। আমরা সবাই জানি যে, 1 এর পর ছয়টি শুন্য বসালে হয় ১০ লক্ষ। একে সাধারণত  ১ মিলিয়ন (million) বলে অভিহিত করা হয়। কিন্তু তাতে তো বিশাল সংখ্যাটা হলো না। তাই আমরা এরপর আরও ৩ টি শুন্য বাড়িয়ে দেই। উৎপন্ন সংখ্যাটি হবে ১০০ কোটি। যাকে বলা হয় ১ বিলিয়ন (billion)। আবারও ৩টি শুন্য বাড়িয়ে দিই অর্থাৎ ১ এর পর ১২টি শুন্য বসাই। মোটামুটি ভালোই বড় মাপের একটি সংখ্যা পাবো। ১ ট্রিলিয়ন । এইভাবে তিনটি করে শূন্য বাড়াতে থাকলে আমরা পাবো, যথাক্রমে কোয়াড্রিলিয়ন (quadrillion), কুইনটিলিয়ন (quintillion), সেক্সটিলিয়ন(sextillion), সেপ্টিলিয়ন(septillion), অক্টিলিয়ন (octillion), ননিলিয়ন (nonillion),  ডেসিলিয়ন (decillion), আনডেসিলিয়ন(undecillion) ইত্যাদি। কিন্তু সবশেষে 1 এর পরে গুনে গুনে ঠিক একশটা শূন্য যদি আমরা বসাই তাহলে আমরা যে সংখ্যাটি পাবে সেটি হল 1গুগোল (google) অর্থাৎ 10^100=1 । এখন কি ভাবা কঠিন হয়ে যাচ্ছে না সংখ্যাটি কতোটা বড়? আসলেই অনেক বিশাল। হয়তো গুগোল যে একদিন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জ্ঞানকোষ হয়ে দাঁড়াবে এই বিষয়টি মনে হয় Larry Page এবং Sergey Brin আন্দাজ করতে পেরেছিলেন, তাই তাদের কোম্পানির নামটাও এমন বিশাল একটি সংখ্যার সাথে সাদৃশ্য রেখে করেছেন। হতে পারে? এই প্রসঙ্গে গুগোল সংখ্যাটিকে জড়িয়ে আরও একটি সংখ্যার কথা বলা যায় এখন, যেহেতু আমরা সংখ্যার আলোচনায় আছি। সেটি হল গুগোলপ্লেক্স  (googleplex)। 1…

Continue Reading10^Googol = GoogolPlex?

ডিজিটাল ক্রিপ্টোকারেন্সী-বিটকয়েন

বিটকয়েন কি? বিটকয়েন হচ্ছে বর্তমান ক্রিপ্টোকারেন্সি দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং ব্যবহৃত ডিজিটাল মুদ্রা যা বিশ্বব্যাপী লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। বিকেন্দ্রীভূত ডিজিটাল মুদ্রার মধ্যে বিটকয়েন সর্বপ্রথম কারণ এটি প্রথম যা কোন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা একক প্রশাসক ছাড়া কাজ করে। বিটকয়েন নেটওয়ার্ক একটি সার্বভৌমিক প্রক্রিয়া যা কোনো মধ্যবর্তী মাধ্যম ছাড়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে সরাসরি সঞ্চালিত হয়।বিটকয়েনের আবিষ্কারঃ বিটকয়েন একজন অজানা ব্যক্তি বা বাক্তি গোষ্ঠী দ্বারা আবিষ্কৃত হয়। আবিষ্কারকের নাম দেওয়া হয় সাটোশি নাকামোটো। এটি খোলা বাজারে ২০০৯ সালে ছাড়া হয়। মাইনিং প্রসেসের মাধ্যমে বিটকয়েন তৈরি করা হয়। এটি বর্তমানে মুদ্রা, পণ্য এবং সেবার বিনিময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। ২০১৫ সালের পরিসংখ্যান মতে প্রায় ১ লাখের বেশি ব্যবসায়ী এবং বিক্রেতা বিটকয়েনকে পেমেন্টের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেছে। বিটকয়েন নিয়ে ২০১৭ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা করা জানতে পারে প্রায় ২,৯ মিলিয়ন থেকে ৫.৮ মিলিয়ন মানুষ ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেট ব্যবহার করেছে, যার মধ্যে অধিকাংশ ব্যাবহারকারী বিটকয়েন ব্যবহার করেছে।বিটকয়েন ক্রয়ঃ অনেকে মনে করেন যে বিটকয়েন কিনতে গেলে ১ বিটকয়েনই কিনতে হবে। তবে এটি সত্য নয়। ১ বিটকয়েনের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩৮৬০ ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় ৩ লক্ষ টাকারও বেশি। আপনি ১ এর কম (ভগ্নাংশ পরিমাণ) বিটকয়েন কিনতে পারবেন। যেমন ০.০১ বিটকয়েন, এমনকি ০.০০১ বিটকয়েনও! মূলত আপনি চাইলে ৮ দশমিক স্থান পর্যন্তও বিটকয়েন কিনতে পারবেন। বিটকয়েনের চাহিদাঃ কেউ কেউ এটি মনে করেন যে, বিটকয়েনের দাম কখনোই কমেনা, বরং বাড়তেই থাকে। এটি একটি ভুল ধারণা। বিটকয়েনের বাজারদরের সাথে শেয়ার মার্কেটের তুলনা করা যেতে পারে। এটি যেকোনো সময়ই কমতে বা বাড়তে পারে। লেনদেন ট্র‍্যাকিংঃ বিটকয়েন সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত এর লেনদেন ট্র্যাক করার ধারণাটি। বিটকয়েন লেনদেনকে অনেকেই সবচেয়ে গোপন লেনদেন মনে করেন। তবে সত্যিটা হল, বিটকয়েন লেনদেনের ব্যাপারটা মূলত গোপনীয় নয়, বরং পাবলিক। প্রতিটি বিটকয়েনের লেনদেনই ব্লকচেইনে…

Continue Readingডিজিটাল ক্রিপ্টোকারেন্সী-বিটকয়েন

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স

  • Post author:

বলা হয়ে থাকে আমাদের ভবিষ্যত পৃথিবীর মুশকিল আহসানকারী। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে আমরা এই দুইটি শব্দের সাথে এমন কোনো যন্ত্রের মিল ঘটিয়ে ফেলি যার হয়ত নিজ থেকে সবকিছু চিন্তা করার ক্ষমতা আছে। আসলে কিন্তু তা না। কিন্তু এখন পর্যন্ত রোবট এমন একটি যন্ত্র যার নিজে থেকে কোনো কিছু, কোনো অপারেটিং প্রোগ্রাম তৈরি করার ক্ষমতা হয় নি। কিন্তু এটা বলা যাবে না যে তার নিজস্ব কোনো কাজ করার সামর্থ্য নেই। কথাগুলো বেশি প্যাচানো লাগতে পারে। সহজ ভাষায় বলি। একটি রোবটের এখন পর্যন্ত কোনো এ্যানালিটিক্যাল পাওয়ার নেই। অর্থাৎ রোবটকে যদি আমি বলে দেই যে পর্যায় সারণির সব মৌলের ভর সংখ্যা তার পারমাণবিক ভর সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃদ্ধি পায় , তাহলে সে কোনোদিনই ধরতে পারবে না অর্থাৎ বলতে পারবে না যে আর্গনের পারমাণবিক সংখ্যা পটাশিয়ামের থেকে বেশি, পারমাণবিক সংখ্যা কম হওয়া সত্ত্বেও। অর্থাৎ আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সকে আমার বলে দিতে হবে যে তাকে কিভাবে কাজ করতে হবে। আর এই কাজের ইনপুট প্রদান করে থাকে রোবট এর দেহে অবস্থিত কোনো সেন্সর অথবা মনুষ্য ইনপুটের মাধ্যমে।তার মধ্যে এমনভাবে কোডিং করা থাকে যাতে সে যখন একটি নির্দিষ্ট ইনপুট পাবে তখন যাতে তার আউটপুটও নির্দিষ্ট হয়। যেমন আমি একটি রোবটকে নির্দেশনা দিয়ে রাখলাম যে তুমি যদি রুমের তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে বেশি দেখতে পাও তাহলে পোঁ পোঁ করে সাইরেন বাজাতে শুরু করবে। এখন এটা হচ্ছে নরমাল প্রোগ্রাম। তাকে আমি বলে দিচ্ছি যে সে কি করবে। কিন্তু এখন যদি আমি এভাবে বলতাম, যে তুমি যদি দেখো তাপমাত্রা বাড়ছে একটি নির্দিষ্ট হারে , তখন তুমি ওই হারটি তোমার মধ্যে সংরক্ষণ করে রাখবা। এখন রোবটটি শিখে গেলো কি হারে আগুনটি বাড়লে বাসায় আগুন লাগতে পারে। এখন পরবর্তীতে যখন আবার ওই বাসায় আগুন লাগবে তখন সে তার মধ্যে সংরক্ষিত তাপমাত্রা বৃদ্ধির…

Continue Readingআর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স

বিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-6)

বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই। আশা করি করোনাকালীন এসময় নিজেদেরকে কোন না কোন কাজে ব্যাস্ত রেখেছেন। সাথে যে নাটক সিনেমা দেখছেন না এমন মানুষ খুবই কম৷ কিছু সিনেমা সাজেস্ট করছি। দেখে নিতে পারেন। বেশ ভালো এবং সাথে ইংরেজিটাও চর্চা হবে। সিনেমাগুলো হলঃ Beauty and the beast, The lion king, Lilo & stitch, Bolt, Chicken Little. পরিবারকে সাথে নিয়ে দেখে নিতে পারেন এসব সিনেমা। সাথে যদি কোন ছোট্ট শিশু থাকে সে সবচেয়ে বেশি আনন্দ করে দেখবে এসব সিনেমা। কি ভাবছেন? আজ আমি হঠাৎ নাটক, সিনেমা নিয়ে কেন বলছি? কেনইবা রোবটিক্স সিরিজে এসব কথা বলছি? তাইতো??? আচ্ছা তাহলে চলুন একটু খোলসা করি ব্যাপারটা। আপনি জেনে নিশ্চয়ই আবাক হবেন, উপরে সাজেস্ট করা সিনেমাগুলো সবগুলোই Disney World বা The walt Disney Company এর প্রযোজিত সিনেমা। আর আজকে আমরা যে Advance, humaniod রোবট নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি তা এই Disney World কোম্পানির। এতদিন তো আপনাদের এমন সব রোবটদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম যারা শুধুমাত্র স্থলে বিশেষ কাজে পারদর্শীতার প্রমান দিয়েছে। আজ যে রোবটটি নিয়ে আলোচনা করবো তা আকাশে তথা বায়ুতে বিশেষ কাজে পারদর্শী যা এখনো পর্যন্ত কোন রোবটই করতে পারেনি। রোবটটির নাম হলো "STANTRONIC ROBOT". STUNTRONIC by Disney Disney তাদের এনিমেশন সিনেমার জন্য বিখ্যাত। কিন্তু আপনি জানেন কি Disney এর কিন্তু নিজস্ব Research Team আছে? হ্যাঁ, বন্ধুরা। Disney Research Team.picture আমি গুনে গুনে দেখলাম কমপক্ষে ৪৮০টির মত Research পেপার আছে এই Team এর। Disney Research Website বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, ডক্টরদের সাথে একত্রিত হয়ে কাজ কর এ দল। Machine Learning, Artificial intelligence, Big data, AR/VR, Digital Humans, Animation, Robotics, Visual Display Technology, Wireless Communication and Ubiquitous Computing সব কিছু নিয়েই কাজ করে এরা। Disney Research Team আরো কয়েকটি Autonomous Robot নিয়ে এসেছিলো। কিন্তু কোন এক অজানা কারনে সেসব…

Continue Readingবিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-6)

সেডরিক-এক অনন্য ন্যানোটেকনোলজী

ভবিষ্যতের কম্পিউটারগুলো হবে আরও ছোট আকারের, দ্রুততর, এবং অধিক দক্ষ। একথা এতদিন পার্সোনাল মাইক্রোকম্পিউটারের ক্ষেত্রে খাটলেও প্রকৃতপক্ষেই ক্ষুদ্র কম্পিউটারের অধ্যায় শুরু হয়েছে কার্বন ন্যানোটেকনোলজী থেকে। পূর্বে যেখানে ব্যবহৃত হতো সিলিকন এখন সেথায় ব্যবহৃত হচ্ছে উন্নত প্রযুক্তির কার্বন ন্যানোটিউব। বিশ্বের প্রথম কার্বন ন্যানোটিউব ভিত্তিক কম্পিউটার হলো“সেডরিক”। এই ডিভাইসে সিলিকন নির্মিত ট্র্যানজিস্টরের স্থলে কার্বন ন্যানোটিউব নির্মিত নতুন ধরণের ট্র্যানজিস্টর ব্যবহৃত হয়েছে।উদ্ভাবিত এই কম্পিউটারটিই হচ্ছে কার্বন ন্যানোটিউব নির্ভর (এখন পর্যন্ত) সবচেয়ে জটিল যন্ত্র। কার্বন ন্যানোটিউব বা ‘সিএনটি’ হচ্ছে অতিসূক্ষ্ম সিলিন্ডার যা কার্বন পরমাণু দ্বারা তৈরি শিট থেকে প্রস্তুতকৃত। প্রতিটি কার্বন ন্যানোটিউব মাত্র ১ ন্যানোমিটার এবং এগুলো থেকে তৈরি চিপের সর্বনিম্ন পুরুত্ব ৯ ন্যানোমিটার। অপরদিকে, সর্বাধুনিক সিলিকন চিপের প্রস্থ ২২ ন্যানোমিটার। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ন্যানোমিটার হচ্ছে মেট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একটি একক, যা এক মিটারের একশো কোটি ভাগের এক ভাগের সমান (১০–৯ মি.) অথবা এক মিলিমিটারের এক মিলিয়ন ভাগের এক ভাগ। কার্বন ন্যানোটিউব ভিত্তিক এই কম্পিউটার সেডরিক এর নির্মাতারা দাবী করেছেন এটি যথেষ্ট পরিমাণ মেমোরি নিয়ে “অসীম” পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করতে পারে। প্রাথমিকভাবে নির্মিত সেডরিকের প্রোটোটাইপটির কনফিগারেশন হচ্ছে, ১ বিট প্রসেসর১ কিলোহার্টজ স্পিড১৭৮ ট্র্যানজিস্টর যার প্রতিটিতে রয়েছে ১০-২০০টি ন্যানোটিউব২ বিলিয়ন কার্বন পরমাণুমাল্টিটাস্কিং ও টিউরিং কমপ্লিট দক্ষতাকম্পিউটিং জগতের পরিভাষায় “টিউরিং কমপ্লিট” মানে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটি যেকোন গণনামূলক সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। সেডরিক চলে একটি সরল অপারেটিং সিস্টেমে যা মাল্টিটাস্ক সুইসিং, কাউন্টিং ও নাম্বার সর্টিং করতে পারে। অতীতের কার্বন ভিত্তিক কম্পিউটারসমূহের গণনায় যে সীমাবদ্ধতা ছিল তা অতিক্রম করতে পেরেছে সেডরিক- অর্থাৎ এটি প্রতিবারই সঠিক উত্তর দিতে পারে। ইনটেল, স্যামসাং প্রভৃতি মাইক্রোচিপ নির্মাতার জন্যও এখানে সুখবর রয়ে গেছে। কেননা, কার্বন ন্যানোটিউব তৈরির জন্য যেসব ল্যাব সুবিধা দরকার তা বর্তমান সিলিকন চিপের সাথে মানানসই হওয়ায় নতুন করে বড় ধরণের বিনিয়োগের আর দরকার হবেনা। উন্নত প্রযুক্তির শীর্ষে পদাপণের এবারই হয়তো সঠিক সময়।

Continue Readingসেডরিক-এক অনন্য ন্যানোটেকনোলজী

উইন্ড টারবাইন (Wind Turbine) (Part-1)

উইন্ড টারবাইন (Wind Turbine) বায়ু শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করে। সহজভাবে বলতে গেলে উইন্ড টারবাইন হলো ইলেক্ট্রিক ফ্যানের বিপরীত। ফ্যান যেমন বিদ্যুৎ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাতাস বা বায়ু শক্তি উৎপন্ন করে, তেমন উইন্ড টারবাইন বাতাসকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। টেকনোলজি এবং বাতাসের বেগের উপর নির্ভর করে এর ব্লেডগুলো মিনিটে ১৩ থেকে ২০ বার ঘোরে। উইন্ড টারবাইন বিভিন্ন সাইজের হয়ে থাকে। ছোট সাইজের মোডেল গুলো ছোট ঘর, কেবিন, শীপ (ship) ইত্যাদি নানা কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়াও অনেক গুলো উইন্ড টারবাইন একত্র করে উইন্ড ফার্ম তৈরী করা হয় যা বড় বড় বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সাধারণত দুই ধরনের উইন্ড টারবাইন রয়েছে। horizontal-axis wind turbines (HAWTs)  এবং vertical-axis wind turbines (VAWTs)। HAWTs হলো সবচেয়ে ব্যবহারিত উইন্ড টারবাইন। এক্ষেত্রে টারবাইনে সাধারণত দুই তিন কিংবা মাল্টিব্লেড যুক্ত থাকে। আর VAWTs টাইপের টারবাইন গুলো যেকোন দিক থেকে আসা বাতাসকে কাজে লাগাতে পারে। এক্ষত্রে ব্লেডগুলো vertical pole এর চারিদিকে ঘোরে। Betz’s law এর অনুযায়ী একটি উইন্ড টার্বাইন থেকে ৫৯% এর বেশী বায়ুশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রুপান্তর করা সম্ভব না। টারবাইনের ব্লেডের সংখ্যা, পজিশন, বায়ুপ্রবাহ ইত্যাদির উপর নির্ভর করে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন হয়। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে উইন্ড টারবাইন দিন দিন অনেক জনপ্রিয় হচ্ছে। পুরো বিশ্ব এখন নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy) এর দিকে অগ্রসর হচ্ছে আস্তে আস্তে। এক্ষেত্রে উইন্ড টারবাইন (Wind Turbine) আমাদের শক্তি সমস্যার সমাধান এনে দিতে পারে।

Continue Readingউইন্ড টারবাইন (Wind Turbine) (Part-1)

প্রোগ্রামিং শিখি অ্যাপস থেকে

আমাদের মধ্যে অনেকেই প্রোগ্রামিং এর সাথে পরিচিত। বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রোগ্রামিং শেখাটা অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ছোট, বড় অনেকেই এখন প্রোগ্রামিং এর প্রতি ঝুঁকতে শুরু করেছে। বিভিন্ন মাধ্যমে এখন প্রোগ্রামিং শেখা যায়। অনেকে প্রোগ্রামিং এর বিভিন্ন কোর্স করে আবার অনেকে ইউটিউব থেকেও শিখে। তবে বর্তমানে প্রোগ্রামিং শেখার জন্য বেশকিছু ভাল অ্যাপস আছে। এপসগুলোর সাহায্যে প্রোগ্রামিং শেখা যায় ফ্রিতেই, আবার যারা প্রোগ্রামিং এ একেবারেই নতুন তারাও শেখা শুরু করতে পারবে স্বাচ্ছন্দ্যেই। প্রোগ্রামিং শেখার মজার কয়েকটি অ্যাপস নিয়েই আজকের ব্লগটি। Sololearn : প্রোগ্রামিং শেখার জন্য Sololearn পৃথিবীব্যাপি জনপ্রিয় একটি অ্যাপস। পাঁচ মিলিয়নের বেশি ব্যবহারকারী Sololearn ব্যবহার করে। এখানে দশটিরও বেশি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখা যায় ফ্রিতে। যারা প্রোগ্রামিং এ একেবারেই নতুন তারাও খুব সহজেই শিখতে পারবে অ্যাপসটি থেকে। প্রোগ্রামিং শেখার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজেক্ট তৈরি করা যায়। ব্যাবহারকারীরা একে অপরের সাথে কমিউনিকেশন করতে পারে, বিভিন্ন প্রোগ্রামিং সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারে। একসাথে কাজ করার মাধ্যমে নিজেদের স্কিল ডেভেলপ করতে পারে। কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের লেসন শেষ করলে পাওয়া যায় সার্টিফিকেট। ব্যবহারকারীদের জন্য প্রত্যেক লেসন শেষে নিজেকে ঝালাই করে নেওয়ার জন্য রয়েছে কুইজ। আবার ব্যবহারকারীরা একে অপরকে চ্যালেঞ্জ করে পয়েন্ট জেতার সুযোগ পায়, যা শেখাটাকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলে। Sololearn অ্যাপসটি ডাউনলোড করা যাবে গুগল প্লে স্টোরে : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.sololearn এই লিংক থেকে। Programming Hero : প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করার জন্য Programming Hero খুবই মজার ও কার্যকরী একটি অ্যাপস। বিশেষ করে পাইথন শেখার উপযুক্ত করে তৈরি করা হয়েছে অ্যাপসটি। ব্যবহারকারী প্রত্যেকটি লেসন শেখার সাথে সাথে গেইম তৈরি করতে পারবে সহজেই। সম্পূর্ণ লেসন শেষ করলেই পাওয়া যায় সার্টিফিকেট। Programming Hero তে নিজের মতো করে কোডিং ও করা যায়। অ্যাপসটিতে রয়েছে ব্যবহারকারীদের জন্য ফোরাম। ফোরামে যেকোন কোড বা প্রশ্ন পাবলিশ করা যায়। ফোরামের মাধ্যমে একে অন্যের সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং সমস্যা…

Continue Readingপ্রোগ্রামিং শিখি অ্যাপস থেকে

বিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-5)

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আজ আমরা জানবো এ সিরিজের ৪র্থ রোবট সম্পর্কে। এ রোবটটি "Boston Dynamics" এর আরেকটি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার। Boston Dynamics হল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় রোবটিক্স কোম্পানি গুলোর মধ্যে একটি। সাধারনত তারা তাদের রোবটগুলো কোন বিশেষ দলের জন্য তৈরী করে থাকে। তাই বিক্রি করা সে রোবটগুলো কোথা কি কাজ করে তা খুব একটা জানা যায় না। আপনারা যারা Boston Dynamics নিয়ে জানতে চান তারা চাইলে আমাদের এই সিরিজের ২য় পর্বটি দেখে আসতে পারেন। সেই পর্বে আমি আপনাদের বলেছিলাম Boston Dynamics সম্পর্কে৷ তো চলুন আজ আর সেই বিস্তারিত আলোচনার দিকে না গিয়ে সরাসরি রোবটে চলে যাই। Picture: ATLAS Boston Dynamics এর রোবটগুলোর মধ্যে BigDog, Cheetah, LS3, Rhex, Atlas বিশেষভাবে উল্লেখ যোগ্য। আজকে আমরা যে রোবটটি নিয়ে জানবো তার নাম ''ATLAS''. Atlas তৈরী করা হয়েছিলো Boston Dynamics এর ''PETMAN'' এর উপর ভিত্তি করে। Boston dynamics মূলত এখন পর্যন্ত ফোকাস ২টি রোবটের উপর। একটি হল SPOT যা নিয়ে ২য় পর্বে আলোচনা করেছি আরেকটি হল ATLAS (an adult size humanoid robot). Picture: SPOT AND ATLAS Biped humanoid এ রোবটটি তৈরীর মূল উদ্দেশ্য ছিলো USA Defence Advance Research Project Agency (DARPA) এর ''DARPA Robotic Challenge'' প্রতিযোগিতায় জয়ের জন্য। মোট ৮টি ধাপ পার করতে হয় একে। যদিও ৭টিতে সফল ও ১টিতে ব্যার্থ হয়।তাই তারা জিততে পারে নি। তবুও বেসিক সিস্টেম যখন DARPA এর পছন্দ হয় তখন তারা Atlas কে সম্পূর্ণভাবে তৈরী করতে Order দেয়। নিজে নিজে গাড়িতে উঠা থেকে শুরু করে গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাওয়া, যেসব স্থানে মানুষ যেতে পারেনা সেসব স্থানে সে গিয়ে Rescue মিশন সম্পন্ন করতে পারে। এমনকি সামনে কোন দেয়াল থাকেলে প্রয়োজনে তা ভেঙেও ফেলতে পারে। Can you Imagine? দেয়াল ভেঙে ফেলতে পারে Atlas. যা বিশেষভাবে আকর্ষন করে DARPA কে Atlas এর…

Continue Readingবিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-5)

কোয়ান্টাম ইন্টারনেট (পর্ব ১)

  • Post author:

কেমন হবে যদি আপনার ইন্টারনেট এর বর্তমান অবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসে? আমরা জানি যে আমাদের নেটওয়ার্ক বিটস নিয়ে কাজ করে যার শুধু দুইটি মান হওয়া সম্ভব - বাইনারী ০,১। কিন্তু ভবিষ্যতে যে কোয়ান্টাম ইন্টারনেট এর ধারণা আমরা করছি তা কাজ করবে 'কিউবিটস' নিয়ে। এই কিউবিট  হলো কোয়ান্টাম ইইনফরমেশন যা কি না অসীমসংখ্যক  মান নিয়ে কাজ করতে পারে। * কিউবিট হলো কোয়ান্টাম কম্পিউটার এর ইউনিট অফ ইনফরমেশন * এতে কি হবে? কোয়ান্টাম ইন্টারনেট এর ব্যান্ডউইথ বেশি হবে যার ফলে সুপার কোয়ান্টাম কম্পিউটার  এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযোগ সম্পন্ন করা যাবে।তাছাড়া এমন সকল এপ্লিকেশন এর কাজ করা যাবে যা কি না বর্তমানের ইন্টারনেট এর মাধ্যমে সম্ভব নয়। কিন্তু আসলে এই কোয়ান্টাম ইন্টারনেট জিনিসটা কি? প্রথমত, কোনভাবেই এটি বর্তমানে প্রচলিত ইন্টারনেট কে সরিয়ে দিয়ে জায়গা দখল করতে আসছে না।বরং এটি একটি অত্যাধুনিক শাখা হিসেবে আসবে বর্তমানের ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক এর। আমরা যে সকল সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি সেই সকল সমস্যার সমাধান হয়ে আসবে এই আশাবাদ ব্যাক্ত  করেন ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগোর প্রফেসর David Awschalom, যিনি কোয়ান্টাম লুপ প্রজেক্ট এর নেতৃত্ব দিয়েছেন। একটি ছোট উদাহরণ দিয়ে এই ব্যাপারটা পরিষ্কার করা যায়- আজকাল ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীদের যে সমস্যা গুলো মুল তা হলো তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা। সাইবার অপরাধী এবং হ্যাকারদের থেকে তথ্যের সুরক্ষা পাওয়া একটা বড় চ্যালেঞ্জ।  ধরে নিন আপনি ঢাকায় বসে একটি মেসেজ পাঠাবেন আপনার বন্ধু যে কি না এখন ইস্তাম্বুলে আছে, ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক এ এই মেসেজটি একটি নির্দিষ্ট পথ অতিক্রম করে। এই পথে সিগনাল এর ট্রান্সমিশন, এপ্লিফাই, এরর গুলো সংশোধন করা হয়ে থাকে আর ঠিক এই পদ্ধতিটাই হ্যাকারদেরকে একটা সুযোগ করে দেয় সিস্টেমে ঢুকে পড়ে , মেসেজটি ইন্টারসেপ্ট করতে। তাহলে কোয়ান্টাম ইন্টারনেট এমন কি করবে যা এই সমস্যার সমাধান দিবে? দেখুন, আমরা কথা বলছি ফোটন নিয়ে যা…

Continue Readingকোয়ান্টাম ইন্টারনেট (পর্ব ১)

ডেটা কম্প্রেশন

আমরা যারা ল্যাপটপ , কম্পিউটার বা অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইস প্রতিনিয়ত ব্যবহার করি তারা সবাই প্রায়শই ডেটা কম্প্রেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকি। এটি আমাদের ডেটা ট্রান্সমিশন বা সংরক্ষণের কাজকে অনেক সহজ করে তোলে। ডেটা কম্প্রেশন কি ? ডেটা কম্পেশন হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ডেটা বা তথ্য সংকোচন করে সংরক্ষন করা হয়। এ পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটার আকার কমে যায়। ফলে তা খুব কম জায়গায় সংরক্ষন করা যায় এবং সহজে ট্রান্সমিশন করা যায়। ডেটা কম্প্রেশন মেথডঃ ডেটা কম্প্রশিং সাধারনত দুই ভাবে করা হয়। লসলেস(Loss less) এবং লসি(Lossy). লসলেস পদ্ধতিতে ডেটার কোন লস হয় না বা হারিয়ে যায় না। এক্ষেত্রে ডেটা ডিকম্পেশন করার সময় তা পুনরায় আগের অবস্থাতেই ফিরে যায়। এ পদ্ধতিতে Statistic modeling technique ব্যবহার করে ডেটা কম্প্রেস করা হয়। লসি (Lossy) পদ্ধতির ক্ষেত্রে কিছু ডেটা সম্পূর্ণ ভাবে হারিয়ে যায় এবং ডিকম্প্রসিং এর সময় ডেটা আর আগের অবস্থাতে ফিরে আসে না। এক্ষেত্রে কিছু অপ্রজোনীয় বিট এবং অতিরিক্ত ডেটা অপসরণ করা হয়। সাধারনত ভিডিও, অডিও, ছবি এবং গ্রাফিক্স এর ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ডেটা কম্প্রেশনের মুলনীতি ডেটা কম্প্রেশন অ্যালগরিদম সোর্স ইনফরমেশনকে এনকোড করতে যে পরিমান সিম্বল লাগবে তার সংখ্যা কমিয়ে দেয়। ফলে প্রসেস করা ডেটা হার্ড ড্রাইভে কম জায়গা দখল করে। ডেটা কম্প্রেশনকে দুটো সাধারণ প্রসেসে ভাগ করা যায়। একটি হল এনকোডিং অ্যালগরিদম (encoding algorithm) এবং অন্যটি ডিকোডিং অ্যালগরিদম (decoding algorithm)। এনকোডিং অ্যালগরিদম সোর্স ইনফরমেশন গ্রহন করে এবং সেটিকে কম্প্রেসড আকারে উপস্থাপণ করে। আর ডিকোডিং অ্যালগরিদম কম্প্রেসড করা ডেটাকে পুনরায় মুল ডাটাতে গঠন করে। এই এনকোডিং এবং ডিকোডিং প্রসেসে কিছু ডেটার লস হতে পারে। ডেটা কম্প্রেশনের ইতিহাস ১৮৩৮ সালে টেলেগ্রাফিতে ব্যবহারের জন্য মোর্স কোড আবিষ্কার করা হয় যা ছিল ডেটা কম্প্রেশনের প্রাথমিক উদাহরণ। আধুনিক ডেটা কম্প্রেশনের সূচনা ঘটে ১৯৪০ এর দিকে…

Continue Readingডেটা কম্প্রেশন

জেনে নিন উইন্ডোজ-১০ এ পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কার্যকর সমাধান

১.লক স্ক্রিনে I forget my password এ ক্লিক করুন।(যদি মাল্টিপল অ্যাকাউন্ট এক্টিভ থাকে তাহলে সঠিক অ্যাকাউন্টটি সিলেক্ট করুন) ২.ক্যাপচা পূরণ করুন যাতে প্রমাণিত হয় you aren't a robot. ৩.নেক্সটে ক্লিক করুন। ৪.ড্রপ-ডাউন মেনু থেকে সিলেক্ট করুন রিকভারি ইমেইল ঠিকানা। ৫.ইমেইল চ্যালেজ্ঞের লুকায়িত অংশটি পূরণ করুন। ৬.সেন্ড কোডে ক্লিক করুন। ৭.অন্যকোনো পিসি/ট্যাবে আপনার মেইলটি ওপেন করে রিকুভারি কোডটি সংগ্রহ করে ভেরিফাই করুন। ৮.নেক্সট ক্লিক করুন। ৯.নতুন পাসওয়ার্ড দিন। ১০.নেক্সটে ক্লিক করুন। ১১.আবার নেক্সট ক্লিক করে পুনরায় সাইন ইন পেজে ফিরে যান। এখানে নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনি আবার পিসিতে ঢুকতে পারবেন।যদি নতুন পাসওয়ার্ড কাজ না করে তবে পিসি রিস্টার্ট দিয়ে আবার ট্রাই করুন।ধন্যবাদ। . ।

Continue Readingজেনে নিন উইন্ডোজ-১০ এ পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কার্যকর সমাধান

ডেক্সটপের পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়েছেন?জেনে নিন সমাধান

ধাপ সমূহঃ১। কম্পিউটার স্টার্ট করুন২। কম্পিউটার এর login স্ক্রীন আসবে।৩। এক সাথে কীবোর্ড এর ctr+alt+deleteএইটা চাপ দিলে একটা নতুন উইন্ডো শো করবে । ৪। এখানে একটা USER BOXআরেকটা PASSWORD BOX দেখা যাবে।৫। এখানে আপনি লিখবেনUSER BOX এ administrator এবং PASSWORDBOX টা খালি রাখবেন।৬। এবার OK দিন।৭। এখন User Accout এইখানে আপনি সকলuser দের দেখবেন এখন আপনি চাইলেই user এরpassword remove করতে পারবেন!দয়া করে কারো ক্ষতির জন্য এটি করবেননা। বি.দ্র-এটি শুধুমাত্র উইন্ডোজ এক্সপি ইউজারদের জন্য।

Continue Readingডেক্সটপের পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়েছেন?জেনে নিন সমাধান

বিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-4)

হ্যালো বন্ধুরা, আচ্ছা, চিন্তা করুন তো এমন কোন রোবট তৈরি করা হলো যে রোবট Siri এবং Alexa এর মত Digital Assistant হিসেবে কাজ করবে কিন্তু তাদের মতো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসে না থেকে এদিক সেদিক ঘোরাঘুরি করতে পারবে। হ্যাঁ, তেমনি একটি রোবট -PAPPER তৈরি করেছে জাপানের সবথেকে বড় কোম্পানি softbank। এটি মানুষের বেসিক ইমোশন চিহ্নিত করতে পারে তাই একে বলা হয় বিশ্বের সর্বপ্রথম social humanoid রোবট। আমরা এর আগের একটি পর্বে দেখেছিলাম জাপানের রোবটিক্স ইন্ডাস্ট্রি কত বড়। এবং তারই একটি সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো এই softbank রোবটিক্স। মূলত softbank Telecom এর একটি শাখা হচ্ছে softbank রোবটিক্স। Softbank রোবটিক্স এর আরো নানান ধরনের humanoid রোবট রয়েছে যা ডিজিটাল এসিস্ট্যান্ট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাদের মধ্যে NAO, ROMEO অন্যতম। Papper It's not just a robot, it's pepper - Softbank. মূলত Pepper রোবটটি তৈরি করে Aldebaran রোবটিক্স নামক একটি ফ্রান্সের রোবটিক্স কোম্পানি। ধারণা করা হয় 2012 সালের দিকে এই ফ্রান্সের কোম্পানিটি দুই বছর গোপনে পরীক্ষা চালিয়ে ছিল এই রোবট তৈরি করার জন্য। এবং যখন সফল হয় তখন 2015 সালের সফট ব্যাংক কোম্পানি এই রোবটটি কিনে নেয়। Aldebaran Robotics CEO & Soft-bank CEO with PEPPER জাপানের Softbank চাচ্ছিলো এমন কোন রোবট যা মানুষের জন্য কোনভাবেই হুমকি হবেনা বরং মানুষকে আনন্দ দিবে, মানুষের সাথে আলাপ করবে, বিদ্যালয়ে বাচ্চাদের খেলার সাথী হবে, হোটেল কিংবা ব্যাবসায়ের ক্ষেত্রে Assistant হিসেবে কাজ করবে। তাই তারা Pepper কে কিনে নেয়ার আগ্রহ দেখায়।4 feet উচ্চতার এই রোবটটি আপনি ব্যবহার করতে পারবেন commercial, Sports, business, academic কাজে এমনকি ঘরে আপনার বাচ্চার সাথে খেলা করার জন্য এই রোবটটি ব্যবহার করতে পারবেন। Pepper হল একটি open source platform যেমন Arduino এর মত Modify প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে পারি। এবং এই রোবটটি সর্বোচ্চ 15 টি ভাষা সমর্থন করে।…

Continue Readingবিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-4)

মজার ট্রিকসঃপুরাতন হার্ডডিস্কে তথ্য না হারিয়ে দিন নতুন ড্রাইভ

আমরা জানি,উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সরাসরি মাই কম্পিউটারে ক্লিক করে খুললে C:, D:, E: ইত্যাদি লেখা আইকন দেখতে পাওয়া যায়।এগুলা কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভের পার্টিশন বা বিভাগ। অর্থাৎ পুরো হার্ডডিস্কের জায়গা কয়েকটি ভাগে বণ্টন করা হয়েছে। নতুন কম্পিউটার কেনার পর সাধারণত এক বা দুটি পার্টিশন থাকে। তবে ফাইলগুলো বিভাগ অনুযায়ী সাজিয়ে রাখতে আরও ড্রাইভের দরকার হতে পারে। সব পার্টিশন ভেঙে নতুন করে দিতে গেলে ডেটা নষ্ট হয়ে যাবে। তবে তথ্য না হারিয়েও বিদ্যমান ড্রাইভের জায়গা থেকে পার্টিশন দিয়ে নতুন ড্রাইভ বানানো যায়। নতুন পার্টিশন করার আগে যা চেক করতে হবেঃনতুন পার্টিশন তৈরি করার আগে দেখে নিতে হবে বিদ্যমান ড্রাইভে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ খালি জায়গা আছে কি না। এবার ডেস্কটপ থেকে কম্পিউটার আইকনে মাউসের ডান বোতাম চেপে Manage নির্বাচন করুন। এরপর তালিকা থেকে Disk Management-এ ক্লিক করুন। এখানে হার্ডডিস্কে থাকা সব পার্টিশন দেখাবে। যে ড্রাইভ ভেঙে নতুন ড্রাইভ বানাতে চান সেটিতে মাউসের ডান বোতামে চেপে Shrink volume নির্বাচন করুন। কিছুক্ষণ সময় নেবে এটি চালু হতে। এখানে Enter the amount of space to Shrink in MB ঘরে কাঙ্ক্ষিত জায়গা দেখা যাবে। যতটুকু জায়গা দেখাবে সর্বোচ্চ ততটুকু বা তার কম জায়গা নিয়ে নতুন ড্রাইভ বানাতে হবে। অন্য ড্রাইভের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত জায়গা নেওয়া যাবে। প্রয়োজন অনুযায়ী জায়গা (প্রতি গিগাবাইটের জন্য ১০২৪ মেগাবাইট করে লিখতে হবে) নির্ধারণ করে Shrink বোতাম চাপুন। কিছু সময় অপেক্ষা করার পর Unallocated space নামে হার্ডডিস্কে নতুন অংশ দেখাবে। এটিতে মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করে New Simple Volume নির্বাচন করুন। ফরম্যাট পার্টিশন উইন্ডো চালু হবে, এখানে নেক্সট চেপে assign the following drive letter-এ ড্রাইভের জন্য অক্ষর নির্ধারণ করে বাকি সব সেটিং ঠিক রেখে Next চাপুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে Finish বোতাম চাপলেই কোনো তথ্য না হারিয়ে নতুন আলাদা ড্রাইভ তৈরি হবে। ধন্যবাদ

Continue Readingমজার ট্রিকসঃপুরাতন হার্ডডিস্কে তথ্য না হারিয়ে দিন নতুন ড্রাইভ

গন্ধ

  • Post author:

সেটা হতে পারে ভেজা মাটির কিংবা ভাগাড়ের। সাধারণ একটি বিষয় আমাদের জন্য।তাই না? কিন্তু কখনো আমরা কি চিন্তা করেছিলাম যে এই গন্ধ আমরা পাই কিভাবে? আমাদের নাকে এই অনুভূতির জন্মই বা হয় কিভাবে?আমাদের কোনো কিছুর গন্ধ গ্রহণ বা স্বাদ নেওয়ার এই প্রক্রিয়াগুলো আমাদের Chemo-sensory System এর অন্তর্ভুক্ত। আর এই গন্ধের অনুভূতি গ্রহণের প্রধান মাস্টারমাইন্ড হিসেবে কাজ করে এক বিশেষ অনুভূতি বিশেষজ্ঞ কোষ, যাকে olfactory sensory neurons বলা হয়। যারা মূলত আমাদের নাকের টিস্যুর মধ্যে কিংবা কোষের আশেপাশে অবস্থান করে। এই প্রত্যেকটি olfactory কোষ সরাসরি আমাদের মস্তিষ্কের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় থাকে।এবং প্রত্যেকটি olfactory কোষে কেবলমাত্র একটি গন্ধকে (One odor receptor) গ্রহণ করার ক্ষমতা থাকে। যখনই আমাদের আশেপাশে কোথাও কোনো বস্তু থেকে অতি ক্ষুদ্র কণা (microscopic molecules) ব্যাপনের মাধ্যমে আমাদের আশেপাশে ছড়িয়ে পরে, তখন কিছু কণা বাতাসের সঙ্গে আমাদের নাকেও প্রবেশ করে ।আর তখনই সেই কণাগুলো দ্বারা আমাদের নাকে অবস্থিত olfactory রিসেপ্টরগুলো উদ্দীপ্ত হয়। একটি গন্ধযুক্ত কণা কেবলমাত্র একটি রিসেপ্টরকেই উদ্দীপ্ত করতে পারবে। আর যখন একটি রিসেপ্টর উদ্দীপ্ত হবে, সাথে সাথে সেই সিগন্যাল সরাসরি আমাদের মস্তিষ্কে একটি গন্ধের অনুভূতি সৃষ্টি করবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের মস্তিষ্ক কিভাবে প্রত্যেকটি গন্ধ ঠিকভাবে ধরতে পারে? আমরা প্রত্যেকবার যখন নতুন করে কোনো গন্ধ অনুভব করি তখন আমাদের মস্তিষ্ক সেই গন্ধে একটি আলাদা ট্যাগ লাগিয়ে দেয় । যখন পরবর্তীতে আবার সেই গন্ধটি আমাদের নাকে আঘাত হানে তখন মস্তিষ্কে সেই সিগন্যাল যাওয়ার সাথে সাথেই মস্তিষ্ক বুঝতে পারে যে , আরেহ এটা তো ওই বিরিয়ানীর গন্ধ, ওইদিন যে আমি খেয়েছিলাম। অনেকটা কোনো সুপার শপের পণ্যের ওপর লাগানো প্রাইসট্যাগের বারকোডের মতো। কেউ কোনো পণ্য কাউন্টারে নিয়ে আসলে বারকোড যেমন স্ক্যান করে দেখে যে পণ্যের যাবতীয় তথ্য ও দাম কি। ঠিক তেমনি আমাদের নাকের olfactory রিসেপ্টর হলো বারকোড স্ক্যানার এবং আমাদের মস্তিষ্ক…

Continue Readingগন্ধ

জৃম্ভণ || Yawn

  • Post author:

আজব এক শব্দ। এই শব্দের অস্তিত্বের কথা আমরা খুব কম মানুষই হয়তো জানি। তবে প্রচলিত বাংলায় আমরা জৃম্ভণকে হাই তোলা বলে চিনি। ইংরেজীতে Yawn বলে। এবং আমরা সচরাসচরই হাই তুলে থাকি। মায়ের পেটের সন্তান থেকে মৃত্যুপথযাত্রী বৃদ্ধও হাই তোলে।কিন্তু আমরা কখনো কি ভেবে দেখেছি আমরা কেন হাই তুলি? সাধারণত এর নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা নিজেরাও এখনো সন্দিহান। তবে বিভিন্নজন বিভিন্ন মত দিয়ে গিয়েছেন, তার মধ্যে কিছু মত এখন বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করব।একটি প্রতিষ্ঠিত ধারণা মোতাবেক বলা হয়, আমরা যখন কোনো কাজ করতে করতে একঘেয়ে অনুভব করি বা ক্লান্ত অনুভব করি অথবা অলসের মতো একদৃষ্টিতে বসে থাকি তখন আমরা সাধারণের চেয়ে কম মনোযোগে শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ করি। অর্থাৎ তখন আমাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের হার অন্যান্য সময়ের থেকে কম হয়ে থাকে। তার ফলে আমাদের রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ অন্য সময়ের থেকে কমে যায়। তখন আমাদের রক্তে অক্সিজেন এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের এই সামঞ্জস্য রক্ষা করার জন্য আমাদের মস্তিষ্ক আমাদের হাই তুলে অক্সিজেন এবং কার্বন ডাই অক্সাইড লেভেলের সামঞ্জস্য রক্ষা করে চলে। তাহলে কি আমরা যদি বেশি বেশি অক্সিজেন নেই আর কার্বন ডাই অক্সাইড নেই তাহলে কি আমাদের হাই উঠবে না??আরেকটি মতবাদ অনুযায়ী হাই তোলার মাধ্যমে আমাদের দেহের বিভিন্ন টিস্যুর সংযোগকে সহজ করতে সাহায্য করে থাকে। তাছাড়া আমাদের ফুস্ফুসের আশাপাশে এক ধরনের লুব্রিকেন্ট নিঃসৃত করে যা আমাদের ফুস্ফুসকে কাজ করতে সাহায্য করে।তবে হাই তোলা সম্পর্কে সবচেয়ে মজার এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য হচ্ছে, হাই তোলা অনেকটা সংক্রামক রোগের মতো। আমরা যদি কাউকে হাই তুলতে দেখি( আশেপাশে কেউ যদি হাই তোলে) বা আমরা যদি হাই তোলা নিয়ে আলোচনা করি তাহলে আমাদের মস্তিষ্ক আমাদের হাই তুলতে বাধ্য করে। এবং আমরা কাউকে দেখেই বা সাদৃশ্যপুর্ণ কোনো বিষয়ের সংস্পর্শে এসেই আমরা সাধারণত হাই তুলে থাকি। এখন আপনি কতবার হাই তুলেছেন এই লেখাটি পড়ার সময়??

Continue Readingজৃম্ভণ || Yawn

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ক্লাউড কম্পিউটিং

আমরা যতই আধুনিকতার শীর্ষে আরোহণ করছি ততই নিজের ডেটা,তথ্য উপাত্তের পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্লাউড কম্পিউটিং এবং স্টোরেজের দিকে অগ্রসর হচ্ছি।চাহিদার শীর্ষে থাকার অন্যতম কারণ হলো পোর্টেবল সিস্টেম অর্থাৎ কোনো হার্ডকপি সাথে রাখা ব্যতীতই পৃথিবীর যেকোনো স্থান হতে ডেটা সহজে পার্সওয়াড প্রটেকশনে এন্ট্রি করার সুবিধা। চলুন তাইলে জেনে নেওয়া যাক ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে। ক্লাউড কম্পিউটিং (CLOUD COMPUTING) কি? সাধারণভাবে ক্লাউড অর্থ মেঘ। কিন্তু এক্ষেত্রে অর্থটা ভিন্ন। অনেকটা তথ্য জমা রাখার একটা ব্যবস্থা যা বাতাসের মাধ্যমে আদান প্রদান তবে বিষয়টি আরও একটু জটিল। তাহলে ক্লাউড কী? মৌলিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং মানে একটি মেশিনের সীমিত শক্তির পরিবর্তে অনেকগুলো মেশিনের শক্তি সংযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা বোঝায়। এজন্যঅনেকগুলো সার্ভারএবং রাউটার একসাথে এক জায়গায় বসাতে হয়, অনেকটা গুদাম ঘরের মতো। যাতে করে সারা বিশ্বের মানুষজন তাদের তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করতে পারে।সুতরাং ক্লাউড কম্পিউটিং অর্থ দাঁড়ায় আপনার কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেটে ডেটা এবং প্রোগ্রামগুলিকে সঞ্চয় এবং অ্যাক্সেস করা। যেখানে আপনি আপনার সংস্থান যেমন ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা স্টোরেজ, সার্ভার, ডাটাবেস, নেটওয়ার্কিং এবং সফ্টওয়্যার এর মতো সরঞ্জাম এবং অ্যাপ্লিকেশন হোস্ট করতে পারেন। ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রক্রিয়াটির একটি উদাহরণ হলো গুগলের জিমেইল। প্রাথমিক পর্যায়ঃক্লাউড এমন একটি শব্দ বা ধারণা যা এখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণত এটি শুরু হয় ২০০৩ কিংবা ২০০৪ এই সময়ে। কিন্তু কমপ্যাক কম্পিউটারের ইঞ্জিনিয়ারদের ১৯৯৬সালে কিছু ফ্রেশব্যাক যুক্ত নথিপত্র ছিল। তখন ক্লাউডেরপ্রথম ব্যবহার হয়। গুগলের এরিক স্মিথ ২০০৬ সালে এগুলো কিনে নেয় এবং পরবর্তী সময়ে ক্লাউড ব্যবসার মডেল হয়ে যায়। যখন আপনি আপনার মোবাইল থেকে গুগল ম্যাপে প্রবেশ করেন কিংবাগুগল ডকুমেন্টে প্রবেশ করেন তখন আসলে আপনি গুগল ক্লাউডে প্রবেশ করছেন। তখন আপনার প্রয়োজন মতো তথ্য গুগল তাদের ক্লাউড থেকে আপনার সামনে উপস্থাপন করে। মাইক্রোসফট ক্লাউডের আরও এক বড় খেলোয়াড়। সম্প্রতি তারা তাদের অফিস…

Continue Readingজনপ্রিয়তার তুঙ্গে ক্লাউড কম্পিউটিং

দ্যা মার্শম্যালো টেস্ট

আমাদের চারপাশে তো প্রতিনিয়ত বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট হয়। সেরকমই একটি বিখ্যাত এক্সপেরিমেন্ট 'দ্যা মার্শম্যালো টেস্ট'। ১৯৬০ এর দশকে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওয়াল্টার মিশেল মানুষের মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার সময় এই মার্শম্যালো টেস্ট করেন। মার্শম্যালো টেস্টর জন্য মিশেল এবং তার টিম শতাধিক চার থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের নির্বাচিত করে। তারা মূলত এই টেস্টের মাধ্যমে শিশুদের ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য, কাজ এবং সাফল্য সম্পর্কে ধারণা নেয়। মার্শম্যালো টেস্টটি করার জন্য প্রথমে প্রত্যেক শিশুকে আালাদা আলাদা কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। প্রত্যেক শিশুকে একটি আলাদা চেয়ারে বসিয়ে তার সামনে একটি টেবিলে মার্শম্যালো রাখা হয় যা শিশুদের কাছে খুবই লোভনীয়৷ তারপরে শিশুদের সাথে গবেষক দল একটি চুক্তি করে। গবেষক দল প্রত্যেক শিশুকে আলাদা কক্ষে একা রেখে চলে যাবে। যদি একা থাকাকালীন কোনো শিশু মার্শম্যালো না খায় তাহলে তাকে আরো একটি মার্শম্যালো দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে। কিন্তু যদি কেউ প্রথমবারে মার্শম্যালোটি খায় তাহলে সে দ্বিতীয়বার আরেকটি মার্শম্যালো পাবেনা। চুক্তি অনুযায়ী গবেষক দল পনেরো মিনিটের জন্য শিশুদের একা রেখে চলে যায়। আমাদের মনে হতে পারে যে শিশুদের অপেক্ষা করার ব্যাপরটা খুব মজার ছিলো! কিন্তু কিছু শিশু দরজা বন্ধ করার সাথে সাথে লাফিয়ে উঠে মার্শম্যালো খেয়ে ফেলেছিলো। আর কিছু শিশু নিজেকে সংযত রাখার জন্যে চেয়ার ধরে ঝাঁকুনি দিচ্ছিলো। শেষ পর্যন্ত কিছুসংখ্যক শিশু পুরো সময় অপেক্ষা করেছিলো। তবে এই এক্সপেরিমেন্ট এর আসল টুইস্ট জানা গিয়েছিলো বেশ কয়েক বছর পরে। শিশুরা বড় হওয়ার পরে গবেষক দল তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করে। তাদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে। এরপরে গবেষকরা যেই সিদ্ধান্তে এসেছিলো তা ছিলো সত্যিই অবাক করার মতো! গবেষকদের মতে, যেই শিশুরা মার্শম্যালো না খেয়ে অপেক্ষা করেছিলো তাদের SAT স্কোর অন্যদের তুলনায় ভালো ছিল, মানসিক চাপ মোকাবেলায় তারা ছিল অনেক এগিয়ে এবং সামাজিক দক্ষতায়ও এগিয়ে ছিল। অন্যদিকে যারা প্রথম সুযোগেই মার্শম্যালোটি খেয়ে ফেলেছিলো তাদের জীবনে প্রাপ্তির…

Continue Readingদ্যা মার্শম্যালো টেস্ট

সহজে ব্যবহার করুন run কমান্ড

ক্যাচ ফাইল ক্লিনঅাপ,শর্টকাট সিস্টেম এবংঅপ্রয়োজনীয় কমান্ড ডিসিলেক্ট করতে অনেকসময় Run program এর দরকার হয়।কিন্তু অনেকে তাদের PC তে Run program খুজে পান না। Run program পেতে > Start Menu > Right Click করে Properties select করুন > Customized… > নিচের দিকে গিয়ে Run Command এ টিক দিয়ে OK দিন। এবার Start menu click করলেই Run Program পাবেন। না বুঝলে Start Menu তে গিয়ে Run লিখে Search দিলেও পেয়ে যাবেন। Run program এর কিছু কাজঃ১.Treeআপনার PC Ram Clean & Junk Redress করে।২.Recentআপনার recent use করা ফাইল গুলা দেখাবে। All select করে Delete করে দিন।৩.%Temp%আপনার Ram কে Clean & junk ফাইল গুলা Show করাবে। All select করে Delete করে দিন।৪.Msconfig:এখানে auto Start Setup করতে পারবেন। অপ্রয়োজনীয় Program গুলা Boot Menu থেকে সরিয়ে ফেলুন। তাছাড়াও আরো কিছু প্রয়োজনীয় Program অাছে। আরো কিছু Run Program Command:৫.Temp৬.Prefetch৭.chkdsk৮.Devemfmt.msc৯.gpedit১০.regitedএইগুলা সবসময় Use করা ঠিক না। PC Crash/windows Failed হতে পারে। তবে উপরের Command গুলা সহজে Use করতে পারবেন। অপ্রয়োজনীয় Run program মোছার উপায়ঃ১। Start/run-এ গিয়ে Regedit লিখে Enter চাপুন। ২। এখন HKEY_USERS.Default\Software\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Explorer\RunMRUঅপশনে যান। ৩। খেয়াল করুন, ডান পাশে রান কমান্ডের একটা তালিকা দেখা যাচ্ছে। ৪। এখান থেকে ভুল কমান্ড মুছতে কমান্ডটি নির্বাচন করে মাউসের ডানে ক্লিক দিয়ে delete দিতে হবে।

Continue Readingসহজে ব্যবহার করুন run কমান্ড

অ্যান্ড্রয়েড পরিচিতি

অ্যান্ড্রয়েড কি ? অ্যান্ড্রয়েড হলো একটি লিনাক্স বেসড ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। এটি সাধারনত স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, স্মার্ট ওয়াচ এ ব্যাবহার করা হয়। এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপ হয়েছে গুগলের আন্ডারে Open Handset Alliance (OHA) এর মাধ্যমে। Open Handset Alliance (OHA) হলো Google, HTC, Dell, Motorola, Sony, Samsung সহ ৮৪ টি কোম্পানির একটি সংঘ। অ্যান্ড্রয়েডে ব্যাবহার করা ল্যাংগুয়েজ ? অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট এর জন্য Java কে অফিসিয়াল ল্যাংগুয়েজ হিসেবে ব্যাবহার করা হয়। তবে এছাড়া আরো অনেক ল্যাংগুয়েজ ব্যাবহার করা যায়, যেমনঃ Kotlin, C++ , C# ইত্যাদি। অ্যান্ড্রয়েডের ইতিহাস অ্যান্ডি রুবিন নামক প্রকৌশলীর হাত ধরে ২০০৩ সালে অ্যান্ড্রয়েড তৈরী হয়। এরপর জুলাই ২০০৫ সালে, Google অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেট এর কাছ থেকে অ্যান্ড্রয়েড কিনে নেয়। ২০০৭ সালে Google অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে প্রকাশ করে। HTC Dream হলো অ্যান্ড্রয়েড চালিত 1st স্মার্টফোন যেটা অক্টোবর ২২, ২০০৮ এ বের করা হয়। অ্যান্ড্রয়েডের বৈশিষ্ট্য অ্যান্ড্রয়েড এর অনেক ইন্টারেস্টিং বৈশিষ্ট্য আছে যেটা এটাকে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম করেছে। এর এমন কিছু বৈশিষ্ট্য হলঃ ইউযার ইন্টারফেজঃ এটা খুব ইফেক্টিভ ইউযার ইন্টারফেজ এর সুবিধা প্রদান করে। কানেক্টিভিটিঃ অ্যান্ড্রয়েড অনেক কানেক্টিভিটি টেকনোলোজি সাপোর্ট করে, যেমনঃ GSM/EDGE, WiFi, Bluetooth, CDMA ইত্যাদি। স্টোরেজঃ SQLite খুবই Light Weight Database যেটা অ্যান্ড্রয়েডে ব্যাবহার করা হয়। মাল্টি টাস্কিংঃ অ্যান্ড্রয়েড মাল্টি টাস্কিং সুবিধা প্রদান করে। ফলে একি সাথে অনেকগুলো অ্যাপ্লিকেশন রান করা যায়।

Continue Readingঅ্যান্ড্রয়েড পরিচিতি

জাভাস্ক্রিপ্ট কেন শিখবো?

নতুন কিছু শেখার আগে, এটি কী এবং এটি মূলত কী করে তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। নতুন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ আয়ত্ত করার ক্ষেত্রে এটি অনেকটা কার্যকরী।এখন সহজ কথায়, জাভাস্ক্রিপ্ট একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যা ওয়েবসাইটকে ইন্টারেক্টিভ করতে ব্যবহৃত হয়। যদি আপনি কোনো ওয়েবসাইটের Basic Makeup সম্পর্কে চিন্তা করেন তবে HTML ওয়েবসাইটটির মূল Structure বা কাঠামো তৈরি করে এবং CSS ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তুকে আরো দৃষ্টিনন্দন এবং এই জাতীয় বিষয়গুলি নির্ধারণ করে। শুধু HTML এবং CSS এর সাহায্যে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। তবে সেটি দেখতে ভালো লাগলেও সত্যিকার অর্থে তেমন কিছু করেনা। এখানেই মূলত জাভাস্ক্রিপ্টের আসল মজা! জাভাস্ক্রিপ্ট ওয়েবসাইটকে ডায়নামিক করে তুলতে সাহায্য করে। যার ফলে ইউজার খুব স্বাচ্ছন্দ্যেই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করতে পারে, ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে। জাভাস্ক্রিপ্টের সাহায্যে অ্যানিমেশন, অডিও-ভিডিও প্লেয়িং করা এবং ইন্টারেক্টিভ ম্যাপ তৈরি করা যায় সহজেই।তবে আমাদের মনে হতেই পারে যে, জাভাস্ক্রিপ্টের আদৌ কতটুকু ডিমান্ড? এই বিষয়ে এটি জেনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে 1995 সালে তৈরি হওয়ার পরে, সারা বিশ্বে সর্বত্র এর ব্যবহার রয়েছে এবং এটি খুব শীঘ্রই পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।জাভাস্ক্রিপ্ট দিয়ে যদিও অনেক কিছুই করা যায়! তবে জাভাস্ক্রিপ্ট শেখার মূল কারণ হতে পারে, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট।এখন বলি, জাভাস্ক্রিপ্ট কেন এত জনপ্রিয় হয়েছিল, আর কিছু প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ রয়েছে এবং সেগুলি এত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে নি। জাভাস্ক্রিপ্ট খুবই সমৃদ্ধ। শুধুমাত্র জাভাস্ক্রিপ্ট জেনে, আপনি একটি সম্পূর্ণ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে সক্ষম! মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন? মোটেও প্যারা নেওয়ার কিছু না! জাভাস্ক্রিপ্টের প্রচুর ফ্রেমওয়ার্ক রয়েছে যেমন Angular, React.js, Vue.js এবং আরও অনেক কিছু, যার মাধ্যমে আমরা সহজেই তৈরি করতে পারবো অসাধারণ সব মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। ব্যাক-এন্ড এর জন্যেও আমাদের আলাদা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার দরকার নেই! আমরা কোনো ওয়েব অ্যাপ বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বা একটি সাধারণ ওয়েবসাইট তৈরি করা সবগুলির জন্য জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করতে পারি!তাহলে আর দেরি কেন?এবার জাভাস্ক্রিপ্ট নিয়ে সব কনফিউশন ঝেড়ে…

Continue Readingজাভাস্ক্রিপ্ট কেন শিখবো?

সস্তা পেনড্রাইভ এবং তার তিন অবস্থা

গান,ভিডিও ইত্যাদি শেয়ার এবং সংরক্ষণের অন্যতম জনপ্রিয় টুলস হলো পেনড্রাইভ।পিসি ইউজ করেন অথচ পেনড্রাইভ পছন্দসই নয় এমন ব্যক্তির দেখা পাওয়া ভার।তবে সমস্যাটা দেখা যায় যখন আসল পেনড্রাইভের বদলে রঙাচঙা এবং সস্তা পেনড্রাইভ কিনে নিজেদের প্রয়োজনীয় তথ্যবলী নষ্ট করে ফেলি।আসুন জেনে নিই কেনো সস্তা পেনড্রাইভ সহজে আপনাকে বিপাকে ফেলতে পারে। আপনি হয়তো কম মূল্যের বেশি স্টোরেজের একটি পেনড্রাইভ কম মূল্যে কিনে সাময়িকভাবে জিতে যেতে পারেন, তবে দীর্ঘমেয়াদী বিচারে পেনড্রাইভটি খুব বেশি সময় আপনাকে সাপোর্ট প্রদান করবে না।আকৃতিতে সব পেন ড্রাইভ ছোট হলেও পার্থক্য থাকে স্টোরেজ ক্ষমতায়। বর্তমানে পেন ড্রাইভ খুব সহজলভ্য এবং সস্তা। বাজারে অনেক সময় খুবই কম দামে বেশি স্টোরেজের পেন ড্রাইভ পাওয়া যায়। যেমন ৩২ জিবি পেন ড্রাইভ ৭০০ টাকারও কম দামে পাওয়া যায়। আর এক্ষেত্রে সাবধান। সস্তার পেন ড্রাইভ ব্যবহারের ফল হতে পারে হয়রানিমূলক।সস্তা পেন ড্রাইভ একটি সিঙেল চিপ ব্যবহার করে তৈরি হয়, যা একটি ফার্মওয়্যার পরিচালিত কমবাইন্ড চিপ। কম্পিউটার বা ল্যাপটপে অ্যাটাচ করলে এটি বেশি স্টোরেজ দেখালেও আদতে ততটা জায়গা এতে থাকে না।সত্যিটা বোঝা যায়, এসব পেন ড্রাইভে ডাটা কপি করতে গেলে। যে পরিমাণ স্টোরেজ থাকার কথা, ততটা ডাটা কপি হয় না সস্তার পেন ড্রাইভে।এ ছাড়া এসব পেন ড্রাইভ ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে লাগালে তা পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ পেন ড্রাইভ একটি শক্তিশালী সার্কিট রুম যেখানে ভোল্টেজ দ্বিগুণ হয় এবং কিছু ক্যাপাসিটর রয়েছে। পেন ড্রাইভের ৫ ভোল্ট ডিসি পাওয়ার সাপ্লাই পিসির ইউএসবি পোর্ট দিয়ে ইন্টারনাল সার্কিটের ভোল্টেজ দ্বিগুণ করে ফেলে এবং এই ভোল্টেজ ক্যাপাসিটরের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে।সস্তার পেন ড্রাইভের ক্যাপাসিটর এই ভোল্টেজ ধরে রাখতে পারে না। তাই সতর্ক থাকুন।

Continue Readingসস্তা পেনড্রাইভ এবং তার তিন অবস্থা

একটি ভুল, ১ঘন্টা সময় অতঃপর সমাধান

হ্যালো বন্ধুরা, আজ আপনাদের সথে Arduino এর খুবই সাধারন একটি ভুল কিন্তু খুবই মারাত্মক ভুল নিয়ে আলোচনা করবো। এ ভুল যে আপনি ও করবেন তেমন নাহ্। কিন্তু মনের অজান্তেই এ ভুল হতে পারে। যা আমি করছি। তাই মনে হলো আপনাদের সাথে এ ব্যাপারটা শেয়ার করি। মাঝে মাঝে কাজ করতে গেলে দেখা যায় খুব সিম্পল কোন ভুলের কারনে আমাদের প্রোজেক্ট আর Run হয় না। সেই ভুলটি কোথায় তা খুঁজতে খুঁজতে মোটামুটি ভালোই একটা সময় নষ্ট হয়। আর সেই প্রোজেক্টটি যদি কোন Complicated প্রোজেক্ট হয় তাহলে মাথার অবস্থা যে কি হবে তা আর নাই বা বলি। যারা এ সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন তারাই ভালো জানেন। লিখে বা বলে এ ধারনা দেয়ার ক্ষমতা কারো নেই। আজ আমি একটা সিম্পল কোড দিয়ে কয়েকটি বিভিন্ন Motor driver এ আমার মোটরগুলো চালাতে চেষ্টা করি। সমস্যা তখনই হয় যখন দেখি মোটরের কানেকশন থেকে শুরু করে কোড, সব ঠিকাছে কিন্তু Arduino কে Touch না করলে মোটর ঘুরছে না। কোন ভাবেই সমস্যা খুঁজে বের করতে পারছিলাম না সমস্যা কোথায়। ১ঘন্টা চলে গেল। নাহ্, কোনভাবেই হিসেব মিলাতে পারছিলাম না। বারবার হাত দিয়ে ধরে রেখে রেখে Run করে দেখছিলাম কোডের শর্ত গুলোর সাথে মিলে কিনা। হঠাৎ কোন এক পিনের সরু মাথা হাতের আঙ্গুলে আঘাত লাগলো। তখনই হিসাব মিলল। খেয়াল করে দেখলাম আমার শরীরের মধ্যে Ground নামক একটা ব্যাপার থাকে। সাথে সাথে Arduino এর পাওয়ার পিনে (+5v,GND,GND) খেয়াল করলাম। কোন Input ই নেই। Arduino pin out (Image from google) বাহ্, বেশ সুন্দর কাজ করেছি দেখলাম। এমন ভুলও যে হতে পারে মাথায় ছিল না। এ ভুল হওয়ার পিছনে মূল কারন ছিল আমি Arduino কে Cable দিয়ে Laptop থেকে পাওয়ার দিচ্ছিলাম। আমার মাথায় কাজ করছিলো Arduino তো কানেক্টেড, পাওয়ার আছে। তাই Ground এর ব্যাপারটা মাথায় ছিলো…

Continue Readingএকটি ভুল, ১ঘন্টা সময় অতঃপর সমাধান

বাবল সর্টিং

সর্টিং মানে কোনো কিছু সাজানো। ধর তোমার কাছে কিছু সংখ্যা দেওয়া হল এবং বলা হল তোমাকে ছোট থেকে বড় সাজাতে হবে। এই সাজানোর প্রকৃয়াকেই বলে সর্টিং। বাবলে সর্টিং হল সর্টিং অ্যালগরিদম এর মধ্যে সব থেকে সহজ এবং মজার। ধর তোমাকে কিছু সংখ্যা দিলাম। ৫,৬,১,৩,২। তোমার কাজ হল সংখ্যাগুলোকে ছোট থেকে বড় সাজানো। তো কাজ শুরু করা যাক। প্রথম ধাপঃ (৫,৪,১,৩,২) ->(৪,৫,১,৩,২) - প্রথম দুইটি সংখ্যার মধ্যে ৪<৫ তাই তারা স্থান পরিবর্তন করল। (৪,৫,১,৩,২)->(৪,১,৫,৩,২) - ১<৫ তাই তারা স্থান পরিবর্তন করে (৪,১,৫,৩,২)->(৪,১,৩,৫,২)- ৩<৫ তাই তারা স্থান পরিবর্তন করে (৪,১,৩,৫,২)->(৪,১,৩,২,৫) - ২<৫ তাই তারা স্থান পরিবর্তন করে প্রথম ধাপ শেষে আমরা পেলাম ৪,১,৩,২,৫ । খেয়াল কর সবথেকে বড় সংখ্যা ৫ কিন্তু সবার শেষে চলে গিয়েছে। দ্বিতীয় ধাপঃ (৪,১,৩,২,৫)->(১,৪,৩,২,৫) - ১<৪ তাই তারা স্থান পরিবর্তন করে (১,৪,৩,২,৫)->(১,৩,৪,২,৫) - ৩<৪ তাই তারা স্থান পরিবর্তন করে (১,৩,৪,২,৫)->(১,৩,২,৪,৫) - ২<৪ তাই তারা স্থান পরিবর্তন করে (১,৩,২,৪,৫)->(১,৩,২,৪,৫) - এখানে আর পরিবর্তন হবে না । কারণ ৪<৫ এই ধাপ শেষে আমরা পেলাম ১,৩,২,৪,৫। এখানে ১ সবথেকে ছোট। ১ প্রথমে আছে। ৪,৫ যথাস্থানে আছে। তৃতীর ধাপঃ (১,৩,২,৪,৫)->(১,৩,২,৪,৫) - ১<৩ তাই তারা স্থান পরিবর্তন করে নাই (১,৩,২,৪,৫)->(১,২,৩,৪,৫) -২<৩ তাই তারা স্থান পরিবর্তন করে। আমরা পেলাম ১,২,৩,৪,৫। আমাদের সংখ্যাগুলো সাজানো শেষ। তো সর্টিং অ্যালগরিদম কিভাবে কাজ করলো? এটি মুলত একটি অ্যাারেতে পর পর দুটি ক্যারেকটারের মধ্যে তুলনা করে এবং সেই অনুযায়ী তাদের স্থান নির্ধারণ করে। https://www.hackerearth.com/practice/algorithms/sorting/bubble-sort/visualize/ আরো ভাল ভাবে বুঝতে চাইলে এই লিংক দেখতে পার।

Continue Readingবাবল সর্টিং

বিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-3)

হ্যালো বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আজ চলে এলাম ৩য় পর্ব নিয়ে। আজকের পর্বের রোবটটি হলো Heavy load নিয়ে কাজ করতে পারে এমন একটি রোবট। তো চলুন জেনে নিই এ রোবটটি নিয়ে। আসলে জাপান এত এত ধরনের রোবট তৈরী করে যে তাদের এই Industry নিয়েই কয়েক শত পৃষ্টার বই লেখা সম্ভব। কি নেই তাদের? Astronaut Robot থেকে শুরু করে Rescue Robot, Social Robot, Industrial Robot সবই আছে। কিন্তু আমাদের এই সিরিজের লক্ষ্য হল Most Advance Robot গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ৯টি Robot সম্পর্কে জানা। তাই আর সেই বই লেখার দিকে বরং না যাই। আপনাদের উৎসাহ পেলে হয়তোবা কোন দিন সেই বই লেখা শুরু করবো। Official Picture of HRP-5P Humanoid Robotics Project (HRP-5P) রোবটটি তৈরী করে জাপানের National Institute of Advance Industrial Science &Technology (AIST). HRP-5P রোবটটি তৈরী করার মূল উদ্দেশ্য ছিলো এমন পরিবেশে এ রোবটটি কাজ করতে পারবে যে পরিবেশ মানুষের পক্ষে কাজ করা বিপদজনক এবং অনেক ভারী কাজ। জাপানের মানুষদের মধ্যে জন্মহার দিন দিন কমে যাচ্ছে ও তার ফলে ভবিষ্যৎ এর Heavy Labor মার্কেট কর্মী সংকটে ভুগতে পারে বলে মনে করে AIST ও জাপানের Intelligent System Research Institute মিলে ঠিক করলো এমন একটি রোবট বানাবে যা ভারী কাজও করতে পারবে সেই সাথে বিপদজনক পরিবেশে তার কাছে হুমকি স্বরুপ মনে হবে না। তখন তারা HRP প্রোজেক্টের কাজ শুরু করলো।HRP-1 বাজারে আসে ১৯৯৭ সালে। তারপর থেকে তাদের ক্রমাগত চেষ্টা চলছিলো কিভাবে তারা HRP সিরিজের উন্নতি করতে পারে। যার সর্বশেষ সংযোজন ২০১৮ সালে HRP-5P। HRP সিরিজের HRP-2 ছিলো হাল্কা ওজনের Bipedal রোবট হাঁটতে পারে, শুয়ে যেতে পারে এমনকি অত্যন্ত চিকন রাস্তা দিয়েও যেতে পারে। HRP-3 ছিলো পিচ্ছিল রাস্তায় হেঁটে ভারী কাজ করতে পারে পারে এমন রোবট। HRP-4 ছিলো Unbalance place (উঁচু নিচু স্থান) এ কাজ…

Continue Readingবিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-3)

হ্যাকিং জিনিসটা কি?

আমরা প্রায় শুনে থাকি,  "আমার ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক হইছে বা হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করেছে কেউ।” “অমুকের একাউন্ট হ্যাক করে কেউ সব টাকা নিয়ে নিয়েছে।” এই ধরনের কথা।  আমরা যত ডিজিটাল হচ্ছি ততই বিভিন্ন ধরনের হ্যাকিং সংক্রান্ত ব্যাপার দেখতে পাচ্ছি। ডিজিটাল জগতে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জানতে হবে সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে। জানতে হবে হ্যাকিং সম্পর্কে। কিন্তু হ্যাকিং কী? কারা হ্যাকার? কীভাবে আসলে তারা হ্যাক করে? এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। সেগুলো নিয়েই আজকে কথা বলবো। হ্যাকিং আসলে কী?  কোন ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া যদি অন্য কোন ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে বা নেটওয়ার্কে বা কম্পিউটারে প্রবেশ করে সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গ্রহণ করা, মুছে ফেলা বা এমন কোনভাবে পরিবর্তন করা যা ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকারক হয়, তাহলে তাকে হ্যাকিং বলা হয়। এমনকি আপনি যেসব ক্র্যাক সফটওয়ার ব্যবহার করেন তা এই হাকিং এর দৌলতেই। হ্যাকিং এর মাধ্যমে কি করা যায়?  কার ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, অনলাইন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরি করা, একাউন্ট জিম্মি করে ব্ল্যাকমেইল, ভাইরাস বা কোন ক্ষতিকর প্রোগ্রামের মাধ্যমে আক্রমণ এই সব কিছুই হ্যাকিং এর মাধ্যমে করা সম্ভব। পিসি, মোবাইল ফোন, গাড়ি ট্র্যাকিং, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স ও  ডিজিটাল যন্ত্র সবকিছুকেই হ্যাকিং এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।  হ্যাকাররা সাধারণত বিভিন্ন নেটওয়ার্ক, ওয়েবসাইট বা ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের ত্রুটি বের করে সেই ত্রুটির ওপর ভিত্তি করেই হ্যাক করে। হ্যাকিং এর শুরু: গত শতাব্দীর পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে মূলতঃ ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউড অফ টেকনোলজি (MIT) এর কিছু শিক্ষার্থী তাদের মেধার সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য গঠন করে বিশেষ একটি দল, যারা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের তুলনায় চিন্তা ও দক্ষতায় অনেক এগিয়ে। যেকোনো প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধানের জন্য MIT এর এই দলই শেষ ভরসা। এই দলেরই প্রত্যেক সদস্যকে বলা হত হ্যাকার। ধীরে ধীরে কম্পিটারের ব্যবহার বেড়ে যায় বহুগুণে। বর্তমান সময়ের হ্যাকিং এর যে ধারা তারও বীজ…

Continue Readingহ্যাকিং জিনিসটা কি?

BCI এবং এর ভবিষ্যৎ

BCI এই প্রযুক্তির সাথে আমরা অনেকে পরিচিত নই।  BCI এর পূর্ণরূপ হল Brain Computer Interface। এর নাম থেকে এই প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা করা যাচ্ছে। এই প্রযুক্তির সহায়তায় মানুষের ব্রেইনের সাথে Computer এর যোগাযোগ স্থাপন করা হই। ভাবতেই কেমন জানি অবাক লাগে তাই না? আমরা জানি আমাদের ব্রেইনে অসংখ্য (প্রায় ৮৫ বিলিয়ন) নিউরন আছে।  এই নিউরন নিজেদের মধে্য সিন্যাপ্স এর মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারে।যোগাযোগ করার জন্য তারা একধরণের ইলেক্ট্রিক্যাল সিগনাল ব্যবহার করে যাকে Action Potential বলে। এই Action Potential এক ধরণের Electric Field তৈরি করে যা আমরা মাথার উপর কিছু ইলেকট্রোড স্থাপন করে রিড করতে পারি। এটি সাধারণত EEG (electroencephalography) দ্বারা করা হয়। এই রিডকৃত ডাটা কম্পিউটারে পাঠানো হয় যা আমরা আউটপুট হিসেবে দেখি। এটি হল BCI এর মোটামুটি একটি বেসিক ধারণা BCI এইভাবে কাজ করে। যদিও বিষয়টা অতটা সহজ নয়। আমাদের যতসব চিন্তা-ভাবনা , কাজকর্ম, স্মৃতি, আবেগ সবকিছু ব্রেইনের নিউরন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই BCI দিয়ে কি করা যায় তা কল্পনার ও বাইরে। আমি এখন আলোচনা করব BCI দিয়ে ভবিষ্যৎ এ কি করা সম্ভব হবে। টেলিপ্যাথিক ইন্টারনেট  :                        টেলিপ্যাথি সম্পর্কে হয়তো  অনেকে জান। টেলিপ্যাথি মানে হল কোন ইন্দ্রিয় ব্যবহার না করে মনে মনে অনে্যর সাথে যোগাযোগ করা। এই টেলিপ্যাথি যোগাযোগ BCI এবং CBI দ্বারা করা সম্ভব। CBI হল Computer Brain Interface অর্থাৎ BCI এর উল্টো। এইখানে TMS (transcranial magnetic stimulation) ব্যবহার করে Computer কোন word আমাদের ব্রেইনে রাইট (write) করে এবং word টি কি তখন আমরা বুঝতে পারি। কোন একটি word এর জন্য ব্রেইনে যে frequency তৈরি হয় TMS টিক সে frequency তৈরি করে যার জন্য word টি আমরা বুঝতে পারি। তাহলে BCI ও CBI দ্বারা টেলিপ্যাথি যোগাযোগ কিভাবে করা যাবে বুঝতেই পারতেস, BCI দ্বারা কারো ব্রেইন থেকে word রিড (read)…

Continue ReadingBCI এবং এর ভবিষ্যৎ

ফাইল এক্সটেনশনের আদ্যপ্রান্ত

ফাইল এক্সটেনশন কিঃ ফাইল এক্সটেনশন কি জানার আগে আমাদের জানতে হবে এক্সটেনশন এর মানে কি দ্বারায় । এক্সটেনশন এর বাংলা করলে প্রসার,বিস্তার,সংযোজিত অংশ ইত্যাদি পাওয়া যায়। এই থেকে আমরা বলতে পারি ফাইল এক্সটেনশন হলো কিছু ফাইলের সাথে থাকা সংযোজিত একটা অংশ । ফাইল এক্সটেনশন হলো ফাইলের শেষে থাকা কিছু সংযোজিত অংশ যা ফাইল টি ধরনের তা নির্দেশ করে থাকে এবং ফাইল এক্সটেনশন দেখে ফাইল চেনা যায় ।ফাইল এক্সটেনশন সাধারণত এক থেকে বিশ অক্ষরের মধ্যে হতে পারে ।সহজ করে বললে আমাদের সবার ই যেমন একটা বংশ গত পদবি আছে সেটা হতে পারে হাসান,হোসেন,খান,চৌধুরি ইত্যাদি যখন কারো নামের শেষে থাকে খান তাহলে আমরা বুঝি খান বংশের লোক এ যেমন নাসিম খান একটি নাম এই নামের শেষের অংশ দেখে বুঝতে পারছি এটা খান বংশের । ঠিক তেমন করেই আমরা ফাইল এর শেষে অংশ দেখে বুঝে নিতে পারি এটি কি ধরনের ফাইল এটা কোথায় কাজে লাগানো যাবে এর কাজ কি ?ফাইল কান্ড-কারখানাঃ আমরা তো অনেকেই বিভিন্ন ধরনের ফাইল ব্যবহার করেছি তাই না? অডিও,ভিডিও,পিডিএফ ইত্যাদি ইত্যাদি কখনো কি খেয়াল করে দেখছি এই ফাইলের শেষে .mp3 , .mp4 , .pdf সহ আরো অনেক ধরনের ফাইল দেখি ? এই রকম থাকার কারণ কি কেন এক হলো না ? কেননা এসব ফাইল অপারেটিং সিস্টেম কে একেক ধরনের অর্থ বুঝায় যদি সব এক হতো তাহলে বুঝত না যে কোনটা কি করতে হবে অর্থাৎ ফাইল এক্সটেনশন অপারেটিং সিস্টেম কে বুঝায় যে ফাইল টি কোন সফটওয়্যার দ্বারা ওপেন হবে ।কখন ভেবেছি কি কম্পিউটারে বা মোবাইলে কোন ভিডিও ওপেন করলে সেটা ভিডিও প্লেয়ার দিয়েই কেন ওপেন হয় অডিও প্লেয়ার দিয়ে কেন হয় না ? কারণ অপারেটিং সিস্টেম ফাইলের এক্সটেনশন দেখেই বুঝে যায় ফাইল টি কি ধরনের আর কি দিয়ে ওপেন হবে । ফাইলের…

Continue Readingফাইল এক্সটেনশনের আদ্যপ্রান্ত

HDD,SSD নাকি SSHD? কোনটা নিব?

নতুন ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ নিতে যাচ্ছেন। কিন্তু HDD নিবো নাকি SSD নিবো নাকি SSHD নিবো এ নিয়ে চিন্তাই আছেন ?🤔🤔  এগুলো আসলে কী বা এগুলোর সুবিধা অসুবিধা কী অথবা কোনটি ভালো হবে এটাই এখনও জানেননা। তাহলে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা যাক। HDD/SSD/SSHD এগুলো কী? :- এগুলো হচ্ছে স্টোরেজ ডিভাইস। যেখানে কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণ করে রাখা হয়। ১/ HDD (Hard Disk Drive): হার্ড ড্রাইভ স্টোরেজ ডিভাইস যা অনেক আগে থেকেই ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপে ব্যবহার হয়ে আসছে। HDD একটি মেকানিক্যাল ডিভাইস মানে এটাতে মুভিং বার্ড থাকে। HDD এর ভিতরে ডিভিডির মত একটি প্লেট থাকে যেটা খুবই স্পীডে ঘুরতে থাকে। HDD এর স্পীড সাধারণত 5400rpm থেকে 7200rpm পর্যন্ত হয়ে থাকে। অর্থাৎ মিনিটে  ৫৪০০ থেকে ৭২০০ বার ঘুরতে পারে যত rpm বেশি হবে তত স্পীডে ঘুরবে এবং সেই হিসেবে ডাটা ট্রান্সফার করবে। সুবিধা: আপনার খরচ কম পড়বে।কম খরচে বড় ক্যাপাসিটি পাবেন। যেমন, 1TB,2TB,5TB,10TB ইত্যাদি।এটা খুব সহজেই পাওয়া যায়। যে কোন ছোট-খাটো মার্কেটে গেলেই পাওয়া যাবে। অসুবিধা: HDD (হার্ড ড্রাইভ) এর লাইফ টাইম কম। এটা এটা আপনার ব্যবহারেরর উপর নির্ভর করে সাধারণত ৪-৫ বছর পরপর চেন্জ করতে হয়। তারপর এটা ডেমেজ হতে পারে, কাট হতে পারে, ফেইলড হতে পারে।আপনার ল্যাপটপ হাত থেকে পড়ে গেলে বা কোনো সামান্য আঘাত পেলে এটি কাট হতে পারে, ফেইলড হতে পারে এবং আপনার যে ডাটা আছে সেগুলো নষ্ট হতে পারে।স্পীড অনেক কম পাওয়া যায়, আপনি খুব বেশি স্পীডে কাজ করতে পারবেন না।এটা বেশি পাওয়ার ইউজ করে।  ২/SSD (Solid State Drive): নাম থেকে বোঝা যাচ্ছে এটা সলিড, মানে এটাতে কোন মুভিং বার্ড নেই। এটি একটি ফ্লাশবেজ স্টোরেজ অর্থাৎ রেম এর মতো ফ্লাশের সাহায্যে এই স্টোরেজকে বানানো হয়ে থাকে। ফ্লাশ মেমোরি সম্পর্কে বিস্তারিত লিংকে পাবেন:https://en.m.wikipedia.org/wiki/Flash_memory সুবিধা: এটার স্পীড একটা সাধারণ HDD এর থেকে…

Continue ReadingHDD,SSD নাকি SSHD? কোনটা নিব?

বিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-2)

বন্ধুরা, আজ চলে এসেছি ২য় পর্ব নিয়ে। আজ আমরা জানবো ''Boston Dynamics'' এর রোবট ''SPOT'' সম্পর্কে। SPOT For the price of a luxury car, you can now get a very smart, very capable, very yellow robotic dog - Evan Ackerman. ''Boston Dynamics'' মূলত বেশি পরিচিত ছিলো তাদের ''Big-dog'' রোবট কে দিয়ে যা US মিলিটারির জন্য তৈরী করেছিলো। এই কোম্পানির মূল লক্ষ্য ছিলো এমন রোবট তৈরী করা যা দেখে জীবন্ত মনে হবে, যা Heavy Load বহন করতে পারবে এবং যে রোবট মানুষকে অনুসরন করতে পারবে। তবে তাদের রোবট ছিলো মিলিটারির জন্য বিশেষভাবে তৈরী রোবট। MIT র সাবেক প্রফেসর Mark Robert ১৯৯২ সালে এই American কোম্পানি প্রতিষ্টা করে MIT এর Leg lab এ । বর্তমান সময় রোবটিক্স ইন্ডাস্ট্রির Rock-star মানা হয় এই কোম্পানিকে। গুগল বিশ্বে যতসব নতুন নতুন বিষয় আছে সবকিছু নিয়েই কাজ করতে চায়। ২০১০ এর পর থেকে গুগল রোবটিক্স শিল্পের বিপ্লব দেখে অনেক রোবট কোম্পানিকেই কিনে নেয়। সেই সুবাধে ২০১৩ সালে গুগল কিনে নেয় ''Boston Dynamics'' কে। কিন্তু যখন দেখলো তাদের পথ আর ''Boston Dynamics'' এর পথ আলাদা তখন তারা বিক্রি করে দেয় জাপানের Softbank কোম্পানির কাছে। (Fun Fact: Softbank এর প্রতিষ্টাতা কে জাপানের বিল গেটস বলা হয়) পথ আলাদা? ব্যাপারটা কি? চলুন জেনে নিই। Boston Dynamics এর এই কেনাবেচার সময়ে কিন্তু কোন কন্ট্রাক্টে US মিলিটারির জন্য বিশেষ ভাবে রোবট তৈরী করার ব্যাপারটা বাদ যায় নি। আর এ ব্যাপারটাই গুগল হিমশিম খেয়ে যাচ্ছিলো Boston Dynamics কে নিয়ে কেননা তাদের রোবটিক্স টিমের অন্যতম প্রধান Rubin গুগল ছেড়ে যায়। আর তখন এ ধাক্কা সামলাতে না পেরে Google X বিক্রি করে দেয় Softbank এর কাছে। Boston Dynamics ২০০৯ সালে ''Future of Robotics'' নামে প্রকল্পের কাজ শুরু করে। SPOT সর্বপ্রথম Publicly প্রদর্শন করা হয় ২০১৬…

Continue Readingবিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-2)

বিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-1)

হ্যালো বন্ধুরা। বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে মানুষের কাজ সহজ করে দিতে পারে এমন একটি বিষয় হলো রোবট। সাধারণত রোবট বলতে বোঝানো হয় এমন এক ধরনের মেশিন যা দ্বারা এক বা একাধিক কাজ একসাথে সম্পন্ন করা যায় নিখুঁতভাবে এবং এটি Programmable। আমরা এই সিরিজের মাধ্যমে জানবো বিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট সম্পর্কে। যেসব রোবটগুলো Humanoid, Industrial & service রোবট যারা সমস্ত বিশ্ব পরিবর্তন করে দিচ্ছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স(AI) এর মাধ্যমে। এদের কোন কোনটি পানিতে, কোনটি আকাশে, কোনটি আগুনে কাজ করতে দক্ষ। আমাদের সিরিজ ৯টি ভাগে বিভক্ত থাকবে। যার প্রতিটি ভাগে আলোচনা করা হবে এক একটি রোবট সম্পর্কে। আজ সিরিজের প্রথম পর্ব। রোবটগুলো হলঃ DIGIT SPOT HRP-5R PEPPERATLASSTUNTRONIC ROBOT AQ UANAUTSURENA(IV) HANDLE চলুন শুরু করা যাক প্রথম রোবট "DIGIT" কে নিয়ে।DIGIT সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের প্রথমে জানতে হবে এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পর্কে। Agility Robotics নামক একটি কোম্পানি প্রথম তাদের রোবট "ATRIAS" আনে 2015 সালে। Agility Robotics এর লক্ষ্য ছিল, তারা এমন কোন রোবট বানাবে যা মানুষ যে জায়গায় যেতে পারে ওই জায়গায় যেতে পারে এবং মানুষের সকল কাজ করতে পারে। Agility Robotics এর প্রথম রোবট ছিল "ATRIAS" এরপর তারা ২০১৫ সালে বাজারে আনে "CASSIE"। এবং তাদের সর্বশেষ আপডেট হল "DIGIT"। ATRIAS in ORANGE UNIVERSITY Lab. ATRIAS সম্পর্কে জানলে জানা হয়ে যাবে CASSIE সম্পর্কে আর CASSIE সম্পর্কে জানলে জানা হয়ে যাবে DIGIT সম্পর্কে। এই রোবট গুলো মূলত Update version যা Agility Robotics ধাপে ধাপে বাজারে এনেছে। Atrias বা Cassie কারোরই হাত ছিল না এরা মূলত পা দিয়ে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে পারত সাধারণ মানুষেরা যেভাবে যায়। কিন্তু Digit এর পায়ের সাথে সাথে হাতও ছিল, যা একে দিয়েছিলো নতুন নতুন কাজ করার সুবিধা।Atrias ছিলো মূলত Orange University এর project. মজার ব্যাপার হলো আরো ২টি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত…

Continue Readingবিশ্বের নয়টি এডভান্স রোবট (Part-1)

Complexity Analysis

আবুল এবং কাবুল ২ বন্ধু কম্পিউটার সায়েন্স এর স্টুডেন্ট। তো একদিন হলো কি তাদের শিক্ষক মিস্টার বাবুল সাহেব তাদের দুই জন কে ডেকে বলল যে তাদের দুই জনকে পৃথক পৃথক ভাবে একটি প্রোগ্রাম লিখে আনতে হবে যেটি কিনা কোন সংখ্যার বর্গ বের করে দিবে। তো তারা বাড়িতে গিয়ে নিজেদের চুল ছিড়ে ,অনেক কষ্টের ফলে,অনেক মাথা ঘামিয়ে দুইজন দুই রকমের প্রোগ্রাম লিখে ফেলল। আবুলের প্রোগ্রামের অ্যালগরিদমটা ছিল এমন-for i=1 to n do n = n+n//যখন লুপ থেকে বের হবে তখন সেই ইনপুট দেয়া সংখ্যাটির বর্গ পাওয়া যাবে।return n; এদিকে কাবুল একটু চালাক টাইপের ছেলে । সে করল কি প্রোগ্রাম টা একটু অন্যভাবে লিখে ফেলল। তার প্রোগ্রাম এর অ্যালগরিদম ছিল এরকম-/*ইনপুট হিসেবে নেয়া সংখ্যাটাকে দুই বার গুন করলেই তো বর্গ পাওয়া যাবে। তাই সে শুধু সংখ্যা দুই টাকে গুন করে যা পাওয়া যাবে তাকেই return করল।*\return n*n; আচ্ছা এখন প্রশ্ন হলো আমরা কেন একটা কাজ কম্পিউটারকে দিয়ে করাই? উত্তরটা খুব সহজ। কম্পিউটার মানুষের থেকে খুব তাড়াতাড়ি সেই কাজটা করতে পারে। আমদের যদি এক লক্ষ সংখ্যা যোগ করতে দেয়া হয়, তাহলে আমাদের হয়তো কয়েকদিন লেগে যেতে পারে কিন্তু কম্পিটার সেটা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই করে দিতে পারে। সুতরাং আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ফ্যাক্টরটা হলো “সময়”। আবার এ ক্ষেত্রে আর একটি ফ্যাক্টর গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করে । সেটি হলো মেমোরি বা স্পেস। সুতরাং একজন প্রোগ্রামারের স্বার্থকতা হলো সে কত দ্রুততার সাথে সবচেয়ে কম মেমোরি অপচয় করে প্রোগ্রামটি রান করতে পারে। আর এখানেই চলে আসে টাইম এবং স্পেস কমপ্লেক্সিটির কনসেপ্টটি । তো টাইম ও স্পেস কমপ্লেক্সিটি পরিমাপ করার জন্য বিভিন্ন গাণিতিক ফাংশন আছে । তবে আমরা সব ধরনের জটিলতা উপেক্ষা করে এখানে শুধু মাত্র বিগ-ও (O) ফাংশন নিয়েই আলোচনা করব। আচ্ছা এখন আমরা ছোট্ট একটা অ্যালগরিদম লিখে…

Continue ReadingComplexity Analysis

লিনাক্স বান্ধব দেশ গড়ি

অনেকের মুখেই শুনেছি 'লিনাক্স ' শব্দ টা। ইন্টারনেটেও অনেক জায়গাতেই এই নাম টা দেখতে পাওয়া যায়। কেউ বলে এটা একটা সফটওয়্যার , কেউ বা বলে অপারেটিং সিস্টেম , আবার কেউ বা বলে নতুন কোনো গেইম হয়ত। অনেকের মধ্যেই এমন জল্পনা কল্পনার আভাস পাওয়া যায়। লিনাক্স আসলে কি? কি হয় এইটা দিয়ে? .. এরকম আরও অনেক প্রশ্নই আমাদের মাথায় ঘুরপাক খায়। আবার কখনো কখনো মনে হয় কোনো একটি অপারেটিং সিস্টেম কিভাবে কাজ করে। লিনাক্স কি? লিনাক্স কি সেটা বলার আগে বলতে চাই অপারেটিং সিস্টেম বলতে কি বুঝায়। অপারেটিং সিস্টেম হলো এক ধরণের সিস্টেম সফটওয়্যার যা আমাদের মিনি কম্পিউটার, পার্সোনাল কম্পিউটার , সার্ভার কম্পিউটার থেকে সুপার কম্পিউটার পর্যন্তও ব্যবহৃত হয়। এই অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারটির কাজ টা আসলে কি। এই সফটওয়্যার টি আমাদের কম্পিউটার কে অপারেট করে। আমাদের কম্পিউটারের দেখতে পাওয়া অংশ গুলো হলো মনিটর, কিবোর্ড, সিপিইউ, প্রিন্টার ইত্যাদি। এই সবগুলো অংশের ভিতরেই রয়েছে ইলেক্ট্রনিক সার্কিট বা হার্ডওয়্যার। এই ইলেক্ট্রনিক হার্ডওয়্যার গুলো কিভাবে কি কি কাজ করবে তার নির্দেশনা গুলো অপারেটিং সিস্টেমে দেওয়া থাকে। সোজা কথায় এই হার্ডওয়্যার গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার এ দেওয়া থাকে।এ রকম কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেম এর নাম হলোঃ মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ম্যাক ওএস, এন্ড্রোয়েড, উবুন্টু (লিনাক্স), আর্চ (লিনাক্স), ইউনিক্স ইত্যাদি।অপারেটিং সিস্টেমকে (Operating System) সংক্ষেপে ওএস (OS) বলা হয়। প্রথমত বলতে চাই লিনাক্স আসলে কোনো অপারেটিং সিস্টেম এর নাম নয়। মানে??? লিনাক্স তাহলে কিসের নাম। হ্যাঁ, লিনাক্স হচ্ছে 'কার্নেল' এর নাম। আর কার্নেল হচ্ছে এক ধরেন সফটওয়্যার প্যাকেজ । যে সফটওয়্যার টি অপারেটিং সফটওয়্যার এর সাথে হার্ডওয়্যার এর সংযোগ স্থাপন করে। মানে হচ্ছে কার্নেল একধরণের ব্রিজ বা হাব এর মত কাজ করে। একটু যদি পরিষ্কার করে বলতেন! আচ্ছা বুঝিয়ে বলতেছি। সর্বপ্রথম 'লিনাস টরভাল্ডস' নামের একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার যিনি ইউনিক্স…

Continue Readingলিনাক্স বান্ধব দেশ গড়ি

Compiler এবং IDE

প্রোগ্রামিং শুরু করতে প্রথমেই জানতে হবে Compiler এবং IDE এর পরিচিতি। Compiler এবং IDE দুইটা আলাদা জিনিস। প্রোগ্রামিং করছেন এমন অনেক মানুষই আছে যারা এ দুটোর পার্থক্য জানেনা। আজকে আমরা এটি নিয়েই কথা বলবো। Compiler কি? Compiler আমাদের লেখা প্রোগ্রামকে (source code) মেশিন কোডে কনভার্ট করে। অর্থাৎ, কম্পাইলার আমাদের কোড পুরোটা আগে চেক করে কোনো ভুল আছে কি না। ভুল থাকলে এরর দেখায় এবং কোড কাজ করে না। আর ভুল না থাকলে মেশিনকোডে ট্রান্সলেট করে। মেশিনকোড আসলে কম্পিউটারের মাতৃ ভাষা। যেখানে 0 এবং 1 ছাড়া আর কিছুই নেই। IDE কি? IDE এর পূর্ণরূপ Integrated Development Environment.কোড লেখার জন্য আমাদের একটা টেক্সট এডিটর প্রয়োজন আর প্রয়োজন একটি কম্পাইলার। IDE তে টেক্সট এডিটর আর কমপক্ষে একটা কম্পাইলার থাকে। এটা একটা কম্পিলিট টুলস, যেটা দিয়ে আমরা আমাদের কোড লেখা বা কোডকে এডিট, সেভ, ডিবাগ, জেনারেট, ইন্টিগ্রেট করতে পারি। এক কথায় IDE হল একটি সফটওয়্যার, যেখানে কোড লিখা হয়, কম্পাইল করা হয় এবং এক্সিকিউট করা হয়।IDE তে কোড লেখার সময় কোড অটো কমপ্লিশন সাজেশন দেয়া থাকে। ফলে কোড লেখা আরো সহজসাধ্য করতে IDE। এছাড়া কোডে ভুল থাকলে IDE সেটা চিহ্নিত করে দেয় এবং Debugging ও করতে পারে। সহজ কথায় IDE আমাদেরকে প্রোগ্রামিং করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ধরনের Environment তৈরি করে দেয়। তাই এর নাম Integrated Development Environment । সি প্রোগ্রামিং শেখা বা কোডিং প্র্যাকটিস করার জন্য বেশ অনেক রকমের কম্পিউটার সফটওয়্যার (IDE) এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে। এছাড়া অনলাইনেও যে কোন ব্রাউজার ওপেন করে সেখানে কোডিং করতে পারবে। সেক্ষেত্রে শুধু তোমার নেট কানেকশন থাকলেই চলবে। তবে কোন একটি IDE ইন্সটল করে সেখানে কোড করার সুবিধা বেশি। এতে অফলাইনে কোডিং করতে পারবে। কম্পিউটারে সি কম্পাইলার / IDE ইনস্টল করাসি প্রোগ্রামিং করার জন্য Code Blocks, Visual Studio Code…

Continue ReadingCompiler এবং IDE