ল্যাপটপের ব্যাটারি সাইকেল কিভাবে দেখবেন?

ল্যাপটপে চার্জ না থাকাটা ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের একটি সাধারণ সমস্যা। নতুন ল্যাপটপ কেনার কয়েক মাসের মধ্যে আর আগের মতো চার্জ থাকে না। দেখা যায় যত বেশী ল্যাপটপ ব্যবহার করা হয়, ব্যাটারির পারফরমেন্সও আস্তে আস্তে ততো কমতে থাকে। ব্যাটারি সাইকেলের মাধ্যমে আমরা জানতে পারবো কি পরিমাণ ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাটারি সাইকেল কি? ব্যাটারির চার্জ একবার ১০০% থেকে ০% এ নেমে আসলে এক ব্যাটারী সাইকেল সম্পন্ন হয়। কিন্তু এমনটা বেশীরভাগ সময় হয় না। উদাহরণস্বরুপঃ যদি ব্যাটারির চার্জ ১০০% থেকে ৫০% এ নেমে আসে এবং চার্জে লাগিয়ে আবার ১০০% এ আনা হয়। তারপর আবার যখন চার্জ ৫০% এ নেমে আসবে তখনও এক ব্যাটারি সাইকেল পূরণ হবে। ব্যাটারি কতটা ভালো আছে সেটা ব্যাটারি সাইকেল থেকে বোঝা যায়। ধাপসমুহঃ ল্যাপটপ স্টার্ট করতে হবে।Command Prompt ওপেন করার জন্য স্টার্ট বাটনে রাইট ক্লিক ( অথবা Win + X ) করতে হবে এবং Command Prompt বা Windows PowerShell সিলেক্ট করতে হবে।Command Prompt বা Windows PowerShell এ " powercfg /battery report " কমান্ডটি লিখতে হবে।এরপর " C:\Users\[USERNAME]\battery report.html " এই পাথটি অনুসরণ করে battery-report.html এ ডাবল ক্লিক করলে ডিফল্ট ব্রাউজারে রিপোর্ট ওপেন হবে। এখানে Installed batteries সেকশনে Design Capacity দ্বারা অরিজিনাল চার্জ ম্যাক্সিমাম বোঝায় ( যেটা ফ্যাক্টরি মেইড অবস্থায় থাকে )। আর Full Charge Capacity বলতে বোঝায় ল্যাপটপটি এখন কতো চার্জ ধরে রাখতে পারে। Cycle Count দ্বারা বোঝায় ব্যাটারিটি কতোবার চার্জ দেওয়া হয়েছে। বি.দ্রঃ এই পদ্ধতি শুধু Windows 10 এর জন্য প্রয়োগ করা যাবে।

Continue Readingল্যাপটপের ব্যাটারি সাইকেল কিভাবে দেখবেন?

হ্যাশিং অ্যালগরিদম (Hashing Algorithm)

মনে করেন আপনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল পাঠাতে চান। সেক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই নিশ্চিত থাকতে চাইবেন আপনার ফাইলটি যেন কোন রকম পরিবর্তন ছাড়াই গন্তব্য স্থানে যায়। আর এখানেই আসে হ্যাশিং অ্যাগরিদমের ব্যবহার। হ্যাশিং অ্যালগরিদম (Hashing Algorithm) কি? হ্যাশিং অ্যালগরিদম (Hashing Algorithm) হলো একটি ফাংশন যা নির্দিষ্ট ইনপুট গ্রহন করে একটা নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের আউটপুট জেনারেট করে যা হ্যাশ ভ্যালু নামে পরিচিত। এই হ্যাশ ভ্যালু ইনপুট ডাটা থেকে কম দৈর্ঘ্যের হয়। হ্যাশ ভ্যালু মুল ডাটার সামারি হিসেবে কাজ করে। একটি হ্যাশ ফাংশনকে One way function হিসেবে ডিজাইন করা হয়।ফলে হ্যাশ ভ্যালুকে কোনোভাবেই মুল ডাটাতে রুপান্তর করা যায় না। হ্যাশিং অ্যালগরিদমের ব্যবহার ফাইল শনাক্তকরণপাসওয়ার্ড স্টোরেজমেসেজ অথেনটিকেশন কোডস (MACs)নকল ফাইল নিশ্চিতকরণডিজিটাল সিগনেচারক্রিপ্টোকারেন্সি এছাড়া তথ্য প্রযুক্তিতে এর আরও ব্যপক ব্যবহার রয়েছে। হ্যাশিং অ্যালগরিদম এর বৈশিষ্ট্য যে কোন ডাটা থেকে দ্রুত হ্যাশ ভ্যালুতে পরিবর্তন করার ক্ষমতাহ্যাশ ভ্যালু থেকে কোনভাবেই মুল ডাটা পুনরুদ্ধার করা যায় নাকখনই দুটা ভিন্ন মেসেজের জন্য একই হ্যাশ ভ্যালু পাওয়া যাবে নামুল ডাটাতে একটা ক্ষুদ্র পরিবর্তনের জন্য হ্যাশ ভ্যালুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন আসবে। এটাকে avalanche effect বলে। হ্যাশিং অ্যালগরিদম ব্যবহার পদ্ধতি মনে করা যাক, আপনি আপনার বন্ধুর কাছে একটি ফাইল পাঠাবেন। ফাইলটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনি অবশ্যই নিশ্চিত হতে চাইবেন যে , যে ফাইলটি আপনি পাঠিয়েছেন সেই ফাইলটিই কোনরকম পরিবর্তন ছাড়া আপনার বন্ধুর কাছে গেছে কিনা। এক্ষেত্রে আপনার হয়তো আপনার বন্ধুকে ফোন করতে হবে এবং দুজনে একসাথে বসে মুল ফাইলটির সাথে রিসিভ করা ফাইলটি মিলিয়ে দেখতে হবে। কিন্তু তাহলে ফাইলটি সেন্ড করার কোন মানে হয় না। এখানেই আসে হ্যাশিং অ্যালগরিদমের ব্যবহার। এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে হ্যাশিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ফাইলটির একটি হ্যাশ ভ্যালু (a numeric string output of fixed length) বের করতে হবে। এরপর ফাইলটির সাথে হ্যাশ ভ্যালুটিকেও আপনার বন্ধুর কাছে পাঠাতে হবে। আপনার বন্ধু তখন ফাইলটি রিসিভ…

Continue Readingহ্যাশিং অ্যালগরিদম (Hashing Algorithm)

উইন্ড টারবাইন (Wind Turbine) (Part-1)

উইন্ড টারবাইন (Wind Turbine) বায়ু শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করে। সহজভাবে বলতে গেলে উইন্ড টারবাইন হলো ইলেক্ট্রিক ফ্যানের বিপরীত। ফ্যান যেমন বিদ্যুৎ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বাতাস বা বায়ু শক্তি উৎপন্ন করে, তেমন উইন্ড টারবাইন বাতাসকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। টেকনোলজি এবং বাতাসের বেগের উপর নির্ভর করে এর ব্লেডগুলো মিনিটে ১৩ থেকে ২০ বার ঘোরে। উইন্ড টারবাইন বিভিন্ন সাইজের হয়ে থাকে। ছোট সাইজের মোডেল গুলো ছোট ঘর, কেবিন, শীপ (ship) ইত্যাদি নানা কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়াও অনেক গুলো উইন্ড টারবাইন একত্র করে উইন্ড ফার্ম তৈরী করা হয় যা বড় বড় বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সাধারণত দুই ধরনের উইন্ড টারবাইন রয়েছে। horizontal-axis wind turbines (HAWTs)  এবং vertical-axis wind turbines (VAWTs)। HAWTs হলো সবচেয়ে ব্যবহারিত উইন্ড টারবাইন। এক্ষেত্রে টারবাইনে সাধারণত দুই তিন কিংবা মাল্টিব্লেড যুক্ত থাকে। আর VAWTs টাইপের টারবাইন গুলো যেকোন দিক থেকে আসা বাতাসকে কাজে লাগাতে পারে। এক্ষত্রে ব্লেডগুলো vertical pole এর চারিদিকে ঘোরে। Betz’s law এর অনুযায়ী একটি উইন্ড টার্বাইন থেকে ৫৯% এর বেশী বায়ুশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রুপান্তর করা সম্ভব না। টারবাইনের ব্লেডের সংখ্যা, পজিশন, বায়ুপ্রবাহ ইত্যাদির উপর নির্ভর করে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন হয়। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে উইন্ড টারবাইন দিন দিন অনেক জনপ্রিয় হচ্ছে। পুরো বিশ্ব এখন নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy) এর দিকে অগ্রসর হচ্ছে আস্তে আস্তে। এক্ষেত্রে উইন্ড টারবাইন (Wind Turbine) আমাদের শক্তি সমস্যার সমাধান এনে দিতে পারে।

Continue Readingউইন্ড টারবাইন (Wind Turbine) (Part-1)

ডেটা কম্প্রেশন

আমরা যারা ল্যাপটপ , কম্পিউটার বা অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইস প্রতিনিয়ত ব্যবহার করি তারা সবাই প্রায়শই ডেটা কম্প্রেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকি। এটি আমাদের ডেটা ট্রান্সমিশন বা সংরক্ষণের কাজকে অনেক সহজ করে তোলে। ডেটা কম্প্রেশন কি ? ডেটা কম্পেশন হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ডেটা বা তথ্য সংকোচন করে সংরক্ষন করা হয়। এ পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটার আকার কমে যায়। ফলে তা খুব কম জায়গায় সংরক্ষন করা যায় এবং সহজে ট্রান্সমিশন করা যায়। ডেটা কম্প্রেশন মেথডঃ ডেটা কম্প্রশিং সাধারনত দুই ভাবে করা হয়। লসলেস(Loss less) এবং লসি(Lossy). লসলেস পদ্ধতিতে ডেটার কোন লস হয় না বা হারিয়ে যায় না। এক্ষেত্রে ডেটা ডিকম্পেশন করার সময় তা পুনরায় আগের অবস্থাতেই ফিরে যায়। এ পদ্ধতিতে Statistic modeling technique ব্যবহার করে ডেটা কম্প্রেস করা হয়। লসি (Lossy) পদ্ধতির ক্ষেত্রে কিছু ডেটা সম্পূর্ণ ভাবে হারিয়ে যায় এবং ডিকম্প্রসিং এর সময় ডেটা আর আগের অবস্থাতে ফিরে আসে না। এক্ষেত্রে কিছু অপ্রজোনীয় বিট এবং অতিরিক্ত ডেটা অপসরণ করা হয়। সাধারনত ভিডিও, অডিও, ছবি এবং গ্রাফিক্স এর ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ডেটা কম্প্রেশনের মুলনীতি ডেটা কম্প্রেশন অ্যালগরিদম সোর্স ইনফরমেশনকে এনকোড করতে যে পরিমান সিম্বল লাগবে তার সংখ্যা কমিয়ে দেয়। ফলে প্রসেস করা ডেটা হার্ড ড্রাইভে কম জায়গা দখল করে। ডেটা কম্প্রেশনকে দুটো সাধারণ প্রসেসে ভাগ করা যায়। একটি হল এনকোডিং অ্যালগরিদম (encoding algorithm) এবং অন্যটি ডিকোডিং অ্যালগরিদম (decoding algorithm)। এনকোডিং অ্যালগরিদম সোর্স ইনফরমেশন গ্রহন করে এবং সেটিকে কম্প্রেসড আকারে উপস্থাপণ করে। আর ডিকোডিং অ্যালগরিদম কম্প্রেসড করা ডেটাকে পুনরায় মুল ডাটাতে গঠন করে। এই এনকোডিং এবং ডিকোডিং প্রসেসে কিছু ডেটার লস হতে পারে। ডেটা কম্প্রেশনের ইতিহাস ১৮৩৮ সালে টেলেগ্রাফিতে ব্যবহারের জন্য মোর্স কোড আবিষ্কার করা হয় যা ছিল ডেটা কম্প্রেশনের প্রাথমিক উদাহরণ। আধুনিক ডেটা কম্প্রেশনের সূচনা ঘটে ১৯৪০ এর দিকে…

Continue Readingডেটা কম্প্রেশন

অ্যান্ড্রয়েড পরিচিতি

অ্যান্ড্রয়েড কি ? অ্যান্ড্রয়েড হলো একটি লিনাক্স বেসড ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম। এটি সাধারনত স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, স্মার্ট ওয়াচ এ ব্যাবহার করা হয়। এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপ হয়েছে গুগলের আন্ডারে Open Handset Alliance (OHA) এর মাধ্যমে। Open Handset Alliance (OHA) হলো Google, HTC, Dell, Motorola, Sony, Samsung সহ ৮৪ টি কোম্পানির একটি সংঘ। অ্যান্ড্রয়েডে ব্যাবহার করা ল্যাংগুয়েজ ? অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট এর জন্য Java কে অফিসিয়াল ল্যাংগুয়েজ হিসেবে ব্যাবহার করা হয়। তবে এছাড়া আরো অনেক ল্যাংগুয়েজ ব্যাবহার করা যায়, যেমনঃ Kotlin, C++ , C# ইত্যাদি। অ্যান্ড্রয়েডের ইতিহাস অ্যান্ডি রুবিন নামক প্রকৌশলীর হাত ধরে ২০০৩ সালে অ্যান্ড্রয়েড তৈরী হয়। এরপর জুলাই ২০০৫ সালে, Google অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেট এর কাছ থেকে অ্যান্ড্রয়েড কিনে নেয়। ২০০৭ সালে Google অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে প্রকাশ করে। HTC Dream হলো অ্যান্ড্রয়েড চালিত 1st স্মার্টফোন যেটা অক্টোবর ২২, ২০০৮ এ বের করা হয়। অ্যান্ড্রয়েডের বৈশিষ্ট্য অ্যান্ড্রয়েড এর অনেক ইন্টারেস্টিং বৈশিষ্ট্য আছে যেটা এটাকে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম করেছে। এর এমন কিছু বৈশিষ্ট্য হলঃ ইউযার ইন্টারফেজঃ এটা খুব ইফেক্টিভ ইউযার ইন্টারফেজ এর সুবিধা প্রদান করে। কানেক্টিভিটিঃ অ্যান্ড্রয়েড অনেক কানেক্টিভিটি টেকনোলোজি সাপোর্ট করে, যেমনঃ GSM/EDGE, WiFi, Bluetooth, CDMA ইত্যাদি। স্টোরেজঃ SQLite খুবই Light Weight Database যেটা অ্যান্ড্রয়েডে ব্যাবহার করা হয়। মাল্টি টাস্কিংঃ অ্যান্ড্রয়েড মাল্টি টাস্কিং সুবিধা প্রদান করে। ফলে একি সাথে অনেকগুলো অ্যাপ্লিকেশন রান করা যায়।

Continue Readingঅ্যান্ড্রয়েড পরিচিতি