প্রোগ্রামিং শিখি অ্যাপস থেকে

আমাদের মধ্যে অনেকেই প্রোগ্রামিং এর সাথে পরিচিত। বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রোগ্রামিং শেখাটা অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ছোট, বড় অনেকেই এখন প্রোগ্রামিং এর প্রতি ঝুঁকতে শুরু করেছে। বিভিন্ন মাধ্যমে এখন প্রোগ্রামিং শেখা যায়। অনেকে প্রোগ্রামিং এর বিভিন্ন কোর্স করে আবার অনেকে ইউটিউব থেকেও শিখে। তবে বর্তমানে প্রোগ্রামিং শেখার জন্য বেশকিছু ভাল অ্যাপস আছে। এপসগুলোর সাহায্যে প্রোগ্রামিং শেখা যায় ফ্রিতেই, আবার যারা প্রোগ্রামিং এ একেবারেই নতুন তারাও শেখা শুরু করতে পারবে স্বাচ্ছন্দ্যেই। প্রোগ্রামিং শেখার মজার কয়েকটি অ্যাপস নিয়েই আজকের ব্লগটি। Sololearn : প্রোগ্রামিং শেখার জন্য Sololearn পৃথিবীব্যাপি জনপ্রিয় একটি অ্যাপস। পাঁচ মিলিয়নের বেশি ব্যবহারকারী Sololearn ব্যবহার করে। এখানে দশটিরও বেশি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখা যায় ফ্রিতে। যারা প্রোগ্রামিং এ একেবারেই নতুন তারাও খুব সহজেই শিখতে পারবে অ্যাপসটি থেকে। প্রোগ্রামিং শেখার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজেক্ট তৈরি করা যায়। ব্যাবহারকারীরা একে অপরের সাথে কমিউনিকেশন করতে পারে, বিভিন্ন প্রোগ্রামিং সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারে। একসাথে কাজ করার মাধ্যমে নিজেদের স্কিল ডেভেলপ করতে পারে। কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের লেসন শেষ করলে পাওয়া যায় সার্টিফিকেট। ব্যবহারকারীদের জন্য প্রত্যেক লেসন শেষে নিজেকে ঝালাই করে নেওয়ার জন্য রয়েছে কুইজ। আবার ব্যবহারকারীরা একে অপরকে চ্যালেঞ্জ করে পয়েন্ট জেতার সুযোগ পায়, যা শেখাটাকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলে। Sololearn অ্যাপসটি ডাউনলোড করা যাবে গুগল প্লে স্টোরে : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.sololearn এই লিংক থেকে। Programming Hero : প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করার জন্য Programming Hero খুবই মজার ও কার্যকরী একটি অ্যাপস। বিশেষ করে পাইথন শেখার উপযুক্ত করে তৈরি করা হয়েছে অ্যাপসটি। ব্যবহারকারী প্রত্যেকটি লেসন শেখার সাথে সাথে গেইম তৈরি করতে পারবে সহজেই। সম্পূর্ণ লেসন শেষ করলেই পাওয়া যায় সার্টিফিকেট। Programming Hero তে নিজের মতো করে কোডিং ও করা যায়। অ্যাপসটিতে রয়েছে ব্যবহারকারীদের জন্য ফোরাম। ফোরামে যেকোন কোড বা প্রশ্ন পাবলিশ করা যায়। ফোরামের মাধ্যমে একে অন্যের সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং সমস্যা…

Continue Readingপ্রোগ্রামিং শিখি অ্যাপস থেকে

দ্যা মার্শম্যালো টেস্ট

আমাদের চারপাশে তো প্রতিনিয়ত বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট হয়। সেরকমই একটি বিখ্যাত এক্সপেরিমেন্ট 'দ্যা মার্শম্যালো টেস্ট'। ১৯৬০ এর দশকে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওয়াল্টার মিশেল মানুষের মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার সময় এই মার্শম্যালো টেস্ট করেন। মার্শম্যালো টেস্টর জন্য মিশেল এবং তার টিম শতাধিক চার থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের নির্বাচিত করে। তারা মূলত এই টেস্টের মাধ্যমে শিশুদের ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য, কাজ এবং সাফল্য সম্পর্কে ধারণা নেয়। মার্শম্যালো টেস্টটি করার জন্য প্রথমে প্রত্যেক শিশুকে আালাদা আলাদা কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। প্রত্যেক শিশুকে একটি আলাদা চেয়ারে বসিয়ে তার সামনে একটি টেবিলে মার্শম্যালো রাখা হয় যা শিশুদের কাছে খুবই লোভনীয়৷ তারপরে শিশুদের সাথে গবেষক দল একটি চুক্তি করে। গবেষক দল প্রত্যেক শিশুকে আলাদা কক্ষে একা রেখে চলে যাবে। যদি একা থাকাকালীন কোনো শিশু মার্শম্যালো না খায় তাহলে তাকে আরো একটি মার্শম্যালো দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে। কিন্তু যদি কেউ প্রথমবারে মার্শম্যালোটি খায় তাহলে সে দ্বিতীয়বার আরেকটি মার্শম্যালো পাবেনা। চুক্তি অনুযায়ী গবেষক দল পনেরো মিনিটের জন্য শিশুদের একা রেখে চলে যায়। আমাদের মনে হতে পারে যে শিশুদের অপেক্ষা করার ব্যাপরটা খুব মজার ছিলো! কিন্তু কিছু শিশু দরজা বন্ধ করার সাথে সাথে লাফিয়ে উঠে মার্শম্যালো খেয়ে ফেলেছিলো। আর কিছু শিশু নিজেকে সংযত রাখার জন্যে চেয়ার ধরে ঝাঁকুনি দিচ্ছিলো। শেষ পর্যন্ত কিছুসংখ্যক শিশু পুরো সময় অপেক্ষা করেছিলো। তবে এই এক্সপেরিমেন্ট এর আসল টুইস্ট জানা গিয়েছিলো বেশ কয়েক বছর পরে। শিশুরা বড় হওয়ার পরে গবেষক দল তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করে। তাদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে। এরপরে গবেষকরা যেই সিদ্ধান্তে এসেছিলো তা ছিলো সত্যিই অবাক করার মতো! গবেষকদের মতে, যেই শিশুরা মার্শম্যালো না খেয়ে অপেক্ষা করেছিলো তাদের SAT স্কোর অন্যদের তুলনায় ভালো ছিল, মানসিক চাপ মোকাবেলায় তারা ছিল অনেক এগিয়ে এবং সামাজিক দক্ষতায়ও এগিয়ে ছিল। অন্যদিকে যারা প্রথম সুযোগেই মার্শম্যালোটি খেয়ে ফেলেছিলো তাদের জীবনে প্রাপ্তির…

Continue Readingদ্যা মার্শম্যালো টেস্ট

জাভাস্ক্রিপ্ট কেন শিখবো?

নতুন কিছু শেখার আগে, এটি কী এবং এটি মূলত কী করে তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। নতুন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ আয়ত্ত করার ক্ষেত্রে এটি অনেকটা কার্যকরী।এখন সহজ কথায়, জাভাস্ক্রিপ্ট একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যা ওয়েবসাইটকে ইন্টারেক্টিভ করতে ব্যবহৃত হয়। যদি আপনি কোনো ওয়েবসাইটের Basic Makeup সম্পর্কে চিন্তা করেন তবে HTML ওয়েবসাইটটির মূল Structure বা কাঠামো তৈরি করে এবং CSS ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তুকে আরো দৃষ্টিনন্দন এবং এই জাতীয় বিষয়গুলি নির্ধারণ করে। শুধু HTML এবং CSS এর সাহায্যে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। তবে সেটি দেখতে ভালো লাগলেও সত্যিকার অর্থে তেমন কিছু করেনা। এখানেই মূলত জাভাস্ক্রিপ্টের আসল মজা! জাভাস্ক্রিপ্ট ওয়েবসাইটকে ডায়নামিক করে তুলতে সাহায্য করে। যার ফলে ইউজার খুব স্বাচ্ছন্দ্যেই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করতে পারে, ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে। জাভাস্ক্রিপ্টের সাহায্যে অ্যানিমেশন, অডিও-ভিডিও প্লেয়িং করা এবং ইন্টারেক্টিভ ম্যাপ তৈরি করা যায় সহজেই।তবে আমাদের মনে হতেই পারে যে, জাভাস্ক্রিপ্টের আদৌ কতটুকু ডিমান্ড? এই বিষয়ে এটি জেনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে 1995 সালে তৈরি হওয়ার পরে, সারা বিশ্বে সর্বত্র এর ব্যবহার রয়েছে এবং এটি খুব শীঘ্রই পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।জাভাস্ক্রিপ্ট দিয়ে যদিও অনেক কিছুই করা যায়! তবে জাভাস্ক্রিপ্ট শেখার মূল কারণ হতে পারে, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট।এখন বলি, জাভাস্ক্রিপ্ট কেন এত জনপ্রিয় হয়েছিল, আর কিছু প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ রয়েছে এবং সেগুলি এত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে নি। জাভাস্ক্রিপ্ট খুবই সমৃদ্ধ। শুধুমাত্র জাভাস্ক্রিপ্ট জেনে, আপনি একটি সম্পূর্ণ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে সক্ষম! মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন? মোটেও প্যারা নেওয়ার কিছু না! জাভাস্ক্রিপ্টের প্রচুর ফ্রেমওয়ার্ক রয়েছে যেমন Angular, React.js, Vue.js এবং আরও অনেক কিছু, যার মাধ্যমে আমরা সহজেই তৈরি করতে পারবো অসাধারণ সব মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। ব্যাক-এন্ড এর জন্যেও আমাদের আলাদা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার দরকার নেই! আমরা কোনো ওয়েব অ্যাপ বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন বা একটি সাধারণ ওয়েবসাইট তৈরি করা সবগুলির জন্য জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করতে পারি!তাহলে আর দেরি কেন?এবার জাভাস্ক্রিপ্ট নিয়ে সব কনফিউশন ঝেড়ে…

Continue Readingজাভাস্ক্রিপ্ট কেন শিখবো?