You are currently viewing হ্যাশিং অ্যালগরিদম (Hashing Algorithm)

হ্যাশিং অ্যালগরিদম (Hashing Algorithm)

মনে করেন আপনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল পাঠাতে চান। সেক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই নিশ্চিত থাকতে চাইবেন আপনার ফাইলটি যেন কোন রকম পরিবর্তন ছাড়াই গন্তব্য স্থানে যায়। আর এখানেই আসে হ্যাশিং অ্যাগরিদমের ব্যবহার।

হ্যাশিং অ্যালগরিদম (Hashing Algorithm) কি?

হ্যাশিং অ্যালগরিদম (Hashing Algorithm) হলো একটি ফাংশন যা নির্দিষ্ট ইনপুট গ্রহন করে একটা নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের আউটপুট জেনারেট করে যা হ্যাশ ভ্যালু নামে পরিচিত। এই হ্যাশ ভ্যালু ইনপুট ডাটা থেকে কম দৈর্ঘ্যের হয়। হ্যাশ ভ্যালু মুল ডাটার সামারি হিসেবে কাজ করে।

একটি হ্যাশ ফাংশনকে One way function হিসেবে ডিজাইন করা হয়।ফলে হ্যাশ ভ্যালুকে কোনোভাবেই মুল ডাটাতে রুপান্তর করা যায় না।

হ্যাশিং অ্যালগরিদমের ব্যবহার

  • ফাইল শনাক্তকরণ
  • পাসওয়ার্ড স্টোরেজ
  • মেসেজ অথেনটিকেশন কোডস (MACs)
  • নকল ফাইল নিশ্চিতকরণ
  • ডিজিটাল সিগনেচার
  • ক্রিপ্টোকারেন্সি

এছাড়া তথ্য প্রযুক্তিতে এর আরও ব্যপক ব্যবহার রয়েছে।

হ্যাশিং অ্যালগরিদম এর বৈশিষ্ট্য

  • যে কোন ডাটা থেকে দ্রুত হ্যাশ ভ্যালুতে পরিবর্তন করার ক্ষমতা
  • হ্যাশ ভ্যালু থেকে কোনভাবেই মুল ডাটা পুনরুদ্ধার করা যায় না
  • কখনই দুটা ভিন্ন মেসেজের জন্য একই হ্যাশ ভ্যালু পাওয়া যাবে না
  • মুল ডাটাতে একটা ক্ষুদ্র পরিবর্তনের জন্য হ্যাশ ভ্যালুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন আসবে। এটাকে avalanche effect বলে।

হ্যাশিং অ্যালগরিদম ব্যবহার পদ্ধতি

মনে করা যাক, আপনি আপনার বন্ধুর কাছে একটি ফাইল পাঠাবেন। ফাইলটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনি অবশ্যই নিশ্চিত হতে চাইবেন যে , যে ফাইলটি আপনি পাঠিয়েছেন সেই ফাইলটিই কোনরকম পরিবর্তন ছাড়া আপনার বন্ধুর কাছে গেছে কিনা। এক্ষেত্রে আপনার হয়তো আপনার বন্ধুকে ফোন করতে হবে এবং দুজনে একসাথে বসে মুল ফাইলটির সাথে রিসিভ করা ফাইলটি মিলিয়ে দেখতে হবে। কিন্তু তাহলে ফাইলটি সেন্ড করার কোন মানে হয় না।

এখানেই আসে হ্যাশিং অ্যালগরিদমের ব্যবহার। এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে হ্যাশিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ফাইলটির একটি হ্যাশ ভ্যালু (a numeric string output of fixed length) বের করতে হবে। এরপর ফাইলটির সাথে হ্যাশ ভ্যালুটিকেও আপনার বন্ধুর কাছে পাঠাতে হবে। আপনার বন্ধু তখন ফাইলটি রিসিভ করবে এবং রিসিভ করা ফাইলটিতে ঐ একই অ্যা ব্যবহার করে হ্যাশ ভ্যালু জেনারেট করবে। আর আমরা আগেই জেনেছি যে, একই ডাটা বা ফাইল থেকে সর্বদা একই হ্যাশ ভ্যালু জেনারেট হবে। তাই যদি মুল ফাইল আর কপি ফাইল এর হ্যাশ ভ্যালু দুইটি মিলে যায় তাহলে ফাইল দুইটিও একই হবে। এভাবে হ্যাশ ভ্যালুর তুলনার মাধ্যমে আপনার বন্ধু নিশ্চিত হতে পারবে ফাইলটি কোনরুপ পরিবর্তন ছাড়াই তার কাছে এছেসে কিনা।

কিছু জনপ্রিয় হ্যাশিং অ্যালগরিদম

  • MD5 (Message-Digest algorithm 5)
  • SHA-family (Secure Hash Algorithm)

Leave a Reply