You are currently viewing আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স

  • Post author:

বলা হয়ে থাকে আমাদের ভবিষ্যত পৃথিবীর মুশকিল আহসানকারী। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে আমরা এই দুইটি শব্দের সাথে এমন কোনো যন্ত্রের মিল ঘটিয়ে ফেলি যার হয়ত নিজ থেকে সবকিছু চিন্তা করার ক্ষমতা আছে। আসলে কিন্তু তা না। কিন্তু এখন পর্যন্ত রোবট এমন একটি যন্ত্র যার নিজে থেকে কোনো কিছু, কোনো অপারেটিং প্রোগ্রাম তৈরি করার ক্ষমতা হয় নি। কিন্তু এটা বলা যাবে না যে তার নিজস্ব কোনো কাজ করার সামর্থ্য নেই। কথাগুলো বেশি প্যাচানো লাগতে পারে। সহজ ভাষায় বলি। একটি রোবটের এখন পর্যন্ত কোনো এ্যানালিটিক্যাল পাওয়ার নেই। অর্থাৎ রোবটকে যদি আমি বলে দেই যে পর্যায় সারণির সব মৌলের ভর সংখ্যা তার পারমাণবিক ভর সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃদ্ধি পায় , তাহলে সে কোনোদিনই ধরতে পারবে না অর্থাৎ বলতে পারবে না যে আর্গনের পারমাণবিক সংখ্যা পটাশিয়ামের থেকে বেশি, পারমাণবিক সংখ্যা কম হওয়া সত্ত্বেও। অর্থাৎ আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সকে আমার বলে দিতে হবে যে তাকে কিভাবে কাজ করতে হবে। আর এই কাজের ইনপুট প্রদান করে থাকে রোবট এর দেহে অবস্থিত কোনো সেন্সর অথবা মনুষ্য ইনপুটের মাধ্যমে।তার মধ্যে এমনভাবে কোডিং করা থাকে যাতে সে যখন একটি নির্দিষ্ট ইনপুট পাবে তখন যাতে তার আউটপুটও নির্দিষ্ট হয়। যেমন আমি একটি রোবটকে নির্দেশনা দিয়ে রাখলাম যে তুমি যদি রুমের তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে বেশি দেখতে পাও তাহলে পোঁ পোঁ করে সাইরেন বাজাতে শুরু করবে। এখন এটা হচ্ছে নরমাল প্রোগ্রাম। তাকে আমি বলে দিচ্ছি যে সে কি করবে। কিন্তু এখন যদি আমি এভাবে বলতাম, যে তুমি যদি দেখো তাপমাত্রা বাড়ছে একটি নির্দিষ্ট হারে , তখন তুমি ওই হারটি তোমার মধ্যে সংরক্ষণ করে রাখবা। এখন রোবটটি শিখে গেলো কি হারে আগুনটি বাড়লে বাসায় আগুন লাগতে পারে। এখন পরবর্তীতে যখন আবার ওই বাসায় আগুন লাগবে তখন সে তার মধ্যে সংরক্ষিত তাপমাত্রা বৃদ্ধির হারের ডাটাকে তুলনা করে আগে থেকেই একটা ধারণা লাভ করতে পারবে যে এখন আগুন লাগতে পারে। এবং আগেভাগে সাইরেন বাজানোর কারণে হয়ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও কমে যাবে ।এটাই হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স। আমরা মানুষ, যেমন প্রতিনিয়ত নতুন করে এই বিশ্বের সাথে পরিচিত হচ্ছি, প্রতিনিয়ত নতুনের সাথে বন্ধন গড়ছি, ঠিক তেমনি আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সেরও লক্ষ্য প্রতিনিয়ত রোবটকে নতুন নতুন পরিবেশের সাথে পরিচিত করে তোলা। তাকে কোনো কাজের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলা। হতে পারে ভবিষ্যতে এমন কোনো প্রযুক্তি আসবে যার কারণে আমাদের হয়তো রোবটকে আর লেখাপড়া করাতেই হবে না। তারা নিজেরাই সব শিখে নিবে। আর হতে পারে আমাদের ওপর একসময় কর্তৃত্ব করা আরম্ভ করবে। হতে পারে না? কারণ তারা তো আমাদেরই ছাত্র।

Leave a Reply