ডট বিডি ডোমেইন সিস্টেম

ডট বিডি এবং ডট বাংলা হ’ল ইন্টারনেটে একটি কান্ট্রি কোড শীর্ষ স্তরের ডোমেইন (সিসিটিএলডি)। এটি ইন্টারনেট বিশ্বে বাংলাদেশের ঠিকানা। বিটিসিএল হ’ল এমওপিটিটিটির পক্ষে সিসিটিএলডি উভয়ের রেজিস্ট্রেশন অথরিটি। বিশ্ব জুড়ে যে কোনও ব্যক্তি, সংস্থা একটি .bd ডোমেইন নিবন্ধন করতে পারে । ডট বিডি (.bd) ডোমেইন হচ্ছে ccTLD অর্থাৎ Country Code Top Level Domain যা সাধারনত বিটিসিএল (বাংলাদেশ টেলিকমিনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড) ডোমেইন বিক্রি এবং নিয়ন্ত্রন করে থাকে। আর .com.bd (সাধারন কাজ বা ব্যবসার জন্য) এক্সটেনশন হচ্ছে এই ডোমেইন তালিকায় সবচেয়ে জনপ্রিয় । এছাড়া .gov.bd (গভর্নমেন্টাল-রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এর জন্য) .net.bd (নেটওয়ার্কিং সাইটের জন্য ) .info.bd (ইনফরমেশন সাইটের জন্য ) .org.bd(অরগানাইজেশনের এর জন্য) .edu.bd (এডুকেশনাল-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর জন্য) .ac.bd (বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এর জন্য) এক্সটেনশন সহ আরও বিভিন্ন ধরনের ডোমেইন এক্সটেনশন রয়েছে । ডট বিডি ( .bd ) ডোমেইন কিভাবে কিনবেন: আপনি বিটিসিএল (বাংলাদেশ টেলিকমিনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড) ওয়েবসাইট – http://bdia.btcl.com.bd/domain/search থেকে কিনতে পারবেন । প্রয়োজনে তাদের দেওয়া কল সেন্টার নম্বারে কল করেও সাহায্য নিতে পারবেন। পাশাপাশি আপনি স্ব শরীরে বিটিসিএলের নিজস্ব কার্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে আপনার পছন্দের নামে ডট বাংলা (.বাংলা) ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। ডোমেইনের ফি: ০১ এপ্রিল, ২০১৮ থেকে বিটিসিএলের রেট অনুযায়ী ডট বিডি (.bd) ডোমেইনের ফি নতুন ভাবে কার্যকর করা হয়েছে। নিচে তা দেওয়া হলো নতুন রেজিস্ট্রেশন: ৳ ৮০০ প্রতি বছরবার্ষিক নবায়ন ফি: ৳ ৮০০ প্রতি বছরমালিকানা পরিবর্তন ফি: ৳ ১৫০০মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নবায়নের জন্য জরিমানা: ৳ ১০০০ডোমেইনের ফি পরিশোধ করবেন। আপনি যদি অফলাইন বা অনলাইনে, ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করে থাকেন। তাহলে যে কোন টেলিটক সংযোগ থেকে আপনি সহজেই ডোমেইন ফি প্রদান করতে পারবেন। এছাড়া ডাচ বাংলা ব্যাংকের রকেট সহ তাদের দেওয়া নির্ধারিত ব্যাংকের শাখা অফিসে গিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে পেমেন্টের মাধ্যমে ডোমেইন ফি দেয়া যাবে।

Continue Readingডট বিডি ডোমেইন সিস্টেম

সি প্রোগ্রামিং এবং তার বেসিক কিছু তথ্য

সি প্রোগ্রামিং কি? সি হচ্ছে একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, কম্পিউটার সাধারনত দুটি সংখ্যা বুঝে একটা হলো 0 এবং অপরটা হলো ১ ।অন্যান্য বিদ্যুৎ চালীত যন্ত্রের মতন কম্পিউটারও শুধুমাত্র বিদ্যুৎ আছে অথবা নাই, এই দুইটা অবস্থা বুঝতে পারে । প্রাথমিক দিকে যখন প্রোগ্রামিং করা হতো তখন এই দুইটি সংখ্যা দিয়েই মূলত প্রোগ্রাম বানানো হতো ।আর এ ধরনের প্রোগ্রামের ভাষা কে Assembly Language বলা হয় । কিন্তু, এই পদ্ধতিটা অনেক বেশী জটিল হওয়ায় পরবর্তিতে বিভিন্ন High Level Language এর উদ্ভাবন ঘটে । সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্মকথা: ডেনিশ রিচি সি ল্যাঙ্গুয়েজ এর সূচনা করেন । তখন এটি মূলত ইউনিক্স কে টার্গেট করে ডিজাইন করা হয়েছিল এবং প্রায় ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত এর ব্যবহার বেল ল্যাবরেটরি এর মধ্যেই সীমিত ছিল। ১৯৭৮ সালে কারনিহান (Kernighan) এবং রিচি (Ritchie) “The C Programming Language” নামে সি ল্যাঙ্গুয়েজ এর বিস্তারিত বিবরন দিয়ে একটা প্রকাশনা বের করেন, যা “K & R C” নামেও পরিচিত । প্রাথমিক অবস্থায় সি বানানো হয়ে ছিলো অপারেটিং সিস্টেম UNIX এর জন্য । পরবর্তিতে এটি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয় । নোট: জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম লিন্যাক্স সি দিয়ে বানানো । সি প্রোগ্রাম করতে কি কি প্রয়োজন ? মূলত দুই দরনের টুলস্ কিনবা সফটওয়্যারের প্রয়োজন আছে : ১) প্রোগ্রাম লেখার জন্য সফটওয়্যার ২) লিখিত প্রোগ্রাম চালানোর উপযোগী করার জন্য সফটওয়্যার তবে স্ট্যান্ডার্ড IDE তে ই এর সব কিছু পাওয়া যাবে ।তাই এই একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করলেই চলবে । ক) প্রোগ্রাম লেখার জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যারঃ সি তে প্রোগ্রাম লেখার জন্য বিশেষ কোন সফটওয়্যার এর দরকার নাই। যে কোন এডিটর সফটওয়্যার (যেমন- নোটপ্যাড, নোটপ্যাড++, জিইডিট) ব্যবহার করেই কোডিং করা সম্ভব । তবে কোডিং সহজে করার জন্য আমরা আইডিই (IDE) বা Integrated Development Environment নামে পরিচিত। জনপ্রিয় কিছু IDE হলো: · কোডব্লোকস, ·…

Continue Readingসি প্রোগ্রামিং এবং তার বেসিক কিছু তথ্য

কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় কিছু শটকার্ট কী

কম্পিউটার কীবোর্ডে সবথেকে দ্রুততম ওয়েতে কাজ করার উপায় হলো শর্টকাট কী জানা। যারা কম্পিউটারে বেশিরভাগই কাজ করেন তাদের প্রত্যেকেরই Computer Keyboard Shortcut key জানা উচিত।আসুন জেনে নিই বহুল ব্যবহৃত ৫৮টি শর্টকাট কী। Keyboard Shorcuts (Microsoft Windows) CTRL+C (Copy)CTRL+X (Cut)CTRL+V (Paste)CTRL+Z (Undo)DELETE (Delete)SHIFT+DELETE (Delete the selected item permanently without placing the item in the Recycle Bin)CTRL while dragging an item (Copy the selected item)CTRL+SHIFT while dragging an item (Create a shortcut to the selected item)F2 key (Rename the selected item)CTRL+RIGHT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next word)CTRL+LEFT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous word)CTRL+DOWN ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next paragraph)CTRL+UP ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous paragraph)CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (Highlight a block of text)SHIFT with any of the arrow keys (Select more than one item in a window or on the desktop, or select text in a document)CTRL+A (Select all)F3 key (Search for a file or a folder)ALT+ENTER (View the properties for the selected item)ALT+F4 (Close the active item, or quit the active program)ALT+ENTER (Display the properties of the selected object)ALT+SPACEBAR (Open the shortcut menu for the active window)CTRL+F4 (Close the active document in programs that enable you to have multiple documents opensimultaneou sly)ALT+TAB (Switch between the open items)ALT+ESC (Cycle through items in the order that they had been opened)F6 key (Cycle through the screen elements in a window or on the desktop)F4 key (Display the Address bar list in My Computer or Windows Explorer)SHIFT+F10 (Display the shortcut menu for the selected item)ALT+SPACEBAR (Display the System menu…

Continue Readingকম্পিউটারের প্রয়োজনীয় কিছু শটকার্ট কী

কম্পিউটার এবং তার ফাইল সিস্টেম

আপনি হার্ডডিস্ক কিনে এনে ইউজ করতে গিয়ে দেখেন কয়েক গিগা একেবারেই উধাও।কি ব্যাপার!!!কি হলো!!!কয়েক গিগা জায়গা কোথায় হারিয়ে গেল!!! আসুন জেনে নেওয়া যাক। ১৯৮০ সালের দিকে Microsoft(শীর্ষ os নির্মাতা) এবং IBM এ দুটি প্রতিষ্ঠান যৌথ পরিচালনায় একটি শক্তিশালী গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিষ্টেম নির্মানের উদ্যোগ নেয়,যার ফলশ্রুতিতে তারা তৈরি করে OS/2 অপারেটিং সিষ্টেম।এতে যে ফাইল সিষ্টেম ব্যবহৃত হয় তার নাম HPFS ।কিন্তু পরবর্তীতে মত ও নীতির ভিন্নতার জন্য এ প্রতিষ্ঠান দুটি তাদের এই সম্মিলিত চুক্তি বাতিল করতে বাধ্য হয়।ফলে OS/2, IBM এর একক মালিকানায় থাকে।এদিকে Microsoft ও আরেকটি নতুন অপারেটিং সিষ্টেম তৈরির চিন্তা করে এবং এর ফলে তারা তৈরি করে অপারেটিং সিষ্টেম Windows NT ।এতে যে ফাইল সিষ্টেম ব্যবহার করা হয় তার নাম NTFS যার গঠন ও কার্যপ্রণালী প্রায় HPFS এর মতই।আর এখান থেকেই শুরু হয় NTFS ফাইল সিষ্টেমের প্রচলন। ফাইল সিষ্টেম কিঃ ফাইল সিষ্টেম হচ্ছে কম্পিউটারে বিভিন্ন ফাইল তথা ডাটা যেকোনো স্টোরেজ ডিভাইস যেমন,হার্ডডিস্ক বা পেনড্রাইভে জমা এবং একটি নির্দিষ্ট উপায়ে সুবিন্যস্ত রাখার পদ্ধতি।সব অপারেটিং সিষ্টেম সব ফাইল সিষ্টেম সাপোর্ট করে না।একারণে এখন পর্যন্ত তৈরি করা ফাইল সিষ্টেমের সংখ্যাও অগনিত।তবে এর মধ্যে সর্বাধিক প্রচলিত ফাইল সিষ্টেমগুলো হল-FAT: File Allocation Table .এটি মূলত DOS মোডের ফাইল সিষ্টেম।যত বহুল প্রচলিত ফাইল সিষ্টেম আছে,তার মধ্যে এটিই দ্রুতগতির কার্যক্ষমতাবিশিষ্ট।তবে এর বড় অসুবিধা হচ্ছে,এই সিষ্টেমে ৪গিগা এর চেয়ে বড় ফাইল সেভ করা যায় না।অর্থাত,যে সকল ড্রাইভের ফাইল সিষ্টেম FAT,সেগুলোতে ৪গিগার চেয়ে বড় সাইজের ফাইল সেভ করা যায় না।এর বিভিন্ন ভাগ আছে,FAT16,FAT32.এরা যথাক্রমে ১৬বিট এবং ৩২ বিট অপারেটিং সিষ্টেমে চলে।আর একটি বড় সমস্যা হল,এর নিরাপত্তা।যে সকল ড্রাইভ এই ফাইল সিষ্টেমে চলে সেগুলোতে ফাইলের নিরাপত্তা বিধান করা যায় না।যে কেউই এই ফাইলগুলোতে Access করতে পারবে।HPFS: High Performance File System.এটি মূলত OS/2 অপারেটিং সিষ্টেম সাপোর্ট করে। NTFS: New Technology File…

Continue Readingকম্পিউটার এবং তার ফাইল সিস্টেম

গুগলের প্রতিদ্বন্দ্বী কিছু সার্চ ইঞ্জিন

গুগলের তৈরি সবকিছু শক্তিশালী বিল্ট-ইন নিরাপত্তা প্রযুক্তির দ্বারা সুরক্ষিত থাকে যা স্প্যাম, ম্যালওয়্যার, ভাইরাস ইত্যাদির ঝুঁকি শনাক্ত ও ব্লক করার মাধ্যমে আপনার কাছে সেগুলি পৌঁছাতে বাধা দেয়। গুগল এই নিরাপত্তা প্রযুক্তি তাদের পার্টনারদের সাথে শেয়ার করে ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ডের উন্নতি এবং অনলাইনে সকলকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।কিন্তু এরপরও অনেকসময় অনেকে গুগলে সিকিউর ফিল করে না,অনেকে নতুন কিছুর ফিচার/ছোঁয়া পেতে চায়।তাদের জন্য আছে গুগলের চির প্রতিদ্বন্দ্বী কিছু সার্চ ইঞ্জিন। তবে এই সার্চ ইঞ্জিনের ইউজার কিন্তু নিত্যন্তই কম নয় বরং দিনদিন তাদের পপুলারিটি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গুগল সার্চের প্রতিদ্বন্দ্বী : ১. বিং২. বাইডু৩. ডাকডাকগো ৪.গিফি ৫. ইয়ানডেক্স৬. ইয়াহু ৭. ask.com ৮.AOL ৯.excite বিং সার্চ ইঞ্জিন : বিং মাইক্রোসফট এর একটি অংশ।সার্চের ফলাফলে আরও বেশী নিদির্ষ্ট এবং গ্রহনযোগ্য উত্তরের জন্য বিং অনন্য। মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল সার্চ ইঞ্জিন বিং প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৯ সালে ।নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুগলের সাথে বেশি আলাদা নয় বিং। আপনি যদি শুধু মাত্র গুগল সার্চের কোন বিকল্প চান বা নিরাপত্তা জনিত কোন সমস্যা আপনার না থাকে। তাহলে এটি ব্যবহার করতে পারেন। বিং এর স্লোগান হচ্ছে ‘বিং এন্ড ডিসাইড’- অর্থাৎ, বিং এ সার্চ করুন এবং সিদ্ধান নিন। কেননা, মাইক্রোসফট বিং’কে ‘ডিসিশন ইঞ্জিন’ বলেও পরিচিত করেছে যা ব্যবহারকারীকে কোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করতে পারে।বাইডু সার্চ ইঞ্জিন : বাইডু একটি চীনা সার্চ ইঞ্জিন। বাইডু সার্চ ইঞ্জিন ২০০০ সালের দিকে তৈরি হয় এবং এটি বর্তমানে চীনের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।চীন ভিত্তিক জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হলো বাইডু। গুগুলকে ব্যবহার না করে চীন তাদের নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন Baidu ব্যবহার করে। এর ওয়েব সাইট ঠিকানা হলো https://www.baidu.com/ তবে চীন ছাড়া আরো কয়েকটি দেশে কম বেশী বাইডু ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বাইডু চীনের নীতিমালা অনুসারে পরিচালিত হয়ে থাকে।ডাকডাকগো সার্চ ইঞ্জিন : লক্ষ্য হচ্ছে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা বজায় রাখা। শুরু থেকেই টার্গেটেড অ্যাড এড়িয়ে…

Continue Readingগুগলের প্রতিদ্বন্দ্বী কিছু সার্চ ইঞ্জিন

রহস্যময় কালো অধ্যায়-ডার্কওয়েব

সাধারণ ব্রাউজার ব্যাবহার করে আপনি অনায়াসে প্রবেশ করতে পারেন -> সার্ফেস ওয়েব; সাধারণ ব্রাউজার দিয়েই তবে সাইট কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে (রেজিস্ট্রেশন, পেমেন্ট, রেফারেল ইত্যাদি মাধ্যমে) প্রবেশ করতে পারেন -> ডিপ ওয়েব; সাধারণ ব্রাউজার এক্সেস করতে অক্ষম, স্পেশালাইজড্ ব্রাউজার দিয়ে প্রবেশ করতে হয় এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে আলাদা অপারেটিং সিস্টেম এবং/অথবা হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন হয় -> ডার্ক ওয়েব। সাধারণ ওয়েব সাইট আর ডার্ক ওয়েব সাইট এর মেইন পার্থক্য হল: *ডার্ক ওয়েব সাইট এর ডোমেইন নেম গুলো অদ্ভুত ও জটিল। যেমন – dg4xh&juc2tc.onion এরকম যদি ডোমেইন নেম হয় তাহলে আপনি ভুল করেও ঢুকতে পারবেন না, যতক্ষণ না কেউ এটি বলে দিচ্ছে। *সাধারণ সার্চ ইঞ্জিনে ডার্ক ওয়েব আসবে না। কেউ যাতে সহজে খুঁজে না পায়, এজন্য সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স করা হয় না। (তবে আপনি গুগল এ ডার্ক-ওয়েব সাইট লিস্ট লিখে অনুসন্ধান করলে অনেক ওয়েবসাইটে গিয়ে ডার্ক-ওয়েব সাইট এর তালিকা পেতে পারেন।) অবৈধ মাদকের চুক্তি, পেশাদার খুনি ভাঁড়া করা থেকে শুরু করে গোপন খবর ফাঁস করা ইত্যাদি বিভিন্ন কাজের জন্য ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করা হয়। ডার্ক ওয়েবে যেহেতু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপরাধ কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার করা হয় তাই এইসব ওয়েব সাইটে ঢোকার আগে বিশেষ নিরাপত্তা প্রয়োজন। কেননা আপনার বাসার ইন্টারনেট তো নজরদারিতে থাকতে পারে। কিংবা ওয়েবসাইটটি আপনার কম্পিউটারের তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। তাই টর্ক ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করা হয়। টর্ক ওয়েব ব্রাউজারে অনেক গুলো স্তরের ভিপিএন নেটওয়ার্ক যুক্ত থাকে।(অনেক দেশে ভিপিএন ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকতে পারে।)তাই আপনাকে ট্রাক করা প্রায় অসম্ভব। ফেব্রুয়ারি ২০১৬ এ ওয়েব নির্ভর লুকায়িত সেবাসমূহবিভাগের শতকরা হারসহিংসতা০.৩অস্ত্র০.৩সামাজিক১.২হ্যাকিং১.৪অবৈধ পর্নোগ্রাফি২.৩যোগসূত্র২.৩চরমপন্থা২.৭অজানা৩.০অন্যান্য অবৈধ৩.৮ফাইন্যান্স৬.৩মাদক৮.১অন্যান্য১৯.৬কোনটি না৪৭.৭ আমাদের জন্য টর কতটা নিরাপদ?টর নেটওয়ার্কে আপনার অনলাইন পরিচয়কে ছদ্মবেশে বিভিন্ন টর সার্ভার দিয়ে এনক্রিপশন করিয়ে তারপরে সেই ট্র্যাফিককে নির্দিষ্ট স্থানে পাঠানো হয়; ফলে আপনার পরিচয় ট্র্যাক করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। আজকের যেকোনো সাধারন ব্রাউজারে ইনকগনিটো মুড…

Continue Readingরহস্যময় কালো অধ্যায়-ডার্কওয়েব

সাইবার জগতে আত্মরক্ষা-সাইবার সিকিউরিটি

আমরা পুরোপুরি নেটওয়ার্ক বেষ্টিত একটি পরিবেশে বসবাস করি। ইন্টারনেট এক্সেস এখন সব কিছুতেই। এমনকি আমাদের স্মার্ট ডিভাইসটিও থাকে ইন্টারনেট জগতের সাথে সংযুক্ত। এখন যদি আপনার একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য উপাত্ত অন্যের হাতে পৌঁছে যায় তার মানে আপনি এমন এক সমস্যার সম্মুখীন যেখান থেকে রেহাই পাওয়া ভার।এরজন্যই প্রয়োজন পূর্ববর্তী কিছু আত্নরক্ষার কৌশল অবলম্বন করে নিজেকে কিছুটা হলেও বিপদ থেকে দূরে রাখা।চলুন জেনে নেওয়া যাক সাইবার সিকিউরিটি সম্বন্ধে। সাইবার সিকিউরিটি কি ? (What Is Cyber Security in Bangla)সাইবার সিকিউরিটি (cybersecurity) মানে হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তির (technology) মাধ্যম, প্রক্রিয়া (process) এবং চর্চার ব্যবহার করে, computer device, data, network এবং program গুলিকে cyber attack, cybercrime এবং অবৈধ ব্যবহার থেকে সুরক্ষিত করে রাখা হয়। সোজা ভাবে বললে, computer, device বা network গুলিকে cybercrime থেকে বাঁচিয়ে রাখার প্রক্রিয়াটিকেই বলা হয় সাইবার সিকিউরিটি। Cybersecurity কে computer security এবং information technology security (IT Security) বলেও বলা যেতে পারে। সাইবার সিকিউরিটির প্রক্রিয়ার ব্যবহার করে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক গুলিতে এতো করা ভাবে সুরক্ষা দিয়ে রাখা হয় যে বাইরের সাইবার অপরাধীরা সেই সিস্টেম (system) বা নেটওয়ার্কে (network) সহজে প্রবেশ করতে পারেনা। Cyber security র সেবা প্রদান করা অনেক ভালো ভালো কোম্পানি বা organization রয়েছে, যারা কিছু টাকা নিয়ে অন্যান্য কোম্পানি বা organization গুলির computer ও network গুলিকে নিরাপত্তা প্রদান করে যেকোনো ধরণের সাইবার ক্রাইম বা cyber attack থেকে। তাহলে বুঝলেনতো, "সাইবার সিকিউরিটি মানে কি''? নিজেকে সাইবার ক্রাইম থেকে কিভাবে বাঁচিয়ে রাখবেন ?সাইবার ফ্রড (cyber fraud), যেকোনো ব্যাক্তির সাথেই হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, আমার এবং আপনার মতো সাধারণ জনসাধারণের সাথে অনেক রকমের online fraud বা scamming করার চেষ্টা করা হয়। Tips to protect yourself from cybercrimeনিজের কম্পিউটার ডিভাইস এবং নেটওয়ার্ক গুলিকে সাইবার ক্রাইম থেকে সম্পূর্ণ ভাবে সুরক্ষতি করে রাখার তেমন…

Continue Readingসাইবার জগতে আত্মরক্ষা-সাইবার সিকিউরিটি

ইন্টারনেট জগতে সাইবার ক্রাইম

ইন্টারনেটে যেকোনো সময়, কোটি কোটি লোকেরা সক্রিয় থাকেন এবং তারা নিজের মোবাইল বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার কোরে বিভিন্ন website বা application ব্যবহার করেন। এই ক্ষেত্রে, এমন অনেক ব্যাক্তি রয়েছে যারা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সক্রিয় থাকা এই “online traffic” বা “online internet users” দের থেকে বিভিন্ন অবৈধ (illegal) মাধ্যমে তাদের personal information চুরি করা, ঠকানো (cheating), ঠকিয়ে টাকা আদায় এবং আরো অন্যান্য অপরাধ করেন। আর এ অপরাধই সাইবার ক্রাইম সাইবার ক্রাইমঃ সাইবার অপরাধ বা কম্পিউটার অপরাধ, এমন যেকোনো ধরণের অপরাধ, যেখানে একটি কম্পিউটার (computer), নেটওয়ার্ক (internet) বা ইন্টারনেট সংযুক্ত ডিভাইস (device) অপরাধের সাধন (object) হিসেবে ব্যবহার করা হয়। একটি কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে যদি কারো ব্যক্তিগত তথ্যের অবৈধ ব্যবহার, copyright infringement, ঠকানো, personal data চুরি, hacking, phishing, spamming বা privacy theft এবং এগুলির মতো অপরাধ করা হয়, তাহলে একে বলা হয় “cybercrime” . বিভিন্ন ধরনের সাইবার ক্রাইম গুলো নিম্নরুপঃ হ্যাকিং (Hacking)প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়। ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে যেমনি তথ্যের আদান-প্রদান বেড়ে গেছে বহুগুণ, ঠিক তেমনি তথ্য গায়েব, তথ্য চুরি এবং পথিমধ্যে তথ্য বিকৃতি ঘটানোর নজিরও লক্ষ্য করা যায়। আর এ কাজটি যারা করছে মূলত তাদেরকে হ্যাকার বলে অভিহিত করা হয়। হ্যাকারদের যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে হ্যাকিং বলে অভিহিত করা হয়।স্প্যামিং(Spamming)অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহ ব্যবহার হলো স্প্যাম তথা স্প্যামিং। এর মাধ্যমে একাধিক মেইলিং লিস্ট, পৃথক পৃথক ব্যক্তি বা নিউজগ্রুপগুলোতে অনাকাঙ্ক্ষিত মেসেজসমূহ প্রেরণ করা হয়ে থাকে। এসেব মেসেজ প্রায় সময়ই বাণিজ্যিক ধাঁচের হয়। এগুলোকে জাঙ্ক মেইল নামেও অভিহিত করা হয়। বিজ্ঞাপণের মোড়কে স্প্যামগুলো অনেক সময়ই আইডেন্টি থেফট বা অন্য কোনো ধরনের ইন্টারনেট জালিয়াতির উদ্দেশ্যে প্ররণ করা হয়ে থাকে। প্লেজিয়ারিজম(Plagiarism)যে কোনো উৎসের লেখা সংযোজন করা হোক না…

Continue Readingইন্টারনেট জগতে সাইবার ক্রাইম

ডিজিটাল ক্রিপ্টোকারেন্সী-বিটকয়েন

বিটকয়েন কি? বিটকয়েন হচ্ছে বর্তমান ক্রিপ্টোকারেন্সি দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং ব্যবহৃত ডিজিটাল মুদ্রা যা বিশ্বব্যাপী লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। বিকেন্দ্রীভূত ডিজিটাল মুদ্রার মধ্যে বিটকয়েন সর্বপ্রথম কারণ এটি প্রথম যা কোন কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা একক প্রশাসক ছাড়া কাজ করে। বিটকয়েন নেটওয়ার্ক একটি সার্বভৌমিক প্রক্রিয়া যা কোনো মধ্যবর্তী মাধ্যম ছাড়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে সরাসরি সঞ্চালিত হয়।বিটকয়েনের আবিষ্কারঃ বিটকয়েন একজন অজানা ব্যক্তি বা বাক্তি গোষ্ঠী দ্বারা আবিষ্কৃত হয়। আবিষ্কারকের নাম দেওয়া হয় সাটোশি নাকামোটো। এটি খোলা বাজারে ২০০৯ সালে ছাড়া হয়। মাইনিং প্রসেসের মাধ্যমে বিটকয়েন তৈরি করা হয়। এটি বর্তমানে মুদ্রা, পণ্য এবং সেবার বিনিময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। ২০১৫ সালের পরিসংখ্যান মতে প্রায় ১ লাখের বেশি ব্যবসায়ী এবং বিক্রেতা বিটকয়েনকে পেমেন্টের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেছে। বিটকয়েন নিয়ে ২০১৭ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা করা জানতে পারে প্রায় ২,৯ মিলিয়ন থেকে ৫.৮ মিলিয়ন মানুষ ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেট ব্যবহার করেছে, যার মধ্যে অধিকাংশ ব্যাবহারকারী বিটকয়েন ব্যবহার করেছে।বিটকয়েন ক্রয়ঃ অনেকে মনে করেন যে বিটকয়েন কিনতে গেলে ১ বিটকয়েনই কিনতে হবে। তবে এটি সত্য নয়। ১ বিটকয়েনের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩৮৬০ ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় ৩ লক্ষ টাকারও বেশি। আপনি ১ এর কম (ভগ্নাংশ পরিমাণ) বিটকয়েন কিনতে পারবেন। যেমন ০.০১ বিটকয়েন, এমনকি ০.০০১ বিটকয়েনও! মূলত আপনি চাইলে ৮ দশমিক স্থান পর্যন্তও বিটকয়েন কিনতে পারবেন। বিটকয়েনের চাহিদাঃ কেউ কেউ এটি মনে করেন যে, বিটকয়েনের দাম কখনোই কমেনা, বরং বাড়তেই থাকে। এটি একটি ভুল ধারণা। বিটকয়েনের বাজারদরের সাথে শেয়ার মার্কেটের তুলনা করা যেতে পারে। এটি যেকোনো সময়ই কমতে বা বাড়তে পারে। লেনদেন ট্র‍্যাকিংঃ বিটকয়েন সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত এর লেনদেন ট্র্যাক করার ধারণাটি। বিটকয়েন লেনদেনকে অনেকেই সবচেয়ে গোপন লেনদেন মনে করেন। তবে সত্যিটা হল, বিটকয়েন লেনদেনের ব্যাপারটা মূলত গোপনীয় নয়, বরং পাবলিক। প্রতিটি বিটকয়েনের লেনদেনই ব্লকচেইনে…

Continue Readingডিজিটাল ক্রিপ্টোকারেন্সী-বিটকয়েন

সেডরিক-এক অনন্য ন্যানোটেকনোলজী

ভবিষ্যতের কম্পিউটারগুলো হবে আরও ছোট আকারের, দ্রুততর, এবং অধিক দক্ষ। একথা এতদিন পার্সোনাল মাইক্রোকম্পিউটারের ক্ষেত্রে খাটলেও প্রকৃতপক্ষেই ক্ষুদ্র কম্পিউটারের অধ্যায় শুরু হয়েছে কার্বন ন্যানোটেকনোলজী থেকে। পূর্বে যেখানে ব্যবহৃত হতো সিলিকন এখন সেথায় ব্যবহৃত হচ্ছে উন্নত প্রযুক্তির কার্বন ন্যানোটিউব। বিশ্বের প্রথম কার্বন ন্যানোটিউব ভিত্তিক কম্পিউটার হলো“সেডরিক”। এই ডিভাইসে সিলিকন নির্মিত ট্র্যানজিস্টরের স্থলে কার্বন ন্যানোটিউব নির্মিত নতুন ধরণের ট্র্যানজিস্টর ব্যবহৃত হয়েছে।উদ্ভাবিত এই কম্পিউটারটিই হচ্ছে কার্বন ন্যানোটিউব নির্ভর (এখন পর্যন্ত) সবচেয়ে জটিল যন্ত্র। কার্বন ন্যানোটিউব বা ‘সিএনটি’ হচ্ছে অতিসূক্ষ্ম সিলিন্ডার যা কার্বন পরমাণু দ্বারা তৈরি শিট থেকে প্রস্তুতকৃত। প্রতিটি কার্বন ন্যানোটিউব মাত্র ১ ন্যানোমিটার এবং এগুলো থেকে তৈরি চিপের সর্বনিম্ন পুরুত্ব ৯ ন্যানোমিটার। অপরদিকে, সর্বাধুনিক সিলিকন চিপের প্রস্থ ২২ ন্যানোমিটার। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ন্যানোমিটার হচ্ছে মেট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একটি একক, যা এক মিটারের একশো কোটি ভাগের এক ভাগের সমান (১০–৯ মি.) অথবা এক মিলিমিটারের এক মিলিয়ন ভাগের এক ভাগ। কার্বন ন্যানোটিউব ভিত্তিক এই কম্পিউটার সেডরিক এর নির্মাতারা দাবী করেছেন এটি যথেষ্ট পরিমাণ মেমোরি নিয়ে “অসীম” পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করতে পারে। প্রাথমিকভাবে নির্মিত সেডরিকের প্রোটোটাইপটির কনফিগারেশন হচ্ছে, ১ বিট প্রসেসর১ কিলোহার্টজ স্পিড১৭৮ ট্র্যানজিস্টর যার প্রতিটিতে রয়েছে ১০-২০০টি ন্যানোটিউব২ বিলিয়ন কার্বন পরমাণুমাল্টিটাস্কিং ও টিউরিং কমপ্লিট দক্ষতাকম্পিউটিং জগতের পরিভাষায় “টিউরিং কমপ্লিট” মানে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটি যেকোন গণনামূলক সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। সেডরিক চলে একটি সরল অপারেটিং সিস্টেমে যা মাল্টিটাস্ক সুইসিং, কাউন্টিং ও নাম্বার সর্টিং করতে পারে। অতীতের কার্বন ভিত্তিক কম্পিউটারসমূহের গণনায় যে সীমাবদ্ধতা ছিল তা অতিক্রম করতে পেরেছে সেডরিক- অর্থাৎ এটি প্রতিবারই সঠিক উত্তর দিতে পারে। ইনটেল, স্যামসাং প্রভৃতি মাইক্রোচিপ নির্মাতার জন্যও এখানে সুখবর রয়ে গেছে। কেননা, কার্বন ন্যানোটিউব তৈরির জন্য যেসব ল্যাব সুবিধা দরকার তা বর্তমান সিলিকন চিপের সাথে মানানসই হওয়ায় নতুন করে বড় ধরণের বিনিয়োগের আর দরকার হবেনা। উন্নত প্রযুক্তির শীর্ষে পদাপণের এবারই হয়তো সঠিক সময়।

Continue Readingসেডরিক-এক অনন্য ন্যানোটেকনোলজী

জেনে নিন উইন্ডোজ-১০ এ পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কার্যকর সমাধান

১.লক স্ক্রিনে I forget my password এ ক্লিক করুন।(যদি মাল্টিপল অ্যাকাউন্ট এক্টিভ থাকে তাহলে সঠিক অ্যাকাউন্টটি সিলেক্ট করুন) ২.ক্যাপচা পূরণ করুন যাতে প্রমাণিত হয় you aren't a robot. ৩.নেক্সটে ক্লিক করুন। ৪.ড্রপ-ডাউন মেনু থেকে সিলেক্ট করুন রিকভারি ইমেইল ঠিকানা। ৫.ইমেইল চ্যালেজ্ঞের লুকায়িত অংশটি পূরণ করুন। ৬.সেন্ড কোডে ক্লিক করুন। ৭.অন্যকোনো পিসি/ট্যাবে আপনার মেইলটি ওপেন করে রিকুভারি কোডটি সংগ্রহ করে ভেরিফাই করুন। ৮.নেক্সট ক্লিক করুন। ৯.নতুন পাসওয়ার্ড দিন। ১০.নেক্সটে ক্লিক করুন। ১১.আবার নেক্সট ক্লিক করে পুনরায় সাইন ইন পেজে ফিরে যান। এখানে নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনি আবার পিসিতে ঢুকতে পারবেন।যদি নতুন পাসওয়ার্ড কাজ না করে তবে পিসি রিস্টার্ট দিয়ে আবার ট্রাই করুন।ধন্যবাদ। . ।

Continue Readingজেনে নিন উইন্ডোজ-১০ এ পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কার্যকর সমাধান

ডেক্সটপের পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়েছেন?জেনে নিন সমাধান

ধাপ সমূহঃ১। কম্পিউটার স্টার্ট করুন২। কম্পিউটার এর login স্ক্রীন আসবে।৩। এক সাথে কীবোর্ড এর ctr+alt+deleteএইটা চাপ দিলে একটা নতুন উইন্ডো শো করবে । ৪। এখানে একটা USER BOXআরেকটা PASSWORD BOX দেখা যাবে।৫। এখানে আপনি লিখবেনUSER BOX এ administrator এবং PASSWORDBOX টা খালি রাখবেন।৬। এবার OK দিন।৭। এখন User Accout এইখানে আপনি সকলuser দের দেখবেন এখন আপনি চাইলেই user এরpassword remove করতে পারবেন!দয়া করে কারো ক্ষতির জন্য এটি করবেননা। বি.দ্র-এটি শুধুমাত্র উইন্ডোজ এক্সপি ইউজারদের জন্য।

Continue Readingডেক্সটপের পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়েছেন?জেনে নিন সমাধান

মজার ট্রিকসঃপুরাতন হার্ডডিস্কে তথ্য না হারিয়ে দিন নতুন ড্রাইভ

আমরা জানি,উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সরাসরি মাই কম্পিউটারে ক্লিক করে খুললে C:, D:, E: ইত্যাদি লেখা আইকন দেখতে পাওয়া যায়।এগুলা কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভের পার্টিশন বা বিভাগ। অর্থাৎ পুরো হার্ডডিস্কের জায়গা কয়েকটি ভাগে বণ্টন করা হয়েছে। নতুন কম্পিউটার কেনার পর সাধারণত এক বা দুটি পার্টিশন থাকে। তবে ফাইলগুলো বিভাগ অনুযায়ী সাজিয়ে রাখতে আরও ড্রাইভের দরকার হতে পারে। সব পার্টিশন ভেঙে নতুন করে দিতে গেলে ডেটা নষ্ট হয়ে যাবে। তবে তথ্য না হারিয়েও বিদ্যমান ড্রাইভের জায়গা থেকে পার্টিশন দিয়ে নতুন ড্রাইভ বানানো যায়। নতুন পার্টিশন করার আগে যা চেক করতে হবেঃনতুন পার্টিশন তৈরি করার আগে দেখে নিতে হবে বিদ্যমান ড্রাইভে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ খালি জায়গা আছে কি না। এবার ডেস্কটপ থেকে কম্পিউটার আইকনে মাউসের ডান বোতাম চেপে Manage নির্বাচন করুন। এরপর তালিকা থেকে Disk Management-এ ক্লিক করুন। এখানে হার্ডডিস্কে থাকা সব পার্টিশন দেখাবে। যে ড্রাইভ ভেঙে নতুন ড্রাইভ বানাতে চান সেটিতে মাউসের ডান বোতামে চেপে Shrink volume নির্বাচন করুন। কিছুক্ষণ সময় নেবে এটি চালু হতে। এখানে Enter the amount of space to Shrink in MB ঘরে কাঙ্ক্ষিত জায়গা দেখা যাবে। যতটুকু জায়গা দেখাবে সর্বোচ্চ ততটুকু বা তার কম জায়গা নিয়ে নতুন ড্রাইভ বানাতে হবে। অন্য ড্রাইভের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত জায়গা নেওয়া যাবে। প্রয়োজন অনুযায়ী জায়গা (প্রতি গিগাবাইটের জন্য ১০২৪ মেগাবাইট করে লিখতে হবে) নির্ধারণ করে Shrink বোতাম চাপুন। কিছু সময় অপেক্ষা করার পর Unallocated space নামে হার্ডডিস্কে নতুন অংশ দেখাবে। এটিতে মাউসের ডান বোতামে ক্লিক করে New Simple Volume নির্বাচন করুন। ফরম্যাট পার্টিশন উইন্ডো চালু হবে, এখানে নেক্সট চেপে assign the following drive letter-এ ড্রাইভের জন্য অক্ষর নির্ধারণ করে বাকি সব সেটিং ঠিক রেখে Next চাপুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে Finish বোতাম চাপলেই কোনো তথ্য না হারিয়ে নতুন আলাদা ড্রাইভ তৈরি হবে। ধন্যবাদ

Continue Readingমজার ট্রিকসঃপুরাতন হার্ডডিস্কে তথ্য না হারিয়ে দিন নতুন ড্রাইভ

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ক্লাউড কম্পিউটিং

আমরা যতই আধুনিকতার শীর্ষে আরোহণ করছি ততই নিজের ডেটা,তথ্য উপাত্তের পরিমাণ বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্লাউড কম্পিউটিং এবং স্টোরেজের দিকে অগ্রসর হচ্ছি।চাহিদার শীর্ষে থাকার অন্যতম কারণ হলো পোর্টেবল সিস্টেম অর্থাৎ কোনো হার্ডকপি সাথে রাখা ব্যতীতই পৃথিবীর যেকোনো স্থান হতে ডেটা সহজে পার্সওয়াড প্রটেকশনে এন্ট্রি করার সুবিধা। চলুন তাইলে জেনে নেওয়া যাক ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে। ক্লাউড কম্পিউটিং (CLOUD COMPUTING) কি? সাধারণভাবে ক্লাউড অর্থ মেঘ। কিন্তু এক্ষেত্রে অর্থটা ভিন্ন। অনেকটা তথ্য জমা রাখার একটা ব্যবস্থা যা বাতাসের মাধ্যমে আদান প্রদান তবে বিষয়টি আরও একটু জটিল। তাহলে ক্লাউড কী? মৌলিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং মানে একটি মেশিনের সীমিত শক্তির পরিবর্তে অনেকগুলো মেশিনের শক্তি সংযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা বোঝায়। এজন্যঅনেকগুলো সার্ভারএবং রাউটার একসাথে এক জায়গায় বসাতে হয়, অনেকটা গুদাম ঘরের মতো। যাতে করে সারা বিশ্বের মানুষজন তাদের তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করতে পারে।সুতরাং ক্লাউড কম্পিউটিং অর্থ দাঁড়ায় আপনার কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেটে ডেটা এবং প্রোগ্রামগুলিকে সঞ্চয় এবং অ্যাক্সেস করা। যেখানে আপনি আপনার সংস্থান যেমন ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা স্টোরেজ, সার্ভার, ডাটাবেস, নেটওয়ার্কিং এবং সফ্টওয়্যার এর মতো সরঞ্জাম এবং অ্যাপ্লিকেশন হোস্ট করতে পারেন। ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রক্রিয়াটির একটি উদাহরণ হলো গুগলের জিমেইল। প্রাথমিক পর্যায়ঃক্লাউড এমন একটি শব্দ বা ধারণা যা এখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণত এটি শুরু হয় ২০০৩ কিংবা ২০০৪ এই সময়ে। কিন্তু কমপ্যাক কম্পিউটারের ইঞ্জিনিয়ারদের ১৯৯৬সালে কিছু ফ্রেশব্যাক যুক্ত নথিপত্র ছিল। তখন ক্লাউডেরপ্রথম ব্যবহার হয়। গুগলের এরিক স্মিথ ২০০৬ সালে এগুলো কিনে নেয় এবং পরবর্তী সময়ে ক্লাউড ব্যবসার মডেল হয়ে যায়। যখন আপনি আপনার মোবাইল থেকে গুগল ম্যাপে প্রবেশ করেন কিংবাগুগল ডকুমেন্টে প্রবেশ করেন তখন আসলে আপনি গুগল ক্লাউডে প্রবেশ করছেন। তখন আপনার প্রয়োজন মতো তথ্য গুগল তাদের ক্লাউড থেকে আপনার সামনে উপস্থাপন করে। মাইক্রোসফট ক্লাউডের আরও এক বড় খেলোয়াড়। সম্প্রতি তারা তাদের অফিস…

Continue Readingজনপ্রিয়তার তুঙ্গে ক্লাউড কম্পিউটিং

সহজে ব্যবহার করুন run কমান্ড

ক্যাচ ফাইল ক্লিনঅাপ,শর্টকাট সিস্টেম এবংঅপ্রয়োজনীয় কমান্ড ডিসিলেক্ট করতে অনেকসময় Run program এর দরকার হয়।কিন্তু অনেকে তাদের PC তে Run program খুজে পান না। Run program পেতে > Start Menu > Right Click করে Properties select করুন > Customized… > নিচের দিকে গিয়ে Run Command এ টিক দিয়ে OK দিন। এবার Start menu click করলেই Run Program পাবেন। না বুঝলে Start Menu তে গিয়ে Run লিখে Search দিলেও পেয়ে যাবেন। Run program এর কিছু কাজঃ১.Treeআপনার PC Ram Clean & Junk Redress করে।২.Recentআপনার recent use করা ফাইল গুলা দেখাবে। All select করে Delete করে দিন।৩.%Temp%আপনার Ram কে Clean & junk ফাইল গুলা Show করাবে। All select করে Delete করে দিন।৪.Msconfig:এখানে auto Start Setup করতে পারবেন। অপ্রয়োজনীয় Program গুলা Boot Menu থেকে সরিয়ে ফেলুন। তাছাড়াও আরো কিছু প্রয়োজনীয় Program অাছে। আরো কিছু Run Program Command:৫.Temp৬.Prefetch৭.chkdsk৮.Devemfmt.msc৯.gpedit১০.regitedএইগুলা সবসময় Use করা ঠিক না। PC Crash/windows Failed হতে পারে। তবে উপরের Command গুলা সহজে Use করতে পারবেন। অপ্রয়োজনীয় Run program মোছার উপায়ঃ১। Start/run-এ গিয়ে Regedit লিখে Enter চাপুন। ২। এখন HKEY_USERS.Default\Software\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Explorer\RunMRUঅপশনে যান। ৩। খেয়াল করুন, ডান পাশে রান কমান্ডের একটা তালিকা দেখা যাচ্ছে। ৪। এখান থেকে ভুল কমান্ড মুছতে কমান্ডটি নির্বাচন করে মাউসের ডানে ক্লিক দিয়ে delete দিতে হবে।

Continue Readingসহজে ব্যবহার করুন run কমান্ড

সস্তা পেনড্রাইভ এবং তার তিন অবস্থা

গান,ভিডিও ইত্যাদি শেয়ার এবং সংরক্ষণের অন্যতম জনপ্রিয় টুলস হলো পেনড্রাইভ।পিসি ইউজ করেন অথচ পেনড্রাইভ পছন্দসই নয় এমন ব্যক্তির দেখা পাওয়া ভার।তবে সমস্যাটা দেখা যায় যখন আসল পেনড্রাইভের বদলে রঙাচঙা এবং সস্তা পেনড্রাইভ কিনে নিজেদের প্রয়োজনীয় তথ্যবলী নষ্ট করে ফেলি।আসুন জেনে নিই কেনো সস্তা পেনড্রাইভ সহজে আপনাকে বিপাকে ফেলতে পারে। আপনি হয়তো কম মূল্যের বেশি স্টোরেজের একটি পেনড্রাইভ কম মূল্যে কিনে সাময়িকভাবে জিতে যেতে পারেন, তবে দীর্ঘমেয়াদী বিচারে পেনড্রাইভটি খুব বেশি সময় আপনাকে সাপোর্ট প্রদান করবে না।আকৃতিতে সব পেন ড্রাইভ ছোট হলেও পার্থক্য থাকে স্টোরেজ ক্ষমতায়। বর্তমানে পেন ড্রাইভ খুব সহজলভ্য এবং সস্তা। বাজারে অনেক সময় খুবই কম দামে বেশি স্টোরেজের পেন ড্রাইভ পাওয়া যায়। যেমন ৩২ জিবি পেন ড্রাইভ ৭০০ টাকারও কম দামে পাওয়া যায়। আর এক্ষেত্রে সাবধান। সস্তার পেন ড্রাইভ ব্যবহারের ফল হতে পারে হয়রানিমূলক।সস্তা পেন ড্রাইভ একটি সিঙেল চিপ ব্যবহার করে তৈরি হয়, যা একটি ফার্মওয়্যার পরিচালিত কমবাইন্ড চিপ। কম্পিউটার বা ল্যাপটপে অ্যাটাচ করলে এটি বেশি স্টোরেজ দেখালেও আদতে ততটা জায়গা এতে থাকে না।সত্যিটা বোঝা যায়, এসব পেন ড্রাইভে ডাটা কপি করতে গেলে। যে পরিমাণ স্টোরেজ থাকার কথা, ততটা ডাটা কপি হয় না সস্তার পেন ড্রাইভে।এ ছাড়া এসব পেন ড্রাইভ ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে লাগালে তা পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ পেন ড্রাইভ একটি শক্তিশালী সার্কিট রুম যেখানে ভোল্টেজ দ্বিগুণ হয় এবং কিছু ক্যাপাসিটর রয়েছে। পেন ড্রাইভের ৫ ভোল্ট ডিসি পাওয়ার সাপ্লাই পিসির ইউএসবি পোর্ট দিয়ে ইন্টারনাল সার্কিটের ভোল্টেজ দ্বিগুণ করে ফেলে এবং এই ভোল্টেজ ক্যাপাসিটরের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে।সস্তার পেন ড্রাইভের ক্যাপাসিটর এই ভোল্টেজ ধরে রাখতে পারে না। তাই সতর্ক থাকুন।

Continue Readingসস্তা পেনড্রাইভ এবং তার তিন অবস্থা

ফাইল এক্সটেনশনের আদ্যপ্রান্ত

ফাইল এক্সটেনশন কিঃ ফাইল এক্সটেনশন কি জানার আগে আমাদের জানতে হবে এক্সটেনশন এর মানে কি দ্বারায় । এক্সটেনশন এর বাংলা করলে প্রসার,বিস্তার,সংযোজিত অংশ ইত্যাদি পাওয়া যায়। এই থেকে আমরা বলতে পারি ফাইল এক্সটেনশন হলো কিছু ফাইলের সাথে থাকা সংযোজিত একটা অংশ । ফাইল এক্সটেনশন হলো ফাইলের শেষে থাকা কিছু সংযোজিত অংশ যা ফাইল টি ধরনের তা নির্দেশ করে থাকে এবং ফাইল এক্সটেনশন দেখে ফাইল চেনা যায় ।ফাইল এক্সটেনশন সাধারণত এক থেকে বিশ অক্ষরের মধ্যে হতে পারে ।সহজ করে বললে আমাদের সবার ই যেমন একটা বংশ গত পদবি আছে সেটা হতে পারে হাসান,হোসেন,খান,চৌধুরি ইত্যাদি যখন কারো নামের শেষে থাকে খান তাহলে আমরা বুঝি খান বংশের লোক এ যেমন নাসিম খান একটি নাম এই নামের শেষের অংশ দেখে বুঝতে পারছি এটা খান বংশের । ঠিক তেমন করেই আমরা ফাইল এর শেষে অংশ দেখে বুঝে নিতে পারি এটি কি ধরনের ফাইল এটা কোথায় কাজে লাগানো যাবে এর কাজ কি ?ফাইল কান্ড-কারখানাঃ আমরা তো অনেকেই বিভিন্ন ধরনের ফাইল ব্যবহার করেছি তাই না? অডিও,ভিডিও,পিডিএফ ইত্যাদি ইত্যাদি কখনো কি খেয়াল করে দেখছি এই ফাইলের শেষে .mp3 , .mp4 , .pdf সহ আরো অনেক ধরনের ফাইল দেখি ? এই রকম থাকার কারণ কি কেন এক হলো না ? কেননা এসব ফাইল অপারেটিং সিস্টেম কে একেক ধরনের অর্থ বুঝায় যদি সব এক হতো তাহলে বুঝত না যে কোনটা কি করতে হবে অর্থাৎ ফাইল এক্সটেনশন অপারেটিং সিস্টেম কে বুঝায় যে ফাইল টি কোন সফটওয়্যার দ্বারা ওপেন হবে ।কখন ভেবেছি কি কম্পিউটারে বা মোবাইলে কোন ভিডিও ওপেন করলে সেটা ভিডিও প্লেয়ার দিয়েই কেন ওপেন হয় অডিও প্লেয়ার দিয়ে কেন হয় না ? কারণ অপারেটিং সিস্টেম ফাইলের এক্সটেনশন দেখেই বুঝে যায় ফাইল টি কি ধরনের আর কি দিয়ে ওপেন হবে । ফাইলের…

Continue Readingফাইল এক্সটেনশনের আদ্যপ্রান্ত