You are currently viewing সস্তা পেনড্রাইভ এবং তার তিন অবস্থা

সস্তা পেনড্রাইভ এবং তার তিন অবস্থা

গান,ভিডিও ইত্যাদি শেয়ার এবং সংরক্ষণের অন্যতম জনপ্রিয় টুলস হলো পেনড্রাইভ।পিসি ইউজ করেন অথচ পেনড্রাইভ পছন্দসই নয় এমন ব্যক্তির দেখা পাওয়া ভার।তবে সমস্যাটা দেখা যায় যখন আসল পেনড্রাইভের বদলে রঙাচঙা এবং সস্তা পেনড্রাইভ কিনে নিজেদের প্রয়োজনীয় তথ্যবলী নষ্ট করে ফেলি।আসুন জেনে নিই কেনো সস্তা পেনড্রাইভ সহজে আপনাকে বিপাকে ফেলতে পারে।

আপনি হয়তো কম মূল্যের বেশি স্টোরেজের একটি পেনড্রাইভ কম মূল্যে কিনে সাময়িকভাবে জিতে যেতে পারেন, তবে দীর্ঘমেয়াদী বিচারে পেনড্রাইভটি খুব বেশি সময় আপনাকে সাপোর্ট প্রদান করবে না।
আকৃতিতে সব পেন ড্রাইভ ছোট হলেও পার্থক্য থাকে স্টোরেজ ক্ষমতায়। বর্তমানে পেন ড্রাইভ খুব সহজলভ্য এবং সস্তা।

বাজারে অনেক সময় খুবই কম দামে বেশি স্টোরেজের পেন ড্রাইভ পাওয়া যায়। যেমন ৩২ জিবি পেন ড্রাইভ ৭০০ টাকারও কম দামে পাওয়া যায়। আর এক্ষেত্রে সাবধান। সস্তার পেন ড্রাইভ ব্যবহারের ফল হতে পারে হয়রানিমূলক।
সস্তা পেন ড্রাইভ একটি সিঙেল চিপ ব্যবহার করে তৈরি হয়, যা একটি ফার্মওয়্যার পরিচালিত কমবাইন্ড চিপ। কম্পিউটার বা ল্যাপটপে অ্যাটাচ করলে এটি বেশি স্টোরেজ দেখালেও আদতে ততটা জায়গা এতে থাকে না।
সত্যিটা বোঝা যায়, এসব পেন ড্রাইভে ডাটা কপি করতে গেলে। যে পরিমাণ স্টোরেজ থাকার কথা, ততটা ডাটা কপি হয় না সস্তার পেন ড্রাইভে।
এ ছাড়া এসব পেন ড্রাইভ ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে লাগালে তা পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কারণ পেন ড্রাইভ একটি শক্তিশালী সার্কিট রুম যেখানে ভোল্টেজ দ্বিগুণ হয় এবং কিছু ক্যাপাসিটর রয়েছে। পেন ড্রাইভের ৫ ভোল্ট ডিসি পাওয়ার সাপ্লাই পিসির ইউএসবি পোর্ট দিয়ে ইন্টারনাল সার্কিটের ভোল্টেজ দ্বিগুণ করে ফেলে এবং এই ভোল্টেজ ক্যাপাসিটরের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে।
সস্তার পেন ড্রাইভের ক্যাপাসিটর এই ভোল্টেজ ধরে রাখতে পারে না। তাই সতর্ক থাকুন।

Leave a Reply