ওয়াইফাই হ্যাকিং

আমাদের মধ্যে কতো জন আছি, যারা বন্ধু বা প্রতিবেশির ওয়াইফাইের পাসওয়ার্ড জানার জন্য গুগল, ইউটিউব তছনছ করেছি শুধু একটি উপায়ের জন্য। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্ষান্ত হয়েছি নিজেদের ডিভাইস এ ভাইরাস, মালওয়ার ইন্সটল সহ নানাবিদ ক্ষতি সাধনের মাধ্যমে। আনেকে হয়ত ধরে নিয়ে ব্যাপারটা অসম্ভব। আজকে আমি এই ওয়াইফাই হ্যাকিং এর ব্যাপার একটা ধারনা দেয়ার চেষ্টা করব। তবে আপনি যদি মনে করেন এই আর্টিকেল পরে আপনি ওয়াইফাই হ্যাকিং শিখে  ফেলবেন তাহলে ভুল করবেন। প্রথমেই আমাদের জানতে হবে ওয়াইফাই কী, কীভাবে কাজ করে এবং এতে কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা  থাকে। ওয়াইফাই হল এক বিশেষ প্রযুক্তি যা কম্পিউটার, ল্যাপটাপ, স্মার্টফোন, প্রিন্টার ইত্যাদিতে তারবিহীন পদ্ধতিতে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা প্রদান করে। ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে ডাটা মূলত ছোট ছোট প্যাকেট আকারে রেডিও সিগন্যালের মাধ্যমে ট্রান্সমিট হয়। প্রতিটি ডিভাইস রাউটারের সাথে কনেক্টটেড থাকে ইন্টারনেট এক্সেসের জন্য। চিত্তটি লক্ষ করুন- আগেই বলেছি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ডাটা(তথ্য) আদান-প্রদান হয় প্যাকেট আকারে এবং এই প্যাকেটগুলি রেডিও সিগন্যালের মাধ্যমে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে পাঠানো হয়। এখন প্রশ্ন আসতে পারে রাউটার কীভাবে সঠিক প্যাকেট সঠিক ডিভাইসে পাঠায়ে। এই ভূমিকা রাখে MAC(Media Access Control) Address। এই এড্রেস দিয়ে LAN(Local Area Network) র ডিভাইস গুলোর মধ্যে ডাটা বিনিময় হয়। এই নিয়ে বিস্তারিত পরে কখনও আলোচনা করব। ওয়াইফাই সিকিউরিটির জন্য বহুল ব্যাবহ্রত Protocol গুলো - WEP (Wired Equivalent Privacy) WPA (Wi-Fi Protected Access) WPA2 (Wi-Fi Protected Access 2) বর্তমানে অধিকাঃশ রাউটারে WPA2 Protocol ব্যবহ্রত হচ্ছে WPA2 র তুলনামূলক অধিক নিরাপত্তার জন্য। WPA & WPA2 কার্যপদ্ধতি প্রায় এইরকম। WEP দূর্বল নিরাপত্তার কারণে বর্তমানে আর তেমন ব্যবহ্রত হয় না। WPA ও WPA2 Protocol বিশিষ্ট নেটওয়ার্কে(সাধারণ ওয়াইফাই যেগুলি আমরা সবসময় ব্যাবহার করি) আমরা কানেক্টেড হওয়ার জন্য আমরা কী করি? প্রথমে আমাদের ডিভাইসে(laptop, smartphone etc.) ওয়াইফাই অন করি, তারপর নেটওয়ার্ক লিস্ট থেকে আমাদের…

Continue Readingওয়াইফাই হ্যাকিং