You are currently viewing কোয়ান্টাম ইন্টারনেট (পর্ব ১)

কোয়ান্টাম ইন্টারনেট (পর্ব ১)

  • Post author:

কেমন হবে যদি আপনার ইন্টারনেট এর বর্তমান অবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসে?

আমরা জানি যে আমাদের নেটওয়ার্ক বিটস নিয়ে কাজ করে যার শুধু দুইটি মান হওয়া সম্ভব – বাইনারী ০,১। কিন্তু ভবিষ্যতে যে কোয়ান্টাম ইন্টারনেট এর ধারণা আমরা করছি তা কাজ করবে ‘কিউবিটস’ নিয়ে। এই কিউবিট  হলো কোয়ান্টাম ইইনফরমেশন যা কি না অসীমসংখ্যক  মান নিয়ে কাজ করতে পারে।

* কিউবিট হলো কোয়ান্টাম কম্পিউটার এর ইউনিট অফ ইনফরমেশন *

এতে কি হবে? কোয়ান্টাম ইন্টারনেট এর ব্যান্ডউইথ বেশি হবে যার ফলে সুপার কোয়ান্টাম কম্পিউটার  এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযোগ সম্পন্ন করা যাবে।তাছাড়া এমন সকল এপ্লিকেশন এর কাজ করা যাবে যা কি না বর্তমানের ইন্টারনেট এর মাধ্যমে সম্ভব নয়।

কিন্তু আসলে এই কোয়ান্টাম ইন্টারনেট জিনিসটা কি?

প্রথমত, কোনভাবেই এটি বর্তমানে প্রচলিত ইন্টারনেট কে সরিয়ে দিয়ে জায়গা দখল করতে আসছে না।বরং এটি একটি অত্যাধুনিক শাখা হিসেবে আসবে বর্তমানের ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক এর। আমরা যে সকল সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি সেই সকল সমস্যার সমাধান হয়ে আসবে এই আশাবাদ ব্যাক্ত  করেন ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগোর প্রফেসর David Awschalom, যিনি কোয়ান্টাম লুপ প্রজেক্ট এর নেতৃত্ব দিয়েছেন।

একটি ছোট উদাহরণ দিয়ে এই ব্যাপারটা পরিষ্কার করা যায়- আজকাল ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীদের যে সমস্যা গুলো মুল তা হলো তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা। সাইবার অপরাধী এবং হ্যাকারদের থেকে তথ্যের সুরক্ষা পাওয়া একটা বড় চ্যালেঞ্জ।  ধরে নিন আপনি ঢাকায় বসে একটি মেসেজ পাঠাবেন আপনার বন্ধু যে কি না এখন ইস্তাম্বুলে আছে, ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক এ এই মেসেজটি একটি নির্দিষ্ট পথ অতিক্রম করে। এই পথে সিগনাল এর ট্রান্সমিশন, এপ্লিফাই, এরর গুলো সংশোধন করা হয়ে থাকে আর ঠিক এই পদ্ধতিটাই হ্যাকারদেরকে একটা সুযোগ করে দেয় সিস্টেমে ঢুকে পড়ে , মেসেজটি ইন্টারসেপ্ট করতে। তাহলে কোয়ান্টাম ইন্টারনেট এমন কি করবে যা এই সমস্যার সমাধান দিবে? দেখুন, আমরা কথা বলছি ফোটন নিয়ে যা কোয়ান্টাম নেটওয়ার্ক ব্যাবহার করে এই ধরনের মেসেজগুলো পাঠাতে। প্রফেসর সুমিত খাত্রী (লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি)  বলেন, ” কোয়ান্টাম ইন্টারনেট কে সহজভাবে বুঝতে হলে কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন বুঝতে হবে”।  তিনি তাদের গবেষণায় বলেছেন স্যাটেলাইটসমুহ প্রতিনিয়ত কোয়ান্টাম এন্ট্যাংগেল্ড ফোটন ব্রডকাস্ট করবে পৃথিবীতে। যারা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে চাইছে তারা কোয়ান্টাম এন্টেংগেল্ড পার্টিকেল শেয়ার করবে, এবং এ সব কিছুই হচ্ছে আলোর গতিতে! কীভাবে এই এন্ট্যাংগেল্ড পার্টিকেলগুলো মানুষের কাছে ছড়িয়ে দেয়া যায়  সেটাই এখন গবেষকদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটা যদি সত্যিই বিশাল পরিসরে বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে ইন্টারনেট এর দ্রুততম গতি অর্জন করা সম্ভব হবে। যার ফলে জিপিএস নেভিগেশনে অনেক সূক্ষ্ম  এবং সর্বোচ্চ কাছাকাছি উত্তর মিলবে।

Source: Resource-Rate Analysis of a Space-Based Entanglement-Distribution Network for the Quantum Internet Sumeet Khatri,1, ∗ Anthony J. Brady,1, † Renée A. Desporte,1 Manon P. Bart,1 and Jonathan P. Dowling1, 2, 3, 4 1Hearne Institute for Theoretical Physics, Department of Physicss and Astronomy, Louisiana State University, Baton Rouge, Louisiana, 70803, USA 2National Institute of Information and Communications Technology, 4-2-1, Nukui-Kitamachi, Koganei, Tokyo 184-8795, Japan 3NYU-ECNU Institute of Physics at NYU Shanghai, Shanghai 200062, China 4CAS-Alibaba Quantum Computing Laboratory, USTC, Shanghai 201315, China (Dated: December 17, 2019)

Leave a Reply