You are currently viewing সি প্রোগ্রামিং এবং তার বেসিক কিছু তথ্য

সি প্রোগ্রামিং এবং তার বেসিক কিছু তথ্য

সি প্রোগ্রামিং কি?

সি হচ্ছে একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, কম্পিউটার সাধারনত দুটি সংখ্যা বুঝে একটা হলো 0 এবং অপরটা হলো ১ ।অন্যান্য বিদ্যুৎ চালীত যন্ত্রের মতন কম্পিউটারও শুধুমাত্র বিদ্যুৎ আছে অথবা নাই, এই দুইটা অবস্থা বুঝতে পারে । প্রাথমিক দিকে যখন প্রোগ্রামিং করা হতো তখন এই দুইটি সংখ্যা দিয়েই মূলত প্রোগ্রাম বানানো হতো ।আর এ ধরনের প্রোগ্রামের ভাষা কে Assembly Language বলা হয় । কিন্তু, এই পদ্ধতিটা অনেক বেশী জটিল হওয়ায় পরবর্তিতে বিভিন্ন High Level Language এর উদ্ভাবন ঘটে ।

সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্মকথা:

ডেনিশ রিচি সি ল্যাঙ্গুয়েজ এর সূচনা করেন । তখন এটি মূলত ইউনিক্স কে টার্গেট করে ডিজাইন করা হয়েছিল এবং প্রায় ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত এর ব্যবহার বেল ল্যাবরেটরি এর মধ্যেই সীমিত ছিল। ১৯৭৮ সালে কারনিহান (Kernighan) এবং রিচি (Ritchie) “The C Programming Language” নামে সি ল্যাঙ্গুয়েজ এর বিস্তারিত বিবরন দিয়ে একটা প্রকাশনা বের করেন, যা “K & R C” নামেও পরিচিত ।

প্রাথমিক অবস্থায় সি বানানো হয়ে ছিলো অপারেটিং সিস্টেম UNIX এর জন্য । পরবর্তিতে এটি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয় ।

নোট: জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম লিন্যাক্স সি দিয়ে বানানো ।

সি প্রোগ্রাম করতে কি কি প্রয়োজন ?

মূলত দুই দরনের টুলস্ কিনবা সফটওয়্যারের প্রয়োজন আছে :

১) প্রোগ্রাম লেখার জন্য সফটওয়্যার

২) লিখিত প্রোগ্রাম চালানোর উপযোগী করার জন্য সফটওয়্যার

তবে স্ট্যান্ডার্ড IDE তে ই এর সব কিছু পাওয়া যাবে ।তাই এই একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করলেই চলবে ।

ক) প্রোগ্রাম লেখার জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যারঃ সি তে প্রোগ্রাম লেখার জন্য বিশেষ কোন সফটওয়্যার এর দরকার নাই। যে কোন এডিটর সফটওয়্যার (যেমন- নোটপ্যাড, নোটপ্যাড++, জিইডিট) ব্যবহার করেই কোডিং করা সম্ভব । তবে কোডিং সহজে করার জন্য আমরা আইডিই (IDE) বা Integrated Development Environment নামে পরিচিত। জনপ্রিয় কিছু IDE হলো:

· কোডব্লোকস,

· ভিজুয়্যাল স্টুডিও

· টার্বো সি ইত্যাদি ।

খ) লিখিত প্রোগ্রাম চালানোর উপযোগী করার জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যারঃ প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে লেখা কোন প্রোগ্রাম চালানোর উপযোগী করার জন্য সাধারণত দুই ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়-

১। কম্পাইলার : এই টাইপের সফটওয়্যার গুলো সাধারণত পুরো একটা প্রোগ্রাম কে ইনপুট হিসাবে নেয় । এরপর Debugging এর মাধ্যমে সেগুলোতে কোন ইরর বা ত্রুটি আছে কিনা দেখে, না থাকলে প্রোগ্রাম টাকে একটা Intermediate Object কোডে রূপান্তরিত করে । এরপর Object কোড টাকে executable কোডে রূপান্তরিত করে ।

২। ইন্টারপ্রিটার : ইন্টারপ্রিটার টাইপের সফটওয়্যার গুলো সাধারণত প্রোগ্রাম এর এক একটা লাইন কে ইনপুট হিসাবে নেয়, তাতে কোন ভুল বা ত্রুটি আছে কিনা দেখে, আর না থাকলে তা এক্সিকিউট করে।

প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার:

http://www.codeblocks.org/downloads/binaries

উপরের ওয়েবসাইট তে যাই । এখানে উইন্ডোজ (Windows), লিনাক্স (Linux), ম্যাক (Mac OS X) এর জন্য বাইনারী ফাইল দেয়া আছে যেগুলো ডাউনলোড করে সরাসরি ইন্সটল করা যাবে।

i) codeblocks-13.12mingw-setup.exe ( আপনারা এটা ডাউনলোড করবেন এতে কম্পাইলার দেওয়া আছে)

লিনাক্সে কমান্ড লাইন ব্যবহার করে কোডব্লোকস ইন্সটল করার পদ্ধতি:

প্রথমে সফটওয়্যারের প্যাকেজলিস্ট আপডেট করে নিতে হবে :

sudo apt-get update

এরপর কোডব্লোকস চালানোর জন্য নিচের প্যাকেজটি ইন্সটল করতে হবে, এটি মুলত g++ ইন্সটল করে ।

sudo apt-get install build-essential

এরপর আমরা কোডব্লোকস ইন্সটল করার জন্য নিচের কমান্ডটি ব্যবহার করবো:

sudo apt-get install codeblocks

ইন্সটল করা হয়ে গেলে টার্মিনাল থেকে codeblocks এই কমান্ডটি দিলেই কোডব্লোকস রান করবে । আপনি চাইলে অ্যাপলিকেশন মেনু থেকেও কোডব্লোকস রান করতে পারবেন।

Leave a Reply